মাসুদ স্যার এবং সাহিত্য পড়ানোর বিপদ

ঢাকা, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯ | ২৯ আশ্বিন ১৪২৬

মাসুদ স্যার এবং সাহিত্য পড়ানোর বিপদ

জাহিদুল আলম ৯:০০ অপরাহ্ণ, জুলাই ০৯, ২০১৯

print
মাসুদ স্যার এবং সাহিত্য পড়ানোর বিপদ

১৯৯৮ সালের ঘটনা। আমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হই। তখন বিভাগীয় প্রধান ড. মাসুদ মাহমুদ। ভর্তি হওয়া সম্পন্ন হলে বিভাগীয় অফিস সহকারী দেলোয়ার ভাই একটা কাগজ ধরিয়ে দেন ইংরেজিতে লেখা যার শিরোনাম ছিল- ‘Very Important’। বাসায় এসে পড়ে দেখলাম কাগজটা ক্লাসে উপস্থিতি সংক্রান্ত। বলা আছে, ক্লাসে ঠিকমতো উপস্থিত না থাকলে কি সমস্যা হবে এসব। একটা জায়গায় বলা আছে, ক্লাস শিক্ষক একজন ছাত্রকে শুধু ক্লাসে আসলে-গেলেই উপস্থিত ধরে নিতে বাধ্য না। Non-Attendance বিভিন্ন কারণে হতে পারে।

যেমন, টেকস্ট বই ক্লাসে না আনা, পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়া ক্লাসে আসা ইত্যাদি এবং এই Non-Attendance এর কারণে যে ফাইনাল পরীক্ষা দিতে সমস্যা হবে এসবের নসিহতনামা। খুব মন খারাপ হয়ে গেল! ভাবছিলাম বিশ্ববিদ্যালয় লেভেলে এসে একটু ফাঁকিবাজি করা যাবে। কিন্তু এখন তো দেখছি ‘পড়েছি মোগলের হাতে, খানা খেতে হবে সাথে’ অবস্থা! মন খারাপ আরও বেড়ে গেল।

পরবর্তীতে যখন জানলাম Non-Attendance এর কারণে আমাদের সিনিয়র ব্যাচের কয়েকজন ফাইনাল পরীক্ষা দিতে পারেনি! মানে ইয়ার লস! এসব কারণে বিভাগে অনেকে স্যারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করত এবং আমারও খারাপ লাগত জিনিসটা। উপস্থিতি কম থাকার কারণে একজন ছাত্রের এক বছর নষ্ট হয়ে যাওয়াটা আসলেই হতাশার।

তিনি হলেন মাসুদ মাহমুদ স্যার। পুরোপুরি একাডেমিক। শুরুতে একটু হতাশ হলেও এই চিঠিটা আমার অনেক উপকারে এসেছিল যা আমি পরীক্ষা দেওয়ার সময় হাতেনাতে টের পেতাম। আমি চট্টগ্রাম কলেজে পড়াকালীন উপস্থিতিজনিত জটিলতার কারণে একবার অনেক বিপদে পড়েছিলাম। তাই আর বিপদে পড়তে চাইনি। ফলে আমি রেগুলার ক্লাস করেছি বিশ্ববিদ্যালয়ে। কখনো ক্লাস মিস দিতাম না এবং ক্লাস করার প্রয়োজনীয়তা তখন খুব ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পেরেছিলাম। আমার সেই সময়ের ক্লাসনোট আমার কাছে এখনো আছে। আমি আমার শিক্ষকতা জীবনে এগুলো অনুসরণ করার চেষ্টা করি। ছাত্র থাকাকালীন উনার লেকচার মুগ্ধ হয়ে শুনতাম। আমার মনে হয় দল মত নির্বিশেষে উনার শত্রু-মিত্র সবাই এক বাক্যে স্বীকার করবেন উনার ক্লাসের উচ্চমানের কথা। রেগুলার ক্লাস করলেও ছাত্রজীবনে কখনো ব্যক্তিগতভাবে উনার সঙ্গে কথা বলিনি। আমি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকে একাডেমিক কারণে উনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা হয়। তখন আরও কাছে থেকেই উনার জ্ঞানের পরিধি বোঝার চেষ্টা করেছি এবং শিক্ষক হিসেবে নিজের অবস্থান বোঝার চেষ্টা করেছি বারবার। প্রতিবারই নিজের অজ্ঞতার জন্য লজ্জিত হয়েছি।

