দুর্যোগে বুক পেতে দেয় সুন্দরবন

আনু মুহাম্মদ / ১০:০১ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১১,২০১৯

গতকাল বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল আবারও প্রত্যক্ষ করল সুন্দরবনের শক্তি। যারা দেখেও দেখে না, বুঝেও বুঝতে চায় না, তাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখাতে চায় ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-সুন্দরবন কী, কেন তার কোনো বিকল্প নেই!

 

ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশ উপকূল পার হয়ে যাওয়ার পর আবহাওয়া অধিদফতর সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে, ‘ঘূর্ণিঝড়ের তিন দিক জুড়েই ছিল সুন্দরবন। সুন্দরবনের কারণে ঘূর্ণিঝড়ের নিজস্ব শক্তিও কমে আসে। এ কারণে উপকূল অতিক্রম করতে গিয়ে ঘূর্ণিঝড়ের দীর্ঘক্ষণ সময় লেগেছে। ফলে পূর্ণ শক্তি নিয়ে বুলবুল বাংলাদেশের স্থলভাগে আঘাত করতে পারেনি।’

এরকম বুক পেতে দেওয়া সুন্দরবনকে আমরা বহুবার দেখেছি। সর্বশেষ এর আগে ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর ঘূর্ণিঝড় সিডর এবং ২০০৯ সালের ২৫ মে ঘূর্ণিঝড় আইলা একইভাবে সুন্দরবনে বাধা পেয়ে দুর্বল হয়ে পড়েছিল। কিন্তু সবাই বুঝলেও একমাত্র সরকার এই প্রবল সত্য বুঝতে অনিচ্ছুক।

সরকারের কাছে ধরিত্রীর এক অসাধারণ শক্তি, বিশ্ব ঐতিহ্য, আমাদের রক্ষক সুন্দরবন রক্ষার চাইতে ভারত ও বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসা দেওয়া, ভারত সরকারের কথা শোনা বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়। তাই গত ১০ বছরে বহুরকম তথ্যপ্রমাণ হাজির করা সত্ত্বেও সরকার বুঝতে অরাজি যে, সুন্দরবন বিনাশ মানে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকির মুখে বাংলাদেশ অরক্ষিত হয়ে যাওয়া।

আনু মুহাম্মদ
অধ্যাপক

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
উপদেষ্টা সম্পাদক : মোশতাক আহমেদ রুহী

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১, সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা
ফোন : বার্তা-৯৮২২০৩২, ৯৮২২০৩৭, মফস্বল-৯৮২২০৩৬
বিজ্ঞাপন-৯৮২২০২১, ০১৭৮৭ ৬৯৭ ৮২৩,
সার্কুলেশন-৯৮২২০২৯, ০১৮৫৩ ৩২৮ ৫১০
Email: kholakagojnews7@gmail.com
            kholakagojadvt@gmail.com