যমুনা বামতীরে বাঁধ নির্মাণের দাবি

ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি / ৮:২৮ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৬,২০২১

জামালপুরের ইসলামপুরে চিনাডুলী হতে উলিয়া পর্যন্ত যমুনা বামতীরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ না থাকায় প্রতিবছর যমুনার পানি স্রোতে সাড়ে চারশ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পাইলিং ধসসহ বিস্তীর্ণ এলাকার ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। যমুনার বামতীরে বাঁধটি নির্মাণ হলে হাজার হাজার একর ফসলি জমি ঘরবাড়িসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বন্যার কবল থেকে রক্ষা পাবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় চিনাডুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ. ছালামসহ এলাকাবাসী।

জানা গেছে, জামালপুর জেলার সবচেয়ে বেশি বন্যাকবলিত এলাকা ইসলামপুর উপজেলা। জেলার ইসলামপুরে নদীভাঙন হতে রক্ষাকবজ যমুনা বামতীর সংরক্ষণ প্রকল্পের ওপর স্থায়ী বাঁধ না থাকায় যমুনার ফুঁসে ওঠা পানি প্রতিবছর পাইলিং এর ওপর দিয়ে প্রবল বেগে প্রবাহিত হয়। পানির স্রোতের চাপে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাড়ে চারশত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত যমুনা বামতীর সংরক্ষণ প্রকল্পের বিভিন্ন স্পটে পাইলিং এর ব্লক ধসে পড়ছে।

এ ছাড়াও যমুনা বামতীর সংরক্ষণ পাইলিং উপচে পানি প্রবল স্রোত ও বালুতে জেলার ইসলামপুরের চিনাডুলী, নোয়ারপাড়া, ইসলামপুর সদর ইউনিয়ন হয়ে মেলান্দহ ও জামালপুর জেলার পশ্চিমাঞ্চলের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ফসলি জমি, রাস্তা-ঘাট-ব্রিজ কালভার্ট ও ঘরবাড়ি-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত করে। ফলে যমুনা বামতীরবর্তী বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষ বন্যা চলে গেলেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে সারা বছর মানবেতর জীবনযাপন করে।

এলাকাবাসীর দাবি, যমুনার বামতীরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ কাম রাস্তাটি নির্মাণ হলে এলাকার প্রায় ২০ হাজার একর জমির ফসলসহ বাড়িঘর রাস্তা, ব্রিজ, কালভার্ট বন্যা থেকে রক্ষা পাবে। তাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে এলাকাবাসীর স্পেশাল কাবিখা প্রকল্পের মাধ্যমে ২৪ ফুট চান্দি দিয়ে ১৫ ফুট উঁচু করে যমুনার বামতীরে জরুরি ভিত্তিতে ইসলামপুর উপজেলার চিনাডুলী ইউনিয়নের মামুন ডাক্তারের বাড়ি হতে উলিয়া পর্যন্ত যমুনার বামতীরে ৮কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় চিনাডুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ. ছালাম জানান, শেখ হাসিনা যমুনা ভাঙন থেকে আমাদের বাঁচাতে যমুনার বামতীরে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে পাইলিং নির্মাণ করেছেন কিন্তু বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ না থাকায় প্রতিবছরই যমুনা পানির চাপে পাইলিংসহ রাস্তাঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ফসলি জমিসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বাঁধটি নির্মাণ হলে হাজার হাজার একর ফসলি জমি ঘরবাড়িসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বন্যার কবল থেকে রক্ষা পাবে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ এলাকাবাসীর প্রত্যাশা জামালপুরের পশ্চিমাঞ্চলের বহু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে অকাল বন্যার কবল থেকে রক্ষা করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চিনাডুলী হতে উলিয়া পর্যন্ত যমুনার বামতীরে বাঁধটি নির্মাণের দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

 

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
উপদেষ্টা সম্পাদক : মোশতাক আহমেদ রুহী

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১, সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা
ফোন : বার্তা-৯৮২২০৩২, ৯৮২২০৩৭, মফস্বল-৯৮২২০৩৬
বিজ্ঞাপন-৯৮২২০২১, ০১৭৮৭ ৬৯৭ ৮২৩,
সার্কুলেশন-৯৮২২০২৯, ০১৮৫৩ ৩২৮ ৫১০
Email: kholakagojnews7@gmail.com
            kholakagojadvt@gmail.com