দুই.
ইউএসটিসিতে মাসুদ স্যারের সঙ্গে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে তা মূলত স্যারের এই একাডেমিক মনোবৃত্তির কারণে। কিছু ছাত্র এবং কিছু শিক্ষকের জন্য উনি বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। আমার শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি প্রত্যেকটা বিভাগে কিছু ছাত্র থাকে যারা ফাঁকিবাজি করে কোনোভাবে পাস করে যেতে চায় এবং শিক্ষকদের কাছে বিভিন্নভাবে অনৈতিক সুবিধা নিতে চায়। এদের সঙ্গে অনেক শিক্ষক কম্প্রমাইজ করে, আর যারা করে না তারা বিপদে পড়ে। মাসুদ স্যারের আসল সমস্যা হচ্ছে তিনি কম্প্রমাইজ করতে জানেন না। মানিয়ে নিতে পারেন না। ইউএসটিসিতে যে ঘটনা ঘটেছে তাতে বেশির ভাগ ছাত্রের সায় ছিল না। একটা ক্লাসের ২৫৬ জন ছাত্রের মধ্যে কেবল ২২ জন ছাত্র এসব ঘৃণ্য অপকর্মগুলো করেছে যা পরবর্তীতে স্যারকে পুড়িয়ে মারার জন্য উনার গাঁয়ে কেরোসিন ঢালার মতো বীভৎস কাজে রূপ নিয়েছে! স্যার ওই ছাত্রদের সঙ্গে কম্প্রমাইজ করেননি। এটাই মূল সমস্যা ছিল। তাছাড়া, ইউএসটিসি সম্পর্কে আমি আগে থেকে যা জানি তার ভিত্তিতে বলতে পারি একটা বিশ^বিদ্যালয়ে যখন সিস্টেম নামে কিছু থাকে না তখন এই সমস্যাগুলো সৃষ্টি হতে বাধ্য।

গত ৫ জুলাই বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান স্যারের ‘নতুন সংস্কৃতি : শিক্ষকের গায়ে কেরোসিন দিয়ে হত্যাচেষ্টা’ টাইটেলের লেখাটি পড়লে বাংলাদেশের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর এ রকম পরিবেশ সম্পর্কে ভালো ধারণা পাওয়া যায়। ইউএসটিসির সাম্প্রতিক ঘটনায় যে ব্যাপারটা আমার প্রথম মনে আসে সেটা হলো, ও রকম একটা জায়গায় আসলে মাসুদ স্যার বড়ই বেমানান।

মাসুদ স্যারের ঘটনা তদন্ত করার জন্য একজন পুলিশের কাছে উপমন্ত্রী মহোদয়ের দায়িত্ব দেওয়াটা কতটুকু যুক্তিযুক্ত তাও ভেবে দেখার বিষয়। ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশের অন্যতম একটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সুনামের সঙ্গে শিক্ষকতা করা একজন প্রবীণ প্রফেসরের বিরুদ্ধে এ রকম অভিযোগ আনা ছাত্রছাত্রীদের খারাপ উদ্দেশ্য তিনি হয়তো তখন বুঝতে পারেননি। আমার যেটা মনে হয়, একটা টেক্সট কিংবা একটা ক্লাস obscene কিনা তা একজন পুলিশ তদন্ত করে নিরপেক্ষভাবে সিদ্ধান্তে আসতে পারার কথা নয়। লরেন্সের Lady Chatterley’s Lover এর বিরুদ্ধে মামলার শুনানির এক পর্যায়ে ব্রিটিশ কোর্ট কিন্তু প্রখ্যাত লেখক E M Foster কে ডেকে তার মতামত চেয়েছিল বইটা সম্পর্কে, বইটা obscen কিনা তা সম্পর্কে। ব্যাপারটা সম্পর্কে উপমন্ত্রী মহোদয়কে যে ভুল বোঝানো হয়েছিল সেটা অবশ্য তিনি পরে বুঝতে পেরেছিলেন এবং কোন পরিস্থিতিতে তিনি এটা করেছিলেন তা সাংবাদিকদের কাছে ব্যাখ্যা করেছেন। কেরোসিনের ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে তিনি পুলিশকে নির্দেশও দেন তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।

