চট্টগ্রামের সরকারি গ্রন্থাগার

ঢাকা, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২০ | ৩১ আষাঢ় ১৪২৭

জ্ঞানচর্চা ও ঐতিহ্যের পাঠাগার

চট্টগ্রামের সরকারি গ্রন্থাগার

আরিচ মাহামুদ ১:২২ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০

print
চট্টগ্রামের সরকারি গ্রন্থাগার

চট্টগ্রামের বিভাগীয় সরকারি গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬২ সালে, নগরীর নন্দনকানন এলাকায়। ১৯৬৩ সালের ২০ ডিসেম্বর স্বল্প পরিসরে গ্রন্থাগারের কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে ১৯৮০ সালে চারতলা ভবনের কাজ শুরু হয়। ১৯৮৯ সালে এ ভবনে পুরোপুরিভাবে যাত্রা করে গ্রন্থাগারটি। এরপর থেকে বৃহত্তর চট্টগ্রামে বইপিপাসু শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের চাহিদা মেটাচ্ছে এ প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে এ গণগ্রন্থাগারে ১ লাখ ২১ হাজার বই রয়েছে।

দৈনিক ৩০টি পত্রিকা রাখা হতো। বর্তমানে ২০ জন কর্মকর্তা কর্মচারী এ প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত আছে। ১৯৮৮ সালে লাইব্রেরি নির্মাণের পর ১৯৯৭ সালে ভূমিকম্পে বিভিন্ন জায়গায় ফাটল সৃষ্টি হয়।

গণগ্রন্থাগারটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিনামূল্যে পুস্তক পাঠ সেবা, পত্র-পত্রিকা ও সাময়িকী পাঠ, রেফারেন্স সেবা, পুস্তক লেনদেন সেবা, তথ্য জ্ঞাপন, তথ্য সেবা বিতরণ, পুরাতন পত্রিকা প্রদর্শন সেবা দিয়ে থাকে। তবে গত এক বছর ধরে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স স্থাপন ও বহুতল ভবন নির্মাণের কাজ চলছে। বর্তমান পাবলিক লাইব্রেরি স্থানান্তর করে সদরঘাট কর্ণফুলী পেপার মিলের একটি ভবনে স্থানান্তর করা হয়েছে। এরপর থেকে প্রতিষ্ঠানের সব সেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

চট্টগ্রাম নিলুফার কায়সার কলেজের অধ্যক্ষ ওমর ফারুক জানান, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে শিক্ষা গবেষণা কাজে ব্যাঘাত হচ্ছে। অপরিকল্পিতভাবে ভবন স্থানান্তরের কারণে গ্রন্থাগারটি দীর্ঘ একবছর ধরে বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সব শ্রেণির মানুষ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

বিভাগীয় সরকারি গ্রন্থাগারের উপ-পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন বলেন, চট্টগ্রামের পরিত্যক্ত ভবনে বা সরকারি ভবনের জন্য আমরা নানাভাবে চেষ্টা করেছি।