নাব্য সংকটে যমুনায় আটকা ২০ জাহাজ

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি / ১০:০৪ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ০৪,২০১৯

নাব্যতা সংটের কারনে যমুনা নদীতে আটকে পড়েছে ২০টি পণ্যবাহী জাহাজ। মালামাল নিয়ে সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ি ঘাটে ভিড়তে পারছে না জাহাজগুলো। মাঝনদীতে আটকে পড়া জাহাজ থেকে লাইটারেজ করে রাসায়নিক সারসহ বিভিন্ন পণ্য বন্দরে আনা হচ্ছে। তবে বাঘাবাড়ি নৌবন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি, জাহাজে অতিরিক্ত মালামাল নিয়ে আসার কারণে মাঝ নদীতে আটকে পড়েছে।

যমুনা নদীর নাকালিয়া, ঢালারচর ও লতিফপুর পয়েন্টে আটকা পড়েছে জ্বালানী তেল, রাসায়নিক সার, কয়লা, গম ও চাল নিয়ে চট্রগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ ও মংলা বন্দর থেকে বাঘাবাড়ী নৌ-বন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে আসা এমভি আফিফা, এমভি জুয়েল, ওটি আছিয়া বেগম, এমভি সুমাইয়া হোসেন, এমভি ফয়সাল, এমভি ফয়সাল, এমভি ফয়সাল-৮, আছিয়া পরিবহন, ভাই ভাই, এমভি ফেয়ারি, এমভি ইব্রাহীম খলিল, জুয়েল, আল তায়েফ, এমভি ওয়ারিশ আহনাফ, সততা পরিবহন, মাজননী, বিসমিল্লাহসহ ২০টি ছোট-বড় জাহাজ। কার্গো জাহাজগুলো রাসায়নিক সার, কয়লা, গম ও চাল নিয়ে বাঘাবাড়ী নৌবন্দরে যাচ্ছিল।

নৌযান লেবার এসোসিয়েশন বাঘাবাড়ী ঘাট শাখার যুগ্ম-সম্পাদক আব্দুল ওয়াহাব মাস্টার জানান, বাঘাবাড়ী নৌবন্দর থেকে উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় জ্বালানি তেল, রাসায়নিক সারসহ অন্যান্য মালামাল সরবরাহ করা হয়। এ নৌপথে জ্বালানি তেলবাহী ট্যাংকার, রাসায়নিক সার ও বিভিন্ন পণ্যবাহী কার্গো জাহাজ চলাচল করে। বাঘাবাড়ী বন্দর থেকে উত্তরাঞ্চলে চাহিদার ৯০ ভাগ জ্বালানি তেল ও রাসায়নিক সার সরবরাহ করা হয়। আবার উত্তরাঞ্চল থেকে বাঘাবাড়ী বন্দরের মাধ্যমে চাল ও গমসহ অন্যান্য পণ্যসামগ্রী রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়। এ নৌপথের ছয়টি পয়েন্টে নাব্যতা সংট মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। এ কারণে জাহাজগুলো সরাসরি বাঘাবাড়ী বন্দরে ভিরতে পারছে না।

বাঘাবাড়ী নৌবন্দরের সহকারী পরিচালক এস. এম সাজ্জাদুর রহমান জানান, বাঘাবাড়ী নদী বন্দর দ্বিতীয় শ্রেণীর। বর্তমানে এ নৌরুটে নাব্য নেই। চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ ও মোংলা বন্দর থেকে জাহাজগুলো বাঘাবাড়ী নৌ-বন্দরে পৌঁছাতে সাত ফুট পানির গভীরতার প্রয়োজন হয়। বর্তমানে এ চ্যানেলে পানির গভীরতা রয়েছে আট ফুট। জাহাজগুলোতে অতিরিক্ত (ওভার লোডিং) মালামাল নিয়ে আসার কারণে সরাসরি বাঘাবাড়ী ঘাটে পৌঁছাতে পারছে না।

যমুনার মাঝ নদীতে আটকা পড়ে থাকছে। আটকে পড়া জাহাজ থেকে লাইটারেজ করে রাসায়নিক সারসহ বিভিন্ন পণ্য বন্দরে আনা হচ্ছে। এজন্য দায়ী জাহাজের চালকরা। বাঘাবাড়ী বন্দরে জাহাজগুলো যেন ভিড়তে পারে এজন্য সব ধরনের প্রস্তুতি আছে আমাদের।

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১, সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা
ফোন : বার্তা-৯৮২২০৩২, ৯৮২২০৩৭, মফস্বল-৯৮২২০৩৬
বিজ্ঞাপন-৯৮২২০২১, ০১৭৮৭ ৬৯৭ ৮২৩,
সার্কুলেশন-৯৮২২০২৯, ০১৮৫৩ ৩২৮ ৫১০
Email: kholakagojnews7@gmail.com
            kholakagojadvt@gmail.com