তিন.
বাংলাদেশে আমার দশ বছর ইংরেজি সাহিত্য পড়ানোর অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি বেশির ভাগ ছাত্র আসলে না জেনে না বুঝেই ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হয়। তারা মনে করে ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হলে ইংরেজি ভাষা একটু ভালো বলতে পারবে। আর ইংরেজি ভালো পারলে ভালো চাকরি পাওয়া যাবে। আর ছাত্রীদের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা আরো বড় সমস্যা। ভর্তির সময় কিংবা প্রথম বর্ষের ক্লাসে কোনো ছাত্রীকে ইংরেজি কেন পড়তে আসছে জিজ্ঞেস করলেই বলত, ‘স্যার, আব্বু বলছে তাই’, ‘স্যার, আম্মু বলছে তাই’। নিজের ইচ্ছায় ভর্তি হয়েছে এ রকম ছাত্রী খুব একটা পাওয়া যেত না। বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালনকালীন একবার দেখি এক ছাত্রী ভর্তি হতে এসেছে তার বাবাকে নিয়ে। অফিসে চা খাওয়ার ফাঁকে উনার কাছে জানতে চাইলাম মেয়েকে ইংরেজিতে পড়াচ্ছেন কেন। উনার সহজ উত্তর ছিল, ‘ইংরেজিতে পড়লে ভালো জায়গায় বিয়ে দেওয়া যাবে’!

কিন্তু সাহিত্য ব্যাপারটা এমন যে, এটা পড়তে গেলে একটা পূর্বপ্রস্তুতি থাকা দরকার। এটা পড়তে গেলে বা পড়াতে গেলে আমাদের মানুষজাতির এমন অনেক ব্যাপার চলে আসে যা নেওয়ার মতো মানসিকতা ছাত্রদের থাকতে হবে। অনেকে ব্যাপারগুলো মেনে নিতে পারে না। অথবা অনেকে পরীক্ষা পাসের জন্য কোনোভাবে পড়ে, তারপর ভুলে যায়। এগুলো অবশ্য বড় কোনো সমস্যা নয়। সমস্যা তখনই হয় যখন কেউ এটা নিতে না পেরে নেগেটিভ প্রতিক্রিয়া দেখায়।

এসব ব্যাপার এভাবে ব্যক্তিগতভাবে নিলে সমাজ কিংবা ব্যক্তির অনেক বড় ক্ষতি হয় যা ইউএসটিসিতে ঘটেছে। আমি আমার অনেক বন্ধু, সিনিয়র কিংবা জুনিয়রকে দেখেছি, এমনকি অনেক ছাত্রকেও দেখেছি, যারা সাহিত্যপাঠে অনেক বেশি মজা নিয়েছে, নিজের মনের সংকীর্ণতাকে দূর করে পড়াশোনা করে বিভাগে ভালো ফলাফল করেছে এবং একই সময়ে নিজের ব্যক্তিগত বিশ্বাসও ধরে রেখেছে।

আমি এখানে গত সেমিস্টারে Obscene Modernism নামে একটা কোর্স নিয়েছিলাম যেখানে Lady Chatterley’s Lover, Ulysses, Tropic of Cancer, Naked Lunch এর মতো টেক্সটগুলো পড়েছি। ক্লাসে যে আলোচনাগুলো আমরা করেছি তা আমাদের দেশে হলে মনে হয় প্রফেসরকে ক্লাসেই কেটে ফেলত! ভেবে দেখুন আজ থেকে ২৫০০ বছর আগে গ্রিসে Oedipus Rex নামক নাটক লিখেছিল সফোক্লিস, আধুনিক যুগে এসে ডি এইচ লরেন্স Lady Chatterley’s Lover কিংবা জেমস জয়েস Ulysses লিখেছেন যেগুলো ইংরেজি সাহিত্যের অবশ্যপাঠ্য এবং যাদের বিষয়বস্তু কালজয়ী! আধুনিক কিংবা উত্তর আধুনিক সময়ে এমন অনেক সাহিত্য আসছে যা ক্লাসে পড়ালে বাংলাদেশে কেউ সেটাকে Obscene বলতে পারে এবং সেটা পড়ানোর দায়ে প্রফেসরের শরীরে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে মারতে পারে! আমার খুব আশ্চর্য লেগেছে দেখে যে, ইউরোপ আমেরিকায় যেখানে গে/লেসবিয়ান স্টাডিজ কিংবা নর-নারীর সম্পর্ক নিয়ে ক্লাসে খোলামেলা আলাপ হচ্ছে এবং গবেষণা হচ্ছে সেখানে আমরা রয়ে গেছি একজন প্রফেসর ক্লাসে যৌন উত্তেজক কথা কেন বলে এসবের বিরোধিতা নিয়ে। হ্যাঁ, অনেকেই বলবে এটা আমাদের সংস্কৃতি না।

