ছয় বিভাগে সমাবেশ করবে ওয়ার্কার্স পার্টি

ঢাকা, শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

ছয় বিভাগে সমাবেশ করবে ওয়ার্কার্স পার্টি

নিজস্ব প্রতিবেদক ৯:৩৭ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ০২, ২০১৯

print
ছয় বিভাগে সমাবেশ করবে ওয়ার্কার্স পার্টি

২১ দফা কর্মসূচি নিয়ে সারা দেশের ছয়টি বিভাগে সমাবেশ করবে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি। এ সমাবেশ সামনে নিয়ে পার্টির পলিটব্যুরোর সভা সম্পন্ন হয়েছে। পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বিদ্যুতের মূল্য আরও বৃদ্ধির প্রস্তাবে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

সভার প্রস্তাবে বলা হয়, বাজার ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ এখন অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের হাতে। তারা ইচ্ছেমাফিক পণ্যের দাম বাড়িয়ে সাধারণ ভোক্তাদের পয়সা কেড়ে মুনাফার পাহাড় গড়ছে।

বাজারে সরকারের নিবিড় মনিটরিং না থাকলে এবং এ সব অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে জনজীবনে সংকট বাড়বে।
সভায় পার্টি উদ্যোগে জেলায় জেলায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে আন্দোলন অব্যাহত রাখা এবং জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদানের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

কৃষক-খেতমজুরদের উদ্যোগে খোদ কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব নিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে ডেপুটেশন (ধরণা) দেওয়া হবে। পার্টির পলিটব্যুরো নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বগতি রোধ, দেশে ক্রমবর্ধমান বৈষম্য ও অর্থনৈতিক লুটপাট বন্ধ করা, নারী ও শিশু ধর্ষণ ও সহিংসতা প্রতিরোধ, মাদকাশক্তি নিরোধ এবং সন্ত্রাস, সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গি প্রতিরোধসহ ওয়ার্কার্স পার্টির ২১ দফা কর্মসূচি নিয়ে ছয়টি বিভাগীয় শহরে সমাবেশের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

কর্মসূচি অনুযায়ী আগামী ২৮ ডিসেম্বর খুলনা বিভাগের যশোর সদরে সমাবেশ, ১৩ জানুয়ারি বরিশালে, ৩১ জানুয়ারি চট্টগ্রামে, ২৫ জানুয়ারি রংপুরে, ৭ ফেব্রুয়ারি সিলেটে এবং ৮ ফেব্রুয়ারি রাজবাড়ী জেলায় ঢাকা বিভাগের একাংশের জনসভা হবে।

এছাড়া ১৭ জানুয়ারি অমল সেনের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে যশোরের বাকড়ীতে দুদিনব্যাপী স্মরণমেলা ও আলোচনা সভা এবং কমরেড ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস-এর ২০০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিভিন্ন স্থানে সিপিবির পদযাত্রা কর্মসূচিতে হামলার ঘটনায় সভায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়ে বলা হয়, এ ধরনের হামলার ঘটনা গণতন্ত্রের জন্য নেতিবাচক এবং বাকস্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার পরিপন্থী।

সভায় দশম কংগ্রেস বর্জনকারী যেসব সদস্যের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছিল, পার্টি শৃঙ্খলাবিরোধী তৎপরতায় জড়িত হওয়ায় তাদের সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে। পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা সভায় সাংগঠনিক প্রস্তাব তুলে ধরেন।