কাকের মাংস কাক খায়!

ইমরুল কায়েস / ৭:৩৯ অপরাহ্ণ, মে ২২,২০২০

নিজেদের দুর্দিনে মোটর শ্রমিকের পাশে নেই তাদের সংগঠন ও নেতৃত্ব। মহামারি করোনা বাংলাদেশে দুই মাস চলছে; সামনে আরো কত দূর গিয়ে থামবে তার কোনো সবুজ বার্তা নেই। দুই শ্রেণির শ্রমিক খুব নাজুক পরিস্থিতিতেÑগার্মেন্টস শ্রমিক ও পরিবহন শ্রমিক। দিনদিন করোনা পজিটিভ সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে; এর ফল কী হবে? অতদূর তালাশ করার তহবিল এই নতুন কলাম কুশীলবের নেই!

যূথবদ্ধ আন্দোলনে পরিবহন শ্রমিকের জুড়ি বাংলাদেশে আর দ্বিতীয়টি নেই। যখন ‘কমন ইন্টারেস্ট’-এ কোনো ব্যাঘাত ঘটে তখন এই মোটর শ্রমিক ভাইয়েরা তাদের নেতৃত্বের আহবানে এক ঘণ্টার নোটিসে সারা বাংলাদেশের পরিবহন সেবা লকডাউন করে দেয়। তাদের যৌক্তিক বা অযৌক্তিক দাবি সে বিষয় এই আলাপের অবতারণা নয়। বরং প্রশ্নটা একটু গভীরেÑ২৬ মার্চ ২০২০ থেকে দূরপাল্লার, আন্তঃজেলা, শহরের ভেতরের এবং রাজধানী ঢাকার সব রুটের বাস বন্ধ। এই যে প্রায় দুই মাস থেকে পরিবহন খাতের এতগুলো শ্রমিকের দুর্বিষহ অবস্থা। তাদের সাহায্যের জন্য কোনো মোটর শ্রমিক সংগঠনের কার্যকরী জোরালো পদক্ষেপ চোখে পড়েনি।

সব শ্রমিকের ঘরে ভাত নেইÑ সম্প্রতি গাবতলীতে সড়ক অবরোধ করল শ্রমিকরা। সরকারি ত্রাণের জন্য। ইতোমধ্যে অনেক শ্রমিক নিজ চেষ্টায় বিভিন্ন মাধ্যমে কিছু ত্রাণ সংগ্রহ করেছে। সরকার সব নাগরিকের। এখানে কোনো বৈষম্যের প্রশ্ন নেই। কারণ তা সংবিধানের ১১ নং অনুচ্ছেদে পরিষ্কার বলা আছে। কিন্তু মোটর গাড়ি ঘুরলে যে চেইন বাবদ টাকা, চাঁদা নেওয়া হয় এই বিশাল ফান্ডের টাকার হদিস কোথায়? সব শ্রমিকের দুর্দিন; বেঁচে থাকাই এখন তাদের ‘সবার স্বার্থ’। এটি দেখভালের জন্য শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উধাও। শ্রমিকদের তেল-মবিলে পুড়ে আয় করা টাকা থেকে যে চাঁদা; তা দিয়ে এই মহামারির দিনে শ্রমিকদের ১ মাস না হোক অন্তত ১০ দিনের খাবার খোরাক তো বরাদ্দ করা যেত। এগুলোর একটি সৎগতি হত।

