দীর্ঘ সময়ের রোজা

ঢাকা, রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯ | ২ আষাঢ় ১৪২৬

দেশে দেশে রোজার বৈচিত্র্য

দীর্ঘ সময়ের রোজা

বিবিধ ডেস্ক ৩:২৬ অপরাহ্ণ, মে ২২, ২০১৯

print
দীর্ঘ সময়ের রোজা

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ আইসল্যান্ডে হাতেগোনা মুসলিমের বসবাস। তবে, দেশটির প্রায় এক হাজার মুসলমানের কাছে রোজার একটি বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। সংযমের দিক থেকে তারা পৃথিবীর অন্য সব মুসলমানদেরই ছাড়িয়ে যান। তারা তাদের সময় অনুসারে, রাত ২টায় সাহরি খেয়ে পরের দিন রাত ১২টায় ইফতার করে। এ হিসাব অনুযায়ী, আইসল্যান্ডের মুসলমানদের রোজা হবে ২২ ঘণ্টা। যা বিশ্বের যে কোনো মুসলমানদের চেয়ে ঢের বেশি।

প্রায় ৫ লাখ মুসলমানের বসবাস সুইডেনে। গ্রীষ্মের রোজা সুইডেনদের জন্য সবচেয়ে কঠিন। ইফতার করার মাত্র চার ঘণ্টা পর সাহরি খেতে হয় তাদের। অর্থাৎ সাহরি খাওয়ার পর ২০ ঘণ্টা উপোস থাকার পর ইফতার করেন সুইডেনের মুসলমানরা।

আলাস্কায় সূর্যোদয়ের ১৯ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট পর সূর্য ডোবে। এ পুরো সময়টা রোজা রাখতে হয় এখানে বসবাসরত মুসলিমদের। তবে, ওই এলাকার অনেক মুসলিমই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে সাহরি ও ইফতার করেন। গরমের কারণে দীর্ঘ সময় রোজা রাখা কষ্টকর হওয়ায় তারা এমনটি করেন। আলাস্কার মুসলমানদের চেয়ে ৪৫ মিনিট কম রোজা রাখেন জার্মানির মুসলমানরা।

অর্থাৎ ১৯ ঘণ্টা। রাত ৩টায় সাহরি খেলে পরদিন রাত ১০টায় ইফতার করেন তারা। ইংল্যান্ডে রোজা রাখাও খুব কষ্টকর। জার্মানির মুসলমানদের চেয়ে মাত্র পাঁচ মিনিট কম অর্থাৎ ১৮ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট রোজা রাখেন ইংল্যান্ডের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

দেশটিতে অবস্থানরত মুসলিমদের মধ্যে ডায়াবেটিস একটি সাধারণ সমস্যা। তাই এত দীর্ঘ সময় রোজা রাখা তাদের জন্য বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। আরব বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় রোজ রাখতে হয় আলজেরিয়ায়। যেমন এই রমজানে দেশটির রোজাদারদের গড়পড়তায় ১৬ ঘণ্টা খাবার ও পানীয় গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে।