মান্ডালা আর্টিস্ট জিনিয়ার সাফল্য

ঢাকা, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০ | ৫ কার্তিক ১৪২৭

শখ থেকে সাফল্য

মান্ডালা আর্টিস্ট জিনিয়ার সাফল্য

বিবিধ ডেস্ক ৮:১৫ পূর্বাহ্ণ, জুন ২৪, ২০২০

print
মান্ডালা আর্টিস্ট জিনিয়ার সাফল্য

মান্ডালা আর্ট। একটু ব্যতিক্রমী একটি আর্ট। বাংলাদেশে এই আর্টের পরিচিতি কম। মান্ডালা হল আত্মা। আত্মার জন্য একটি কেন্দ্রস্থল স্থান যা ব্যাধি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য একটি আর্ট থেরাপির সরঞ্জাম। মান্ডালা হল ‘ম্যাজিক সার্কেল’-এর সংস্কৃত শব্দ। প্রায় প্রতিটি সংস্কৃতি তাদের সাংস্কৃতিক বা আধ্যাত্মিক অনুশীলনে মান্ডালা বা বৃত্তাকার চিত্র ব্যবহার করে। শিল্পটি প্রাচীন ২ হাজার বছরেরও বেশি পুরনো! আর এই মান্ডালা আর্টে সুখ্যাতি পেয়েছেন কারিমা আক্তার জিনিয়া। তিনি ঢাকা উইমেন কলেজে অনার্স ১ম বর্ষে পড়াশোনা করছেন। গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীতে। জিনিয়ার বাবা আবুল কাশেম আঁকতেন। তিনি ল্যান্ডস্কেপ পেইন্টিং করতেন।

বাবার আঁকাআঁকি দেখে জিনিয়া আর্টের প্রতি আকৃষ্ট হন। নিয়মিত ছবি আঁকছেন তিন বছর। এরই মধ্যে কয়েকটি এক্সিবিশনে অংশ নিয়েছেন তিনি। দুটো এক্সিবিশন থেকেই তাকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। জিনিয়া বলেন, দুঃখজনক বিষয়, মান্ডালা নামেরও যে একটা আর্ট আছে সেটা বাংলাদেশের খুব কম মানুষই জানে।

যার জন্য আমার মতো যারা মান্ডালা আর্টিস্ট এদেশে আছে তারা খুব একটা সম্মান পাই না। আমাদের কাজগুলো তেমন সম্মানী পায় না। অনেকে আবার আর্টকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে দেখে। বলে, এটা আঁকা কোনো ব্যাপার হলো নাকি? আর্ট সরঞ্জামের অত্যাধিক মূল্য। পাশাপাশি কিছু মানুষের এমন তির্যক মন্তব্য জিনিয়াকে কষ্ট দেয়। 

জিনিয়া বলেন, আমরা যারা আর্ট করি তারাই কেবল জানি এই আর্ট নিজ থেকে শিখতে, করতে কতটা কষ্ট হয়। কত বাধা পেরোতে হয়। জিনিয়ার প্রতিভা বহুমুখী। তিনি একজন ক্রাফটারও। ক্রাফটার হিসেবেও তার ব্যাপক পরিচিত। ক্রাফট হচ্ছে, কাগজ দিয়ে কিংবা অপ্রয়োজনীয় জিনিস দিয়ে নতুন কিছু তৈরি করা।

জিনিয়া বলেন, আমি কাগজের বিভিন্ন গিফট বক্স তৈরি করি। এছাড়াও ব্যাগ বানাই। এগুলো অনলাইনে সেল করি। মান্ডালা, ক্রাফট, ক্যালিগ্রাফি সব কিছুই জিনিয়া অনলাইনে বিক্রি করেন। ফেসবুকে তার অৎঃ ্ ঈৎধভঃধরহরল নামে একটি পেজ আছে। এই পেজে গেলে তার অসংখ্য কাজ দেখা যাবে। অনলাইনে বিক্রি থেকে জিনিয়ার হাত খরচের টাকা আসে বলে জানান।