বাংলাদেশে সংঘবদ্ধ আন্দোলনে মোটর শ্রমিক তাদের দাবিদাওয়া নিয়ে এগিয়ে। বিভিন্ন সময় আমরা তা দেখে আসছি। পরিবহন আইন নিয়ে তুমুল আন্দোলন করে সংশোধনী আদায় করে নিতে নেতাদের ভূমিকা জোরালো ছিল। বিআরটিএ আইনে সংযুক্ত করতে চাইলÑ অন্তত এসএসসি পাস চালক হউক। না সেটা হল না। নেতারা আন্দোলনে সফল হল। কারণ সারা দেশে চাকা ঘুরবে না। এখন প্রত্যেক মোটর শ্রমিকের জীবনের রসদের প্রয়োজন; তাহলে সেখানে কেন নেতাদের এগিয়ে আসার দৃশ্য নেই? একটি এমপেরিক্যাল উদাহরণ দিলে ভালো হয় ‘নিজের একটি অপেশাদার হালকা ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য খিলক্ষেত বিআরটিএ অফিসে যাই বছর দুয়েক আগে।

২০ মার্কসের লিখিত পরীক্ষা দিই। পরীক্ষার আগে অনেক মোটর শ্রমিকের আড্ডায় বসে গল্প শুনি। গোটা দশেক গল্প করছিলেন তার মধ্যে ৭ জনেই নাম লিখতে পারে কোনো রকম এটুকুই। এই অর্ধ পঞ্চম শ্রেণি পাস, নাম লিখতে না জানা শ্রমিকরা তাদের অন্যান্য অধিকার নিয়ে কীভাবে শ্রেণিসচেতন হবে? কার্ল মাক্স বলেছেন, ‘শ্রমিকদের শোষণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার প্রথম ধাপ হলো শ্রেণি সচেতনতা’।              

শ্রমিক সংগঠনের ইউনিয়ন ও সমিতির শাখা সারা দেশে বিভাগ; জেলা; উপজেলা এমনকি এখন ইউনিয়ন পর্যায়ে আছে। কার্যত ভালোভাবেই আছে। প্রত্যেক জেলার অভ্যন্তরে বাস, ট্রাক, হিউম্যান হলার, সিএনজি চলাচলের রুট পারমিটের জন্য শ্রমিক সংগঠনের ফান্ডে চাঁদা ও নেতাদের সন্তুষ্ট করতে হয়। রাস্তার জন্য প্রত্যেক রুটের চেইন আছে। চেইন মাস্টার আছে। ঘোষিত অঘোষিত চাঁদা আছে। বাসস্ট্যান্ড থেকে বাস ছাড়লে চেইন মাস্টার টুলে বসে টাকা নিচ্ছে। রাস্তায় উঠলে প্রতি স্টপেজে জেলা, উপজেলা সংগঠন ও ইউনিয়ন রশিদ দিয়ে চাঁদা নিচ্ছে।

টাকাগুলোর সঠিক ব্যবহার শ্রমিকদের কল্যাণে কতটুকু লাগছে তার দৃশ্যত উদাহরণ নেই। পরিবহন শ্রমিকদের এতদিনে তাহলে পুনর্বাসনের বিশাল একটি হাসপাতাল হওয়ার কথা। নাকি তেলের টাকা জলে যায়! এই দশা। অথচ পরিবহন খাতের এই ভাইটাল ফোর্সদের এখন শনির দশা। এমন তো হওয়ার কথা নয়? অন্যান্য কমন ফিলিংসে দেখা যায়, মোটর শ্রমিকরা একাট্টা কিন্তু এখন নিজেদের আপদকালীন বেঁচে থাকার প্রশ্নে নেতাদের কোনো চাপ সৃষ্টি করতে পারছে না। সংবিধানের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদে পরিষ্কার বলা আছে ‘রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হবে মেহনতি মানুষকে কৃষক ও শ্রমিকের এবং জনগণের অনগ্রসর অংশসমূহকে সকল প্রকার শোষণ হইতে মুক্তি দান করা’।

