‘আওয়ামী লীগ একটি অনুভূতির নাম’

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০১৯ | ৬ আষাঢ় ১৪২৬

ভা ষ ণ

‘আওয়ামী লীগ একটি অনুভূতির নাম’

বিবিধ ডেস্ক ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ০৭, ২০১৯

print
‘আওয়ামী লীগ একটি অনুভূতির নাম’

২০১৬ সালের ২২ অক্টোবর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদকের প্রতিবেদন পেশকালে প্রদত্ত ভাষণ-

আমাদের রক্ত খাঁটি। আমাদের রক্ত পরীক্ষিত। আওয়ামী লীগকে আমি একটা দল ভাবি না, আওয়ামী লীগকে ভেবেছি একটি অনুভূতি হিসেবে। বঙ্গবন্ধুর রক্ত, হাজার হাজার আওয়ামী লীগ সদস্যের মৃত্যুতে, আন্দোলন-সংগ্রামে যে অনুভূতির সৃষ্টি হয়েছে, সেই অনুভূতির নাম আওয়ামী লীগ।

আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি পৃথিবীর কোনো শক্তি নেই আওয়ামী লীগের কোনো ক্ষতি করতে পারে। আওয়ামী লীগের ঘরে আমার জন্ম। আওয়ামী লীগের একটি কর্মী যদি ব্যথা পায়, সেই ব্যথা আমার বুকে বাজে। কারণ আমার রক্ত, আপনার রক্ত-আমাদের সেই একই রক্ত। কোনো বিভক্তি নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আমি ও আপনি একই বন্ধনে আবদ্ধ।

আওয়ামী লীগ এ দেশটাকে স্বাধীন করেছে। ভাষার জন্য আন্দোলন করেছে। গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছে। এ আওয়ামী লীগ প্রথাগত কোনো রাজনৈতিক দল নয়। পৃথিবীতে অনেক দল আছে, কিন্তু এ দলের যে আত্মত্যাগ তার কোনো তুলনা হয় না। এত ত্যাগ, এত বিপর্যয়ের মধ্যেও আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের মধ্যে, এমনকি পৃথিবীর মধ্যে একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ দল। আজকে আওয়ামী লীগ যে কোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী একটি দল।

আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার জন্য এ দেশে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। আমাদের বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে হত্যা করেছে, তাজউদ্দীন সাহেবকে হত্যা করেছে, হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে। তারপরও কিন্তু আওয়ামী লীগকে নিঃশেষ করতে পারেনি এবং কোনোদিনই পারবে না। জননেত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্ব দেবেন। কিন্তু তিনি যদি না থাকেন আওয়ামী লীগ কিন্তু মরবে না।

পৃথিবীতে এমন সংগঠন বিরল, যে সংগঠন দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য এত আত্মত্যাগ করেছে।

(সংক্ষেপিত)