শুভ জন্মদিন রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা, বুধবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৮ | ৯ কার্তিক ১৪২৫

শুভ জন্মদিন রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়

উমর ফারুক ৫:৩৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১২, ২০১৮

print
শুভ জন্মদিন রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়

চলতে চলতে অনেকটা পথ পাড়ি দিয়েছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়। আজ পূর্ণ হচ্ছে ১০ বছর। ইতোমধ্যে এ বিশ্ববিদ্যালয় আলো ছড়াতে শুরু করেছে দেশ-বিদেশে। সমসাময়িক যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে এ প্রতিষ্ঠান খানিকটা পথ বেশি পাড়ি দিয়েছে। জন্মদিনে নিরন্তর শুভকামনা বেরোবির জন্য। এর জন্মকথা, পথচলা, সংকট ও সম্ভাবনা নিয়ে লিখেছেন বেরোবির শিক্ষক উমর ফারুক

জন্মকথা
ভারতের একজন নায়িকা, যার নিজের গর্ভের কোনো সন্তান নেই। তবে তিনি একজন জননী। একটি কন্যা সন্তানের জননী। পালক সন্তান। মেয়েটি স্কুলে পড়ে। স্কুলের সবাই তাকে ক্ষ্যাপায়। বলে, তুই তো তোর মায়ের গর্ভের সন্তান না, পালক সন্তান। এ কথায় মেয়েটা একদম লজ্জা পায় না। গর্ব পায়। বলে, তোমাদের জন্ম তোমাদের মায়ের গর্ভে, আর আমার জন্ম আমার মায়ের হৃদয়ে। ওই ছোট্ট শিশুটির অসাধারণ বহিঃপ্রকাশ আমাকেও মাঝে মাঝে প্রেরণা দেয়। আমাকেও গর্বিত করে তোলে। আমিও বলি, আমার সন্তার আমার হৃদগর্ভে জন্ম। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যও গল্পটা সেরকম। রংপুরের মানুষের হৃদয়ের খুব গভীরে জন্ম হয়েছে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের। এ অঞ্চলের মানুষ বহুদিন ধরে তাদের স্বপ্নে একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে লালন করেছে। তার জন্য আন্দোলন করেছে। সফলও হয়েছে।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় তারই বাস্তবরূপ।

অতীত বর্তমান ভবিষ্যৎ
এক সময় রংপুরবাসীকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল কারমাইকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় বানানো হবে। আবার কখনো ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করা হয়েছিল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের। কিন্তু তার কোনো বাস্তবায়ন হয়নি। ২০০৮ সালে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এক ব্যতিক্রমী আঞ্চলিক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হবে রংপুরে। নাম রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়। সংসদের অবর্তমানে পাস হলো অর্ডিন্যান্স। তৎকালীন শিক্ষা উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালরের শিক্ষা কার্যক্রম। পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস। আসে বরাদ্দ, মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে থাকে ভবনগুলো। শুরু হয় একটি নবজাতক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কাজ। বিশ্ববিদ্যালয়টিকে হামাগুড়ি দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয় উপাচার্য ড. এম লুৎফর রহমানের ওপর। সেই তো পথচলা। আর থামতে হয়নি। আজ তার বয়স ১০ বছর।
এক অনন্য সম্ভাবনার পথে এগিয়ে চলতে পারত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়। হয়তো ভবিষ্যতে চলবে। হয়তো অসুন্দরের কাছে পরাজিত হবে না কখনো। যদিও বর্তমানে এর পথচলা অতটা আনন্দময় নয়, তবুও স্বপ্ন দেখি এর ভবিষ্যৎ নিঃসন্দেহে অত্যন্ত আনন্দময় হয়ে উঠবে। রংপুরের শিক্ষক প্রশিক্ষণ মহাবিদ্যালয় থেকে যাত্রা শুরু করে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়। রংপুর বিশ্ববিদ্যালয় অডিন্যান্সটি সংসদে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর ২০০৯ আইন নামে পাস হয়। কার্যকর হয় ১২ অক্টোবর ২০০৮ থেকে।
রংপুর শিক্ষা প্রশিক্ষণ মহাবিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত দুটি ভবনের ময়লার স্তূপ সরিয়ে শুরু হয় এর একাডেমিক কার্যক্রম। ০৫ এপ্রিল ২০০৯ স্বর্ণ অধ্যায় শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়টি। শুরু হয় ক্লাস। ১২ জন শিক্ষক ও ৩০০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে শুরু হয় এক স্বপ্নযাত্রা। জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য দুটো ছোট্ট কাঠের টেবিল জোড়া দিয়ে অফিস করেছিলেন। অতীতের সেই জীর্ণতা নিয়ে ভাবলে আজকের প্রাপ্তির খাতা একেবারে শূন্য নয়। যদিও নানা কারণে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের চলার পথ অধিকাংশ সময়ই বড় অমসৃণ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, প্রতিদিন নতুন নতুন শঙ্কা ভর করছে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়টির অগ্রযাত্রায়। হয়তো এটাই নিয়ম!

শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক
পঁচাত্তর একর ভূ-খণ্ড, বেশ কয়েকটি বহুতল ভবন, ১০ বছর বয়স, শিক্ষার আংশিক সুষ্ঠু পরিবেশ সবকিছুকে ছাড়িয়ে, এ বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল সম্পদ হলো শিক্ষক-শিক্ষার্থী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। নবজাতক এ প্রতিষ্ঠানে, কাজের প্রচণ্ড চাপের মধ্যেও এখানকার শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের যথেষ্ট সময় দেন। এবং এভাবেই শ্রেণিকক্ষ ও শ্রেণিকক্ষের বাইরে প্রতিদিন শিক্ষক-শিক্ষার্থীর এক অনন্য সম্পর্কের মধ্যে দিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে চলেছে ঈর্ষণীয় এক উচ্চতার পথে।

অর্জন
১০ বছর পথ চলাটাই একটি বড় অর্জন। টিকে থাকাটাই এখানকার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। কোনো কোনো বিভাগ থেকে ইতোমধ্যে প্রায় ৫টি ব্যাচ বেরিয়ে গেছে। তারা নিজেদের জ্ঞানের আলোয় প্রদীপ্ত করেছে। এখন আলো ছড়াচ্ছে দেশে, আবার কেউবা বিদেশে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের যা কিছু সংকট তা এক দিন কাটবে। অন্ধকার এক দিন ঘুচবে। এ স্বপ্ন দেখার সাহসই বোরোবির সবচেয়ে বড় সম্পদ। দুর্নীতির বিরুদ্ধে দুর্বার ছাত্র-শিক্ষক আন্দোলন এখানকার সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল জলিল মিয়াকে কারাগারে পাঠিয়েছিল, এটাই বেরোবির এখনো পর্যন্ত বড় অর্জন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখাই এখানকার শিক্ষার্থীদের প্রকৃত শিক্ষা। এ শিক্ষাই এক দিন তাদের সত্যিকারের মানুষ করে তুলবে।

সংগঠন সহশিক্ষা ও সাংস্কৃতিক চর্চা
সাংস্কৃতিক চর্চায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যে অনেক দূর এগিয়েছে। গড়ে উঠেছে বেশকিছু সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। সহশিক্ষা কার্যক্রমও এগিয়েছে বেশ অনেকটা পথ। সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে গুনগুন ও রণনের নাম এখানে বেশি পরিচিত। সারা বছর এ সংগঠন দুটো বেশকিছু কাজ করে থাকে। গেল দুই বছর ধরে এই দুটো সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয়ে বইমেলার আয়োজন করছে। নিয়মিত অথবা অনিয়মিত বিরতিতে হলেও গুনগুন চালিয়ে যাচ্ছে তাদের প্রকাশনাও। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য সংগঠনগুলোর মধ্যে ক্রিয়েটিভ সোসাইটির কার্যক্রম বেশ নজর কাড়ে। তবে দুঃখের বিষয় হলো, এখানকার সংগঠনগুলো অধিকাংশই শিক্ষকনির্ভর। বর্তমানে বিতর্ক চর্চায় বেরোবির অগ্রগতি খুব একটা নজরে না পড়লেও সাংগঠনিকভাবে বিতর্ক চর্চায় অগ্রগতি বেশি আশা জাগানিয়া। ‘বিতর্ক পরিষদ’ নামে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পরিচালিত একটি নিজস্ব সংগঠন আছে। পাশাপাশি কাজ করছে ব্রুডা ও বিতর্ক চর্চা কেন্দ্র। শাখা সংগঠন হিসেবে স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন বাঁধনের কার্যক্রম সবচেয়ে পরিপাটি ও সাংগঠনিক দক্ষতাপূর্ণ। উদীচী, বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কর্মকাণ্ডও বেশ প্রসারিত। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও কিছু সংগঠন আছে যারা সারা বছর তাদের নানা কার্যক্রমের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে এক অনন্য সাংস্কৃতিক ভূ-খণ্ডে পরিণত করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সূচনালগ্নে বেশকিছু সংগঠন তাদের কার্যক্রম শুরু করেছিল, যদিও পরবর্তী সময়ে তাদের আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। আনন্দের বিষয় হলো, প্রায় অধিকাংশ বিভাগে একটি করে সহশিক্ষা কাব আছে, যার মাধ্যমে তারা সহশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে।

সবুজ ক্যাম্পাস
এখানে একসময় আলু চাষ হতো। মুলা চাষ হতো। ছেলেরা বিকালে খেলতো। বিশ্ববিদ্যালয় বিনির্মাণের শুরুতে এটি হয়ে পড়লো একরকম মরুভূমি। কোনো গাছ নেই। ছায়া ছিল না। চারিদিক কেমন যেন খা খা করত। আজ সে অবস্থা বদলে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ড. তুহিন ওয়াদুদ অনেকের সহযোগিতায় এ প্রাঙ্গণে বপন করেছেন প্রায় ৩৩০০০ চারা। সেসব চারা এখন বড় হয়েছে। ছায়া দিচ্ছে। এখন পুরো ক্যাম্পাস সবুজ। বেরোবি আজ অসংখ্য মানুষের মুক্ত নিঃশ্বাস ও বিনোদন ভূ-খণ্ডে পরিণত হয়েছে।


শ্রেণিকক্ষ
নবগঠিত অনেক বিশ্ববিদ্যালয় অবকাঠামোগতভাবে পুরোপুরি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো হয়ে ওঠেনি। অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবন খানিকটা হাইস্কুলের আদলে তৈরি হয়েছে। ছোট ছোট শ্রেণিকক্ষ, অপ্রশস্ত বারান্দা ও সিঁড়িঘর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশকে পুরোপুরি জানান দেয় না। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় তারই এক উৎকৃষ্ট উদাহরণ। তবে সব মিলিয়ে এখানে শিক্ষার পরিবেশ হয়তো অতটা খারাপ নয়।
এটা সুস্পষ্ট, শ্রেণিকক্ষ যদি সত্যিই আলো ছড়ায় তবে, সত্যিকার অর্থে স্বল্পসময়ে আয়তন খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবন্ধকতার কারণ হয়ে উঠতে পারে না। বেরোবি সেই কথাই বলছে।

