হাবিপ্রবির জনসংযোগ ও প্রকাশনা শাখার পরিচালককে লাঞ্ছিত করার অপচেষ্টা

সুলতান মাহমুদ / ৯:৩৭ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ২৮,২০২০

ভুল তথ্যে হাবিপ্রবি উত্তপ্তের পাঁয়তারা শিরোনামে গত ২৪ জানুয়ারী দৈনিক খোলা কাগজ পত্রিকায় ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এবং বর্তমানে জনসংযোগ ও প্রকাশনা শাখার পরিচালক প্রফেসর ড. শ্রীপতি সিকদার কে লাঞ্ছিত করার অপচেষ্টা করেছেন প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরাম নামে একটি সংগঠনের কয়েকজন শিক্ষক।

আজ সোমবার বিকাল ৩ টার দিকে জনসংযোগ ও প্রকাশনা শাখার পরিচালক প্রফেসর ড. শ্রীপতি সিকদারের অফিসে গিয়ে প্রকাশিত দৈনিক খোলা কাগজ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিক্রিয়ায় লাঞ্চিত করার অপচেষ্টা করে ।

প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরামে শিক্ষক নেতা হলেন গণিত বিভাগের মামুনুর রশীদ, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ড. মোমিনুল ইসলাম, সোশিওলোজি বিভাগের হাসান জামিল জেনিথ, মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের কৃষ্ণ চন্দ্র রায।

প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরামের নেতাদের ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখে গেছে বিএনপি আমলের কিছু কাগজ ঘেঁটে দেখা যায় গণিত বিভাগের মামুনুর রশীদ, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ড. মোমিনুল ইসলাম বিএনপি জামাত পন্থী সাদা দলের সদস্য ছিলেন এবং সাদা দলের দুটি সভায় তাদের স্বাক্ষর ও রয়েছে।

চিৎকার চেচামেচির শব্দ শুনে পার্শ্বের ণ্যাব থেকে, সামাদ , রাশেল কামাল কেয়েজন ছাত্র এগিয়ে এসে প্রফেসার ড. শ্রপিতি শিকদারকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায় ।

এ দিকে এ ব্যাপারে ড. শ্রীপতি সিকদার বলেন, আমি শুধুমাত্র প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডকুমেন্ট সহ সঠিক তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করেছি। কিন্তু এটি নিয়ে আজ তারা শিক্ষক হয়ে একজন শিক্ষকের সাথে যে আচরণ করলো তা আমি কল্পনাও করতে পারিনা, আমি লজ্জিত। সত্য কথা বলতে যেয়ে এরকম পরিস্থিতি সম্মুখিন হতে হবে এমন ভাবিনি ।

এ ব্যাপারে কৃষ্ণ চন্দ্র রায় বলেন , শ্রীপতি শিকদারের স্যারের সাথে স্বাভাবিক কথা হয়েছে । আমাদের প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরামে ১২/১৪ জন শিক্ষক দেখা করতে গিয়েছিলাম । খোলা কাগজে নিউজ প্রকাশের বিষয়ে কোন কথা হয়নি । তবে শ্রীপতি শিকদার স্যার আগামী কাল (২৮ই জানুয়ারী) কথা বলার জন্য সময় দিয়েছেন । আমরা তার সাথে তার সময় দেওয়া তারিখে কথা বলার জন্য যাব ।

গত ২৩ই জানুয়ারী সেই সময়ে ভারপ্রাপ্ত রেজিষ্ট্রার শ্রীপতি শিকদার আরোও বলেছিলেন রিজেন্ট বোর্ডের সিন্তান্ত অনুযায়ী শিক্ষক মোহাম্মদ ফেরদৌস মেহবুব পিএইসডি ডিগ্রী অর্জনের পুর্বেই মিথ্যাচার করে নিয়ম বহির্ভূতভাবে ২ টি অতিরিক্ত ইনক্রিমেন্ট গ্রহণ করে অবৈধভাবে টাকা নিয়েছেন । ৪৩ তম রিজেন্ট বোর্ডের সদস্যগন একজন শিক্ষকের এ ধরণের নৈতিক স্খলনের জন্য বিস্ময় প্রকাশ করেন । পরবর্তিতে রিজেন্ট বোর্ডেই তার বেতন থেকে অবৈধভাবে গ্রহণ করা অতিরিক্ত দুটি ইনক্রিমেন্টের টাকা কর্তনের সিদ্ধান্ত হয়।

প্রশাসন শুধুমাত্র রিজেন্ট বোর্ডের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে চেয়েছে , এবং তার সুবিধার জন্য কিস্তিতে এই টাকা কেটে নেয়ার সিদ্ধান্ত হয় কিন্তু তিনি হিসাব শাখা থেকে প্রেরিত বেতন শিটে সাইন না করে নিজে বেতন শিট তৈরি করে জমা দিয়েছেন। তার মন করা বেতন শিট তৈরী করে হিসাব শাখায় জমা দেওয়ায় তা প্রত্যাখান করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ।

 

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
উপদেষ্টা সম্পাদক : মোশতাক আহমেদ রুহী

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১, সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা
ফোন : বার্তা-৯৮২২০৩২, ৯৮২২০৩৭, মফস্বল-৯৮২২০৩৬
বিজ্ঞাপন-৯৮২২০২১, ০১৭৮৭ ৬৯৭ ৮২৩,
সার্কুলেশন-৯৮২২০২৯, ০১৮৫৩ ৩২৮ ৫১০
Email: kholakagojnews7@gmail.com
            kholakagojadvt@gmail.com