পানির নিচে আগুন!

সানজিদা আক্তার / ১২:৪০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৯,২০১৯

আগুন আর পানি। ঘোর শত্রুর মতো। যেখানে পানি সেখানে আগুন নেই আবার আগুনের আঁচে পানি শুকিয়ে শেষ! কিন্তু পানির নিচেও যে আগুন জ্বালিয়ে রাখা যায় সে কথা কি তোমরা জান?

এই দুই শত্রুকে বন্ধু করতে তোমার যা যা লাগবে-মোমবাতি, কাঁচের বাটি, পানি, আগুন।

প্রক্রিয়াটা তাহলে শোনো-কাচের বাটির গভীরতার সমান করে মোমবাতিটিকে কেটে নিতে হবে। মোমবাতিতে আগুন জ্বালিয়ে, সেটাকে বাটির ভিতরে গলিত মোম দিয়ে আঁটকে দিতে হবে। এবার মোমবাতিটি নিভিয়ে দাও এবং বাটিটিকে পানি দিয়ে ভরে দাও।

একদম মোমবাতির মুখের প্রান্ত পর্যন্ত পানি থাকবে। মোমবাতিটি এখন জ্বালিয়ে দেওয়া যায়। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর দেখা যাবে, মোমবাতির শিখা পানির বেশ ভেতরে চলে গেছে কিন্তু তাও দিব্যি জ্বলছে। কাচের বাটির মধ্য দিয়ে এটা খুব ভালো করে বোঝা যাবে। পানির ভিতরে অনেক দূর পর্যন্ত জ্বলার পরে মোমটি নিভে যাবে। তখন পানিতে আঙ্গুল ডুবিয়ে দেখে নেওয়া যাবে পানির নিচেও কতদূর মোমটি জ্বলেছে।

কেন এমন হয় জানত? কারণ পরীক্ষার সময়ই দেখা যাবে যে মোমবাতির শিখা যখন নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে তখনো শিখাকে ঘিরে মোমের একটা দেয়াল রয়েছে। গরম গলিত মোম যখন পানির স্পর্শে আসে তখন সেটা আবার জমে যায় এবং একটা সুরক্ষিত দেয়ালের মধ্য দিয়ে ভিতরের শিখাটি জ্বলে।

পানি ওই শিখার ধারেও আসতে পারে না। তবে পানি মোমকে ঠাণ্ডা করতে করতে এক সময় মোমের সমানই গরম হয়ে যায় তখন গলিত মোমকে আর ঠাণ্ডা করে কঠিন বানাতে পারে না। সেই পর্যায়ে এসে মোমের দেয়ালটি ভেঙে যায় আর পানি ঢুকে শিখা নিভে যায়।

সম্পাদক : ড. কাজল রশীদ শাহীন
প্রকাশক : মো. আহসান হাবীব

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-১৮-বি, বাড়ি-২১, সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা
ফোন : বার্তা-৯৮২২০৩২, ৯৮২২০৩৭, মফস্বল-৯৮২২০৩৬
বিজ্ঞাপন-৯৮২২০২১, ০১৭৮৭ ৬৯৭ ৮২৩,
সার্কুলেশন-৯৮২২০২৯, ০১৮৫৩ ৩২৮ ৫১০
Email: editorkholakagoj@gmail.com
            kholakagojnews7@gmail.com