মুঘল সম্রাটের বংশধর সুলতানা

ডেস্ক রিপোর্ট / ৩:৫৬ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ০৩,২০২২

নিজেকে মুঘল রাজবংশের উত্তরাধিকারী দাবি করে সম্রাটদের এক সময়ের মনোরম প্রাসাদ হিসেবে ব্যবহৃত লাল কেল্লার মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভারতের কলকাতায় বসবাসরত এক নিঃস্ব বয়োজ্যেষ্ঠ নারী।

 

সুলতানা বেগম নামের ওই নারী কলকাতার শহরতলীর একটি বস্তিতে দুই কক্ষের ঝুপড়িতে বসবাস করেন। নামমাত্র পেনশনে তিনি চালিয়ে যাচ্ছেন বেঁচে থাকার লড়াই।

ভারতের শেষ মুঘল শাসক সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরের প্রপৌত্র মির্জা মোহাম্মদ বেদার বখতের সাথে বিয়ের নথিপত্র আছে সুলতানা বেগমের কাছে। ১৯৮০ সালে বেদার বখতের মৃত্যু তাকে কঠিন সংগ্রামের মধ্যে ফেলে দেয়। তিনি রাজকীয় মর্যাদার স্বীকৃতি এবং সেই অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছেন প্রায় ১০ বছর হয়ে গেছে। এখনো এর কোনো সুরাহা হয়নি।

৬৮ বছর বয়সী এই নারী বলেন, ‘আপনি কি ভাবতে পারেন তাজমহল তৈরি করা সম্রাটদের বংশধর এখন চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করছেন?’

নিজের স্বীকৃতির দাবিতে ভারতের একটি আদালতে মামলা দায়ের করেছেন সুলতানা বেগম। সপ্তদশ শতকে নির্মিত লাল কেল্লার বৈধ মালিক তিনিই বলে দাবি করেছেন বেগম। নয়াদিল্লিতে অবস্থিত ঐতিহাসিক এই দুর্গ একসময় মুঘল সাম্রাজ্যের ক্ষমতার কেন্দ্র ছিল।

সুলতানা বেগম বলেন, ‘আমি আশা করছি, সরকার অবশ্যই আমাকে ন্যায়বিচার দেবে। ’
রাজকীয় মর্যাদার স্বীকৃতি এবং সেই অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য আদালতে মামলা করেছেন সুলতানা বেগম।

এই নারীর মামলায় দেশটির সমাজকর্মীদের সমর্থন রয়েছে। সুলতানা বেগমের দাবি অনুযায়ী ভারতের শেষ সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরের বংশধরদের সঙ্গে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা যেতে পারে বলে সমাজকর্মীরা জানিয়েছেন।

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১, সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা
ফোন : বার্তা-৯৮২২০৩২, ৯৮২২০৩৭, মফস্বল-৯৮২২০৩৬
বিজ্ঞাপন-৯৮২২০২১, ০১৭৮৭ ৬৯৭ ৮২৩,
সার্কুলেশন-৯৮২২০২৯, ০১৮৫৩ ৩২৮ ৫১০
Email: kholakagojnews7@gmail.com
            kholakagojadvt@gmail.com