পথের প্রাণীদের জন্য ভালোবাসা

ঢাকা, শনিবার, ৩০ মে ২০২০ | ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

পথের প্রাণীদের জন্য ভালোবাসা

বিবিধ ডেস্ক ৭:০৫ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৮, ২০২০

print
পথের প্রাণীদের জন্য ভালোবাসা

নন্দিনী বিশ্বাস। দরদি মনের মানুষ। প্রাণীদের জন্য তার খুব মায়া। পথে আহত কুকুর পড়ে রইল। কোলে তুলে নিয়ে তার চিকিৎসা করেন। খাবারের ব্যবস্থা করেন। অ্যানিমেলস কেয়ার অব চট্টগ্রাম (এসিসি) নামে একটি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা তিনি। প্রতিষ্ঠাকালে তার সঙ্গে ছিলেন বন্ধু ত্রিশা, ইয়ানা ও জুবায়েদ।

গ্রুপটি প্রাণীদের নিয়ে সচেতনতার কাজ করে। সংগঠনটিতে প্রায় শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক রয়েছে। সময় অসময় নেই। যখনই প্রয়োজন পড়ে তখন স্বেচ্ছাসেবীরা প্রাণীদের জন্য ছুটে যান। কাজে নেমে পড়েন। অসুস্থ প্রাণীদের পাশে দাঁড়ান। বিশেষ করে আহত কুকুরদের সেবা দিয়ে সুস্থ করে তোলেন।

সংগঠনটির কাজ সর্ম্পকে নন্দিনী বলেন, ‘প্রাণীদের নিয়ে কাজ করার জন্য আগে থেকে কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছিল না আমাদের। নিজেদের পোষা প্রাণীদের প্রতি ভালোবাসা থেকে রাস্তায় অবাঞ্ছিত প্রাণীদের প্রতি মমতা সৃষ্টি হয়। তাদের জীর্ণশীর্ণ অবস্থা দেখে খারাপ লাগে। খেতে পায় না। তার ওপর মানুষের অহেতুক নির্যাতন।’

সংগঠনটির সেক্রেটারি জুবায়েদ আব্দুল্লাহ বলেন, ‘প্রায় প্রতি মাসেই আমরা ২৫ থেকে ৩০টি কুকুরের চিকিৎসা নিশ্চিতকরণে কাজ করছি। আর এসবের জন্য আর্থিক সহায়তা করেন সংগঠনের সদস্যরা।’

হোক পথে বেড়ানো কুকুর। ওদের নির্যাতন নয়। একটুখানি সহানুভূতি দেখালে অসুবিধা কোথায়। ওরা তো কোনো ক্ষতি করছে না। এই বোধ জাগিয়ে তুলতে সংগঠনটির কর্মীরা মানুষকে বোঝাতে চেষ্টা করে।

আবার কুকুর-বিড়ালের নিউটার স্প্রে করিয়ে জলাতঙ্কের টিকা দেওয়ার কাজও করে। এর বাইরে পথশিশুদের আর্থিক সহায়তা, বস্ত্র প্রদান করে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে এসিসি একাধিকবার। করোনার এই ক্রান্তিকালে সংগঠনটি ২০০ থেকে ২৫০টি কুকুরকে প্রতিদিন খাবার দেয় বলে জানা গেছে।