কিন্তু সংস্কৃতি সব সময় পরিবর্তনশীল। আজ থেকে ১০০ বছর আগে যে জিনিস আমাদের সংস্কৃতির অংশ ছিল না তাও কিন্তু এখন আমাদের জীবনের অংশ হয়ে গেছে। সংস্কৃতি ব্যাপারটাই এ রকম। এটা মৌলিক কোনো ব্যাপার নয়। এটা সময়, স্থান, কাল ও পাত্রভেদে নির্মিত হয়। বিধর্মী বেনিয়াদের ভাষা বলে যে ইংরেজি ভাষা অনেকে শিখতে চাইত না সে ইংরেজি ভাষা না বলতে পারলে এখন অনেকের ঘুম হারাম হয়ে যায়।

আমি কুমিল্লা বিশ^বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করার পর History of Western Ideas কোর্সটা আমার কাছে এসে পড়ত বেশির ভাগ সময়। সরাসরি সাহিত্যের না হলেও আমি কোর্সটা পড়ানো উপভোগ করতাম। আমি ঈশ্বরের অস্তিত্ব, মানবজাতি সৃষ্টি, সত্য/মিথ্যার ধারণা, জ্ঞানের ধারণাগুলো পড়ানোর সময় প্রায়ই দেখতাম ছাত্ররা আমার কথাগুলো নিতে পারছে না। মাঝে মাঝে কিছু কিছু ছাত্র আমাকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে ফেলত, ‘স্যার আপনি কি নাস্তিক?’ শেক্সপিয়ারের নাটক/কবিতায় নর-নারীর সম্পর্ক কিংবা রোম্যান্টিক/আধুনিক কবিতা পড়ানোর সময় প্রায়ই দেখতাম কিছু ছেলে মুখ টিপে লজ্জার হাসি হাসছে, বাকিরা চুপ হয়ে আছে। আর মেয়েরা মাথা নিচু করে আছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ছাত্রছাত্রীরা এসব আলাপ আলোচনা এড়িয়ে চলত। কোনো কিছু জিজ্ঞেস করলে কেউ জবাব দিত না।

একবার আমি বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বে থাকাকালীন চতুর্থ বর্ষের এক ব্যাচ থেকে কিছু ছাত্র/ছাত্রী এসে একদিন দাবি করল কমলা দাসের কবিতা সিলেবাসে রাখা যাবে না। কারণ, উনার কবিতায় সেক্স নিয়ে খোলামেলা আলাপ আছে! অনেক কষ্টে কোনোভাবে তাদের বুঝিয়ে ছিলাম সেদিন! আরেকবার বিভাগের কোনো এক অনুষ্ঠানে ফ্যাশন শো চলাকালীন আমাদের কোনো এক ছাত্রী হঠাৎ করে মঞ্চে জুতা ছুড়ে মারে। শো-এর খোলামেলা আবহ ওই ছাত্রী নিতে পারেনি।

এসব বিচ্ছিন্ন ব্যাপারগুলো আসলে আমাদের দেশের সাহিত্য পাঠের কিংবা পড়ানোর একটা নেতিবাচক ধারণা দেয়। আমাদের সংস্কৃতির দুর্বলতার কারণে ইংরেজি, বাংলা কিংবা বিশ্বসাহিত্য পড়াতে গিয়ে আমাদের প্রফেসররা পূর্বপ্রস্তুত একটা ক্লাসরুম পাচ্ছেন না। ফলে অনেকে সাহিত্য পড়াতে গিয়ে অনেকগুলো ব্যাপার হয়তো আলোচনাই করছেন না যাতে প্রকারান্তরে শিক্ষার্থীদেরই ক্ষতি হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড থামানোর জন্য খুব দ্রুত জড়িতদের শাস্তি দেওয়ার পাশাপাশি আমাদের সামষ্টিক সংস্কৃতিগত দুর্বলতাগুলো নিয়ে ভেবে দেখা উচিত। ‘লোক দেখানো’ ইংরেজি বলতে শেখার জন্য কিংবা ভালো বিয়ের জন্য ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হওয়া উচিত নয়।

ইংরেজি ভাষা শেখানোর জন্য দেশে অনেক কোচিং সেন্টার আছে যারা ভালো ইংরেজি শেখায়। ভাষা শিখতে হলে সেখানে যাওয়া উচিত, ইংরেজি বিভাগে নয়। নিজের জীবন বিপন্ন করে কেউ সাহিত্য পড়াতে যাবে না। সাহিত্য পড়ার জন্য মানসিকতা সৃষ্টি করে তারপর পড়তে যাওয়া উচিত।

জাহিদুল আলম : সহকারী অধ্যাপক (শিক্ষা ছুটিতে) ইংরেজি বিভাগ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
(বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের University of Louisiana at Lafayette তে ইংরেজি
সাহিত্যে পিএইচ.ডি অধ্যয়নরত)