সংবিধানে শ্রমিকদের শোষণের বিরুদ্ধে ও নিজেদের যথাযথ অধিকার আদায়ে সুরক্ষা দেওয়া আছে। মোটর শ্রমিকদের নিজেদের ভালোর জন্যে যৌক্তিক অধিকারে শ্রেণিসচেতনতা নেই। নেতাদের অদৃশ্য লাভের কৌশলে এই পরিবহন শ্রমিক ভাইয়েরা আবার রাষ্ট্রের, যাত্রীর ভালোমন্দ না বুঝে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকনেতাদের ডাকে বিভিন্ন সময় ধর্মঘটে শামিল হয়। রাত জেগে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালানোর টাকায় চাঁদা (অদৃশ্য সব ফান্ডের নামে) নিয়ে পুঁজি করে একশ্রেণি রাজনীতি করে। উজির-নাজির অমর্ত্য বনে ল্যান্ডক্রুজার চেপে ঘোরে। শত শত শ্রমিক করোনা দুর্দিনে গাবতলী এসে দুই কেজি চাল আর এক কেজি আটার জন্যে সড়ক অবরোধ করে; পুলিশের দৌড়ানি খায়।

তাদের নিজেদেরই এতদিন বৃহৎ একটি ফান্ড গড়ে ওঠার কথা। এমন হয়েছে নিজেদের তেল-মবিলে, ঘামে পোড়া অর্জিত টাকায় দেওয়া চাঁদায় নিজেদের কোনো অধিকার নেই। শ্রমিক ভাইদের জানা উচিত ‘পরের আশা করে যে, নিত্যি উপোস পারে সে’। করোনা সংকটে নিজেদের চোখ খুলুন। রাস্তা অবরোধ না করে; অবরোধ করুন নেতাদের বাড়ি, মালিকদের বাড়ি। শান্তিপূর্ণভাবে জবাবদিহি নেন। জানতে চান, সারা দেশের মোটর শ্রমিকের পেটে অন্তত ১০-১৫ দিনের ভাতের জোগান দিতে পারে না তাহলে কীসের ইউনিয়ন আর বলেন, আমার চাঁদা গেল কই?

আমাদের প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত দূরদৃষ্টি সম্পন্ন প্রাজ্ঞ মানুষ। তিনি মোটর শ্রমিকদের জন্যে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রত্যেকটি জাতীয় সড়ক-মহাসড়কে চালকদের বিশ্রামাগার করতে হবে এবং প্রত্যেকটি যাত্রীবাহী বাসে দুজন করে চালক রাখার কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়ন হলে চালক ও অন্যান্য মোটর শ্রমিকরা কম দুর্ঘটনার শিকার হবে। নিজের পরিবার ও যাত্রী নিরাপদ থাকবে। অধিকাংশ নাম লিখতে পারা, স্বাক্ষরজ্ঞান মোটর শ্রমিকদের দিয়ে এত বড় একটি জীবন মরনের যাত্রীসেবায় ঝুঁকি বহুগুণ থাকে। নতুন সড়ক পরিবহন আইনে চালকদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি রাখা সরকারের পক্ষে একটি প্রায়োগিক সিদ্ধান্ত ছিল কিন্তু পরিবহন শ্রমিকদের আন্দোলনে বিষয়টি বাস্তবায়ন হয়নি। নাম লিখতে না জানা শ্রমিকরা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আর কতটুকু ওয়াকিবহাল হবে? তাদের সহজেই উসকে দিয়ে আখেরে লাভের অংশ ও সুবিধা ভোগ করে নেতারা।

চালক, শ্রমিক শিক্ষিত হলে তাদের শ্রেণিসচেতনতা বাড়বে। নিজেদের প্রাপ্য অধিকার আদায়ে সচেষ্ট হবে। যার ফলে ক্ষতি হবে মালিক শ্রেণি ও নেতাদের। এজন্য এই আন্দোলনগুলো সফল হয়। নেতারা হই দিলে লেখাপড়া না জানা শ্রমিকদের মধ্যে সহজেই রই উঠে। দেখা যায় কোনটা ভালো এবং যাত্রীর জন্য ভালো, দেশের ভবিষ্যতের জন্যে ভালো এসব বিষয়ে না ভেবে আন্দোলনে নামে। অশিক্ষিত শ্রমিক আন্দোলনের বিকল্প প্লাটফর্মে আসতে পারে না। ফলে অবরোধ করে সড়ক। তখন সাধারণ মানুষ রোগী নিয়ে যাওয়ার জন্যে এ্যাম্বুলেন্স পায় না। পেলে শ্রমিকরা যেতে দেয় না। পেটের দায়ে কোনো মোটর শ্রমিক বের হলে এই 

