ঐক্যফ্রন্টের বহর বাড়ছে

ঢাকা, শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০১৯ | ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

ঐক্যফ্রন্টের বহর বাড়ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক ১:৪০ অপরাহ্ণ, জুন ০৮, ২০১৯

print
ঐক্যফ্রন্টের বহর বাড়ছে

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে কলেবর আরও বাড়িয়ে এ বছরই সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন জোরদারের কথা বলেছেন সংগঠনটির শীর্ষনেতা ড. কামাল হোসেন। এ ছাড়া ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার’ আন্দোলনে আরও দলকে জোটে ভেড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি। গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল দাবি করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট অটুট আছে। এখানে কোনো বিভক্তি নেই।

গত বৃহস্পতিবার সকালে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ড. কামাল হোসেন। ড. কামাল হোসেন বলেন, দেশে বর্তমানে গণতন্ত্র নেই। তাই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে আরও দলকে জোটে ভেড়ানোর পরিকল্পনা চলছে। আমাদের লক্ষ্য জনগণের ঐক্য গড়ে তোলা, আর সব দল যারা সমমনা, তাদের সঙ্গে নেওয়া। সেই কাজটা আমাদের অব্যাহত আছে এবং আরও জোরদার করা হবে।

তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, এ ধরনের একটা স্বৈরতান্ত্রিক অবস্থা থেকে মুক্ত হতে হলে জনগণের ঐক্য প্রয়োজন এবং সচেতন রাজনৈতিক দলগুলো যারা আছে, তাদের ঐক্য অপরিহার্য। ঐক্যফ্রন্ট ভাঙছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে গণফোরাম সভাপতি বলেন, ‘মোটেই না। বরং এটা আরও শক্তিশালী হবে। আমরা আগামী ১২ তারিখে বসছি। আমরা বসে পুরো কৌশলটা ঠিক করে মাঠে নেমে যাই, ঐক্য আরও সুসংহত করি। কাদের সিদ্দিকী আমাদের ঐক্যের অন্যতম সাথী। তিনি প্রশ্নগুলো করতে পারেন। আমরা খোলামন নিয়ে ঘণ্টা-দুয়েক তার সঙ্গে আলাপ করেছি। আমরা ১২ তারিখ বসে ইতিবাচক সিদ্ধান্তে আসতে পারব।’

গণফোরাম সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর তিনিও অসন্তুষ্ট বলে খবর বেরিয়েছে। তিনিও সংসদে যোগ দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। এ সময় দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু উপস্থিত হলে ড. কামাল তাকে স্বাগত জানান। গণফোরামের সঙ্গে মন্টুর দূরত্ব নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে ড. কামাল বলেন, ‘আপনারা তৈরি করেন, এবার এটা থেকে আপনারা মুক্ত করতে পারেন।’

অপর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কর্মকৌশল তৈরির কাজ চলছে। ঐক্য সুসংহত করে এ বছরেই আন্দোলন শুরু করা হবে। গণতান্ত্রিক যে ব্যবস্থা হওয়ার কথা, তা থেকে দেশের আজ মানুষ বঞ্চিত। সে জিনিসটাকে যত দ্রুত ফিরিয়ে আনা যায়, দেশের নিয়ন্ত্রণ জনগণের হাতে নিয়ে আসা যায়, এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমি মনে করি, এ বছরের মধ্যে জনগণের মধ্যে ঐক্যকে আরও সুসংহত করে দেশে আরও প্রকৃত অর্থে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার কাজে আমাদের সবাইকে কাজে নেমে আদায় করতে হবে।