তাড়াশে পলো বাওয়া উৎসব

আশরাফুল ইসলাম রনি, তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) / ৪:১০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৫,২০২১

চলনবিল অধ্যাসিতু সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বিলপাড়ের মানুষের আদি উৎসব পলো বাওয়া। পরিচিত এই পলো বাওয়া উৎসব এ মৌসুমে উজ্জীবিত করে মাছ ধরতে। দল বেঁধে লোকজন বিলের মধ্যে পলো হাতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। শুরু হয় মাছ ধরার প্রতিযোগিতা।

বুধবার (২৪ নভেম্বর) সকালে দেখা যায়, এ উৎসবে যোগ দিতে তাড়াশ উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের কুন্দইল, কাটাবাড়, ধামাইচ বাজার, হেমননগর, মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের শ্যামপুর, হামকুড়িয়াসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের ছেলে-বুড়োসহ ২ শতাধিক মানুষ কারোও হাতে পলো, ছিটকি জাল, উড়াল জাল, লাঠি জাল, হাত জাল (ঠেলা জাল) নিয়ে ছুটে আসছেন নদীর পাড়ে।


উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের নওখাদা গ্রামের লিয়াকত আলী পলো হাতে বিলের পাড়ে মাছ ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। গ্রামীণ সংস্কৃতি বা পুরোনো ঐতিহ্য কিছুটা হলেও ধরে রাখার চেষ্টা করছেন তারা। মনের আনন্দে পলো বাওয়া উৎসবে যোগ দেন উপজেলার কয়েকটি গ্রামের শত শত মানুষ। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চলবে পলো বাওয়া উৎসব।

ধামাইচ গ্রামের কলেজ শিক্ষক প্রভাষক আবু হাসিম খোকন জানান, পলো বাওয়ায় ধরা পড়া মাছের মধ্যে শোল ও বোয়ালই বেশি। আর পলো বাওয়া উৎসবের আনন্দ যুবক-বৃদ্ধের চেয়ে ছোট ছোট শিশুদের মধ্যে একটু বেশি। তারা তাদের বাবা-চাচা-দাদা-মামা-ভাইয়ের হাত ধরেই উৎসবে শরিক হয়।

মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক এম আতিকুল ইসলাম বুলবুল জানান, এ অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরেই বিলে ‘পলো বাওয়া উৎসব’ পালন হয়ে আসছে। প্রতি বছর শীত মৌসুমে এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে বিলে মাছ শিকার করেন।

 

 

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১, সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা
ফোন : বার্তা-৯৮২২০৩২, ৯৮২২০৩৭, মফস্বল-৯৮২২০৩৬
বিজ্ঞাপন-৯৮২২০২১, ০১৭৮৭ ৬৯৭ ৮২৩,
সার্কুলেশন-৯৮২২০২৯, ০১৮৫৩ ৩২৮ ৫১০
Email: kholakagojnews7@gmail.com
            kholakagojadvt@gmail.com