স্বগোত্রীয় ভাইকে এরা ছাড়ে না। তেল, পোড়ামবিল গায়ে মাখিয়ে দেয়। গাড়ির গ্লাস ভাঙচুর করে। এক তুঘলকি কা- বাধিয়ে ফেলে সড়ক মহাসড়কে। একবার ভাবে না, তার মতোই একজন সে শ্রমিক। কেন না সেই ভাববার চোখ তার হয়নি। মালিক ও নেতাদের দেখানো ভুল পথের কমন অধিকারে সে আন্দোলন করছে এটা বুঝতে পারে না। এজন্য মোটর শ্রমিক ও চালকের এইচএসসি ও চালকের সহকারীর মাধ্যমিক পাস থাকা জরুরি।

শুধু স্বাক্ষরজ্ঞান একজন মোটর শ্রমিকের কাছে যাত্রী শোভন আচরণ আশা করতে পারে না। মমতাজের গানে যেমনÑ‘বন্ধু তুই লোকাল বাস, আদর কইরা ঘরে তুলোস; ঘার ধইরা নামাস’। বাস্তবতা এর চেয়ে বেশি কিছু আছে। যাত্রীকে মেঘনা ব্রিজ থেকে ফেলে দেওয়া; এরকম কত ঘটনা। রুটে শত রকমের চাঁদা পরিশোধ করার জন্য বাড়তি আয়ের দরকার। যাত্রীকে মানুষ না মনে করে বস্তা মনে করে তোলে। ৩৫-৪০ সিটের বাসে তিনগুণের বেশি যাত্রী নেয়। একই রুটের অন্য বাসের সঙ্গে করে অসম-অস্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা। তাতে পথচারীর হাত ছিঁড়ল না পা থেতলে গেল সে দিকে হুঁশ থাকে না। বাদ যায় না ছোট বড় স্কুল শিক্ষার্থীর প্রাণ।

এ ধরনের অমানবিক ও জীবনহরণকারী কাজের একটি অন্যতম কারণ ট্রিপ ট্রিপ প্রতিযোগিতা; রাস্তার বিভিন্ন শ্রমিক নেতা, সংগঠন ও ইউনিয়নের চাঁদা এবং চালক ও সহকারীদের অল্প শিক্ষা। যাত্রীদের সীমাহীন কষ্ট; রাস্তায় দুর্ঘটনা; নিজের জীবনের ক্ষতি করে যে টাকা চাঁদা দেওয়া হলো তার সংগতি তো করোনা দুর্দিনে নেই। কোনো জবাবদিহি নেই, টাকার হদিস নেই। মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের গুটিকতক মানুষ নিশ্চয়ই লাভবান হচ্ছে। যাত্রীর ভোগান্তি; রাস্তায় পোক মারা; অতিরিক্তি যাত্রী তোলা; ছাদে যাত্রী নিয়ে মফিজ বানানো সব করে তেল-মবিলে নিজের শরীর পুড়ে যে টাকার কিছু অংশ নামে-বেনামে ফান্ডে গেল তার ব্যবস্থাপনার বিষয়ে মোটর শ্রমিকদের এই সময়ে জানতে চাওয়া উচিত। এ যেন, ‘কাকের মাংস কাক খায়’ অবস্থা!

