টিফিন সময় ও ভাতা বৃদ্ধি প্রসঙ্গে

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০১৯ | ২৭ কার্তিক ১৪২৬

টিফিন সময় ও ভাতা বৃদ্ধি প্রসঙ্গে

খন্দকার এইচ আর হাবিব ৯:৩৭ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৩, ২০১৯

print
টিফিন সময় ও ভাতা বৃদ্ধি প্রসঙ্গে

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আগেকার সময়ের চেয়ে আমূল পরিবর্তন এসেছে। যুক্ত হয়েছে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিগত মাল্টিমিডিয়া পদ্ধতি। শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা, আন্তঃইউনিয়ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন খেলাধুলার উপকরণ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হচ্ছে। অপরদিকে বর্তমানে শিক্ষকদের বেতন মান কিছুটা হলেও সম্মানজনক। দেশের বিভিন্ন উপজেলায় শতভাগ মিডডে মিল চালু হয়েছে, আর মিডডে মিলের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো শিক্ষার্থী, শিক্ষক একই সঙ্গে বিদ্যালয়েই দুপুরের খাবার খাবেন অথচ টিফিন সময় মাত্র ৩০ মিনিট।

এই স্বল্প সময়েই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে খাওয়া এবং বিশ্রামের জন্য যথেষ্ট নয়। তাদের বিভিন্ন খেলা চর্চার জন্য সুযোগ থাকলেও সময় কোথায়? পক্ষান্তরে শিক্ষকদের খাওয়া এবং ইবাদত, বিশ্রাম মাত্র ৩০ মিনিট খুবই অপ্রতুল। তা ছাড়া শিক্ষকদের টিফিন ভাতা মাসিক মাত্র ২০০ টাকা যা অত্যন্ত লজ্জাজনক।

একই স্কেলে অন্যান্য বিভাগে যারা চাকরি করেন তাদের একদিনের টিফিন ভাতা ২০০ টাকার বেশি দেওয়া হয়। মাত্র ৬.৬৬ টাকা দিয়ে বর্তমান বাজারে এক কাপ চা ও একটি পানও পাওয়া যায় না। কিন্তু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতিদিন টিফিন ভাতা দেওয়া হয় ৬.৬৬ টাকা। তাই শিক্ষার্থীদের ও শিক্ষকদের মানসিক ও শারীরিক দিক বিবেচনায় শিক্ষা পরিবারের স্বার্থে টিফিন সময় এবং টিফিন ভাতা বর্ধিত করা এখন সময়ের দাবি।

খন্দকার এইচ আর হাবিব
প্রধান শিক্ষক, মৌলভীরডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
পার্বতীপুর, দিনাজপুর