মাহারাম নদী এখন শুধুই বালুচর

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি / ৭:২২ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ১৬,২০১৯

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত মাহারাম নদীতে বালু পড়ে সম্পূর্ণরূপে ভরাট হয়ে গেছে। এক সময়ের স্রোতস্বিনী এই নদীর বুকে এখন ধুধু বালুচর। বর্ষা মৌসুমেও থাকে না এতোটুকু পানি। পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢলের সাথে বালু এসে ক্রমেই ভরাট হয়ে গেছে নদীটি। খননের কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় বালু পড়তে-পড়তে এক পর্যায়ে এসে নদীটির অস্তিত্ব রূপান্তরিত হয়েছে মরুভূমিতে। মাহারাম নদী ভরাট হওয়ার কারণে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে স্থানীয় কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনসহ হাওরে পরিবেশ-প্রতিবেশের ওপর।

নদীতে পানি না থাকায় বোরো আবাদের জন্য পর্যাপ্ত পানি পাচ্ছে না কৃষকরা। হেমন্তে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় ভূগর্ভস্থ পানিতে বাড়ছে আর্সেনিকের মাত্রা। ব্যাহত হচ্ছে সবুজায়ন। অপরদিকে এই নদীকে কেন্দ্র করে আবহমান কাল থেকে গড়ে ওঠা নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে। এতে মানুষের ভোগান্তির পাশাপাশি বিকল্প হিসেবে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়তে গিয়ে অপরিকল্পিত রাস্তাঘাট নির্মাণ হচ্ছে।

ফলে হাওরের প্রতিবেশ-প্রতিবেশের ওপর দীর্ঘ মেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ধ্বংস হচ্ছে মাছের উৎপাদন ও বংশ বিস্তার। জানা যায়, মাহারাম নদীটি তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীর একটি শাখা নদী। পর্যটন স্পট শিমুল বাগান এলাকার দক্ষিণ থেকে এর উৎপত্তি। প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ নদীটি উৎপত্তিস্থল থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে পড়েছে তাহিরপুর উপজেলার সমসার হাওরে।

স্থানীয়রা জানান, ৩০ বছর আগেও মাহারাম নদীর সীমান্ত এলাকার অন্যতম স্রোতেস্বিনী নদী হিসেবে পরিচিত ছিল। সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পওর-১) এর নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিকের দাবি, মাহারাম নদী খনন করলে এর ক্ষতিকর প্রভাব স্থানীয় পরিবেশের ওপর গিয়ে পড়বে। আমরা দক্ষিণ দিকের নদীগুলো খননের উদ্যোগ নিয়েছি।

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
উপদেষ্টা সম্পাদক : মোশতাক আহমেদ রুহী

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১, সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা
ফোন : বার্তা-৯৮২২০৩২, ৯৮২২০৩৭, মফস্বল-৯৮২২০৩৬
বিজ্ঞাপন-৯৮২২০২১, ০১৭৮৭ ৬৯৭ ৮২৩,
সার্কুলেশন-৯৮২২০২৯, ০১৮৫৩ ৩২৮ ৫১০
Email: kholakagojnews7@gmail.com
            kholakagojadvt@gmail.com