পুওর ইকোনমিক্স

ঢাকা, রবিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২০ | ১৩ মাঘ ১৪২৬

অভিজিতের বিজয়

পুওর ইকোনমিক্স

বিবিধ ডেস্ক ১:০৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৬, ২০১৯

print
পুওর ইকোনমিক্স

অর্থনীতি বিষয়ে অভিজিতের লেখা চারটি বই বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। তার মধ্যে ‘পুওর ইকোনমিক্স’ বইটি গোল্ডম্যান সাচস বিজনেস বুক সম্মানে ভূষিত হয়। এছাড়া গত ১৬ বছর ধরে তাদের গবেষণা থেকে উঠে এসেছে বেশ কিছু যুগান্তকারী চিন্তাধারা, যার সাম্প্রতিকতম ফল ২০১৯ সালে প্রকাশিত অভিজিৎ ও এস্থারের ‘হোয়াট দ্য কান্ট্রি নিডস নাও’ শীর্ষক বইটি।

২০০৮ সালে নিউইয়র্ক টাইমস সমকালীন বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনীতিবিদদের নিয়ে একটি সমীক্ষা চালায়। সেখানে দেখা যায়, সব পরিমাপেই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন অভিজিৎ, এস্থার ও তাদের চিন্তার ফসল ‘জেপ্যাল’। বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক ডেভিড রোমার সেখানে বলেন, ‘বর্তমান অর্থনীতির কাছে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন দারিদ্র্যের। কেন বিশ্বের এত এত মানুষ দরিদ্র? আর অর্থনীতির এখানে আসলেই কী করণীয়? জেপ্যালের কাজের সাহায্যে এখন আমরা আস্তে আস্তে এই প্রশ্নগুলোর ধারণা পাচ্ছি।’ উল্লেখ্য, উন্নতশীল বিশ্বে দারিদ্র্য ঠেকাতে চালু রয়েছে একাধিক সহায়তা প্রকল্প। কিন্তু বাস্তবে কতটুকু সফল হচ্ছে এই প্রকল্পগুলো, তা পরীক্ষা করে জেপ্যাল।

পুওর ইকোনমিক্স গ্রন্থে অভিজিৎ ও এস্থার আক্ষেপ করেছেন, দারিদ্র্য নিয়ে বিতর্ক মূলত বৃহৎ প্রশ্নেই ঘোরাফেরা করেছে, যেমন দারিদ্র্যের চূড়ান্ত কারণ কী, মুক্ত বাজারের ওপর কতটা আস্থা রাখা উচিত, গণতন্ত্র কী দরিদ্রদের পক্ষে ভালো, বিদেশি সাহায্যের কী ভূমিকা রয়েছে- প্রভৃতি ঘিরে। অভিজিৎ, এস্থার ও ক্রেমার একসঙ্গে কাজ করছেন ৯-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে। তারা এই বড় প্রশ্নের মধ্যে আটকে থাকতে চাননি। তার বদলে তারা সমস্যাগুলোকে ভেঙে নিয়েছেন।

ভারতের বর্তমান আর্থিক অবস্থা ও মন্দা থেকে উত্তরণের পরামর্শ রয়েছে পুওর ইকোনমিক্স বইয়ে। উন্নতশীল বিশ্বে নাগরিকের খরচ প্রবণতার সহজ অথচ প্রাসঙ্গিক বিশ্লেষণ করে ২০১১ সালে এস্থার ও অভিজিৎ রচিত এই বই সাড়া জাগিয়েছে অর্থনীতির গবেষকদের মধ্যে।