‘পোনা মাছের ঝাঁক’

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯ | ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

লালন বলে জাতের কী রূপ

‘পোনা মাছের ঝাঁক’

বিবিধ ডেস্ক ২:২৪ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩০, ২০১৯

print
‘পোনা মাছের ঝাঁক’

বাংলার মাটি থেকে অঙ্কুরিত বাউল তত্ত্ব। সেই বাউল তত্ত্বের মূল মাধ্যম গান। বৈঞ্চব ধর্মের মাধ্যমও এই গানই। এই বাউল তত্ত্বের মূল তাত্ত্বিক বা গীতিকার কাম গায়কই বাউলরাজ লালন ফকির।

কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় নিজের আখড়ায় শিষ্য-পার্শ্বাচরদের নিয়ে জীবন যাপন করতেন লালন। ‘অধর মানুষ’-এর সন্ধানে সাধনপথে তার ছিল নিরন্তর পথচলা। বিষয়াসক্তি কিংবা জাগতিক সমস্ত লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে ছিলেন তিনি।

যখন মনের ভাব প্রবল বেগে জেগে উঠত, তখনই কেবল তিনি শিষ্যদের ডেকে বলতেন, ‘ওরে, আমার পোনা মাছের ঝাঁক এসেছে।’

অর্থাৎ তার ভেতরে গান এসেছে। এ কথা শোনামাত্রই সাঁইজির আশপাশে ছুটে আসতেন শিষ্যরা। লালন তখন ভাবের আবেশে গান ধরতেন। শিষ্যরাও লালনের সঙ্গে তাল মেলাতেন। সময়-অসময়ে তার এমন ‘পোনা মাছের ঝাঁক’ আসত।