সংকট ও সম্ভাবনা
সংকট ও সম্ভাবনার বসবাস বরাবর একই গৃহে। তাদের সম্পর্কটাও তাই নিবিড়। বেরোবির বর্তমান মূল সংকট অবকাঠামো ও শিক্ষক। স্বল্পসংখ্যক শিক্ষক ও শ্রেণিকক্ষ নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে বেরোবি।
জন্মলগ্ন থেকে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে, নীতি ও আদর্শের খুব একটা সাবলীল প্রচলন এখানে দেখা মেলে নি। এটাই বারবার বিপদগ্রস্ত করছে বেরোবিকে। তাই প্রতিবাদ এখানকার নিত্যসঙ্গী। চলছে প্রতিদিন, প্রতিক্ষণে। ভেতরে ও বাইরে। নেতিবাচক খবর প্রতিদিন আমাদের তৃপ্তিকে ম্লান করছে।
অতৃপ্তিতে ভরিয়ে তুলছে। ভাবাচ্ছে। কষ্ট পাচ্ছি, নীরবে কাঁদছি। কিন্তু এই খারাপ সময় যেন শেষই হওয়ার নয়। প্রিয় কর্মস্থল নিয়ে প্রতিদিন নেতিবাচক খবর শুনতে শুনতে আমরা আজ বড় কান্ত। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্ভাগ্য আজও এ প্রতিষ্ঠান একজন যোগ্য, দক্ষ নেতৃত্ব খুঁজে পায়নি।
অন্যদিকে, অসংখ্য মানুষের স্বপ্নে লালিত এ প্রতিষ্ঠান সত্যিই অফুরন্ত সম্ভাবনাময়। যে আঞ্চলিক অবস্থানে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখানকার শিক্ষার্থীরা পাঠগ্রহণ তথা গবেষণায় প্রচণ্ড আন্তরিক, আর শিক্ষকরা অত্যন্ত নিবেদিত। এখানকার অধিকাংশ মানুষের ভেতরে এক ধরনের ইতিবাচক প্রচেষ্টা বিদ্যমান। যদিও সেই মানুষগুলো সবসময় নেতৃত্বে থাকে না, থাকে নিভৃত্বে।

শেষ কথা
স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময় থেকে অবহেলিত থেকেছে উত্তরবঙ্গ। অধিকার আদায়ের জন্য বারবার করতে হয়েছে সংগ্রাম। বিভাগ আর বিশ্ববিদ্যালয় ছিল এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। রংপুরবাসীর সেই দাবি পূরণ হয়েছে। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় উত্তরের একমাত্র সাধারণ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এ অঞ্চলের মানুষের ভালোবাসা আর আঞ্চলিক সম্ভাবনা বিশ্ববিদ্যালয়টিকে স্বল্পতম সময়ে নিয়ে যেতে পারত সাফল্যের খুব কাছে। মান বজায় রেখে টিকে থাকার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে চলতে পারত বিশ্ববিদ্যালয়টি। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরনো মানুষগুলোর কাছে কাঁঠালতলার কিছু স্মৃতি বেশ আপন। সে এক সম্প্রীতিতে ভরা উজ্জ্বল সময়! কিন্তু আজকের বিশ্ববিদ্যালয়ে সেই সম্প্রীতি নেই। আছে সংকট, আছে সমস্যা। আছে কোন্দল, আছে দলাদলি। উত্তরবঙ্গের মানুষের প্রাণের বিদ্যাপিঠ এ প্রতিষ্ঠানের কাছে আঞ্চলিক ও জাতীয় প্রত্যাশা সীমাহীন। যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আন্দোলন করেছিলেন তাদের চাওয়া আজও অনেকখানি অপূর্ণ। উত্তরবঙ্গের গণমানুষ ও বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের প্রত্যাশা অসীম। সেই সীমাহীন প্রত্যাশার পথে হাঁটুক বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়। চারপাশে আলো জ্বলুক। সে আলো সারা দেশে ছড়াক। সংকট কাটিয়ে, গণমানুষের স্বপ্নের সমান বড় হয়ে উঠুক বেগম রোকেয়া বিশ্বদ্যিালয়। শত সংকট ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও, নিঃসন্দেহে সকল সূচকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সমসাময়িক যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে অনেক বেশি এগিয়ে। সব ইতিবাচক অগ্রগতি অক্ষুণ্ন থাক। শুভ জন্মদিন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।

 
.