আলুর সঙ্গে মালটার চাষ

রেজাউল করিম রাজ্জাক, আদিতমারী (লালমনিরহাট) / ৫:০৭ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৩,২০২০

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার কমলাবাড়ী ইউনিয়নের ছাইদুল হক নামের এক কৃষক নিজের ভাগ্যের চাকা ঘুরাতে সাথী ফসল হিসেবে আলুর সঙ্গে মালটা চাষ করেছেন। সে ২০১৪ সালে কারমাইকেল কলেজ হতে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে অনার্স-মাস্টার্স (সম্মান) পাস করেন। চাকরি না করে স্বাবলম্বী হতে অন্যর জমি লিজ নিয়ে থাই পেয়ারা চাষ করে ৫ লক্ষ টাকার মতো উপার্জন করেন।

পেয়ারা বিক্রির লাভের অংশ দিয়ে ৫৬ শতক জমির পুকুরে মাছ চাষ এবং পেয়ারা বাগানে মালটা চাষ করে বেশ সাড়া জাগিয়েছন। এদিকে থাই পেয়ারার গাছ কেটে জমি চাষ করে ৩ মাস মেয়াদি আলুর সঙ্গে সাথী ফসল হিসেবে মালটা চাষ করেন।

সাইদুল জানান, যেহেতু এই এলাকায় দীর্ঘদিন থেকে ধান, আলু, বেগুন, মুলা ও শাক-সবজিসহ অন্য ফসলের চাষাবাদ করে কৃষক তেমন একটা লাভবান হয় না। তাই ঝুঁকি নিয়ে ৪৫ হাজার টাকা খরচ করে যশোহর থেকে বারী-১ জাতের ১৫০টি মালটা চারা রোপণ করেন।

তিনি আরও জানান, মালটা গাছের বয়স বর্তমান দেড় বছর গাছে ফুল আসছে এ অস্থায় ফুল রাখা যাবে না। ফল ধরলে গাছ মাটিতে লুটে পড়বে। তবে একটি গাছ পরিপূর্ণ হতে আড়াই বছর সময় লাগবে তখন গাছ থেকে মালটা সংগ্রহ করা যাবে। এক একর জমির আলু চাষ করতে খরচ হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার টাকা। এখন জমি থেকে পরিপূর্ণভাবে আলু সংগ্রহ করতে এক সপ্তাহর মতো সময় লাগবে এবং যদি দাম থাকে তাহলে লক্ষাধিক টাকার মতো আয় হবে বলে তিনি জানান।

এদিকে আলুর পর মালটার বাগানের মাঝখানে ফাঁকা জায়গায় আবার ছয়মাস মেয়াদী পাপড়ি জাতের মরিচ চাষ করা হবে। সেখান থেকে একটা পুঁজি আসবে। মালটা গাছে ফল আসার আগ মুহুর্ত পর্যন্ত সাথী ফসল হিসেবে একই খরচে আগামী ৫ বছর যে কোন ফসল চাষ করা যাবে।

উপজেলা কৃষি অফিসার আলিনুর রহমান জানান, মালটা চাষ একটি লাভজনক ফসল এবং একটি লাভজনক ফসল।

 

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
উপদেষ্টা সম্পাদক : মোশতাক আহমেদ রুহী

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১, সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা
ফোন : বার্তা-৯৮২২০৩২, ৯৮২২০৩৭, মফস্বল-৯৮২২০৩৬
বিজ্ঞাপন-৯৮২২০২১, ০১৭৮৭ ৬৯৭ ৮২৩,
সার্কুলেশন-৯৮২২০২৯, ০১৮৫৩ ৩২৮ ৫১০
Email: kholakagojnews7@gmail.com
            kholakagojadvt@gmail.com