মোটর শ্রমিক ন্যূনতম শিক্ষায় শিক্ষিত হলে এমন অরাজকতা হবে না। দুর্দিনে সবাই সবার পাশে থাকবে। ভবিষ্যতের আপদকালীন সময়ের জন্য সঞ্চয়ের চিন্তা আসবে। শিক্ষিত হলে নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয় এবং অন্যান্য ফোরামে কথা বলা যায়। সবচেয়ে বড় কথা নিরাপদ গাড়ি চালনা, যাত্রীর ভ্রমণ নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর হয়। পরিবহন শ্রমিকদের পরিবারও সুখী হয়। হাঁসের ডিম মুরগি দিয়ে বাচ্চা ফোটালে যেমন হয় ঠিক শ্রমিকদের নিজের মধ্য থেকে নেতৃত্ব নির্বাচন না হলে স্বজাতির প্রতি মায়া থাকে না এমন করোনার দিনে পাশে পাওয়া যায় না। বর্তমান মোটর শ্রমিক ভাইয়েরা নাম লিখতে জানলেও মানবতার কবি নজরুলের ‘সকাল বেলার পাখি’কবিতাটা সবাই জানেন‘আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে’? নিজেরা জেগে উঠুন। নিজেরদের গচ্ছিত চাঁদার টাকার খোঁজ করুন। ত্রাণের জন্য সড়কে সড়কে না ঘুরে যথাস্থানে কথা বলুন। নেতা ও মালিকদের কাছে নিজেদের আমানতের হিস্যা থেকে আপদকালীন কিছু আবেদন করুন। সরকারি সাহায্য যতটুকু তা পাবেন কিন্তু যেটা নিজের জমানো টাকা তা বুঝে নিন।

বিপদে পাশে না থাকলে আত্মসমালোচনা করে নিজেদের সংগঠন ও জেলা উপজেলার মোটর শ্রমিক সংগঠনগুলোকে করোনা পরবর্তীকালে ঢেলে সাজিয়ে তুলুন। ভবিষ্যতের জন্যে নিজেরাই নিজেদের জন্য গঠনতান্ত্রিক ও নিয়মমাফিকভাবে সংগঠনের নামে সংগৃহিত চাঁদা দিয়ে একটি সমগ্র বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করুন। ট্রাস্ট ব্যবস্থাপনা হতে পারে ত্রিপক্ষীয়ভাবেÑশ্রমিক প্রতিনিধি; মালিক সমিতির প্রতিনিধি ও সরকার কর্তৃক মনোনীত প্রতিনিধি। ট্রাস্টের একাউন্টে চাঁদা জমা হবে। ট্রাস্ট থেকে মোটর শ্রমিকদের জন্যে বিশেষায়িত হাসপাতাল, দুর্ঘটনা কবলিত শ্রমিকদের জন্যে পুনর্বাসন কেন্দ্র হবে। দুর্যোগ, মহামারি ও অন্যান্য বিপদে এই ট্রাস্ট থেকে শ্রমিকদের সাহায্য হবে। সংঘবদ্ধ আন্দোলনের শক্তিটাকে সুশৃঙ্খল করা ও চাঁদার অর্থের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনায় নিয়ে আসতে হবে। মনে রাখবেন, চাকা সভ্যতার প্রথম অগ্রগতি আর আপনারা তার নির্দেশক।

 

ইমরুল কায়েস : গল্পকার ও সরকারি কর্মকর্তা

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
উপদেষ্টা সম্পাদক : মোশতাক আহমেদ রুহী

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১, সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা
ফোন : বার্তা-৯৮২২০৩২, ৯৮২২০৩৭, মফস্বল-৯৮২২০৩৬
বিজ্ঞাপন-৯৮২২০২১, ০১৭৮৭ ৬৯৭ ৮২৩,
সার্কুলেশন-৯৮২২০২৯, ০১৮৫৩ ৩২৮ ৫১০
Email: kholakagojnews7@gmail.com
            kholakagojadvt@gmail.com