বায়োসেফটি নিশ্চিত করতে হবে

ঢাকা, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

বায়োসেফটি নিশ্চিত করতে হবে

তানভীর আহমেদ রাসেল ৮:৪০ অপরাহ্ণ, মার্চ ০৭, ২০১৯

print
বায়োসেফটি নিশ্চিত করতে হবে

শারীরিক, মানসিক ও সামাজিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করার পূর্বশর্ত হলো, বায়োসেফটি। বায়োসেফটি বলতে মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর স্বাস্থ্য ও পরিবেশকে ক্ষতিকর অণুজীব যেমন- ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ফানজাই, রিকেটস, প্রিয়নস ইত্যাদি হতে রক্ষা করাকে বুঝায়। আর বায়োসেফটির জন্য চাই নির্মল পরিবেশ। পরিবেশ নিঃসন্দেহে মানবধাত্রীর মতো। পরিবেশ ও মানুষের মাঝে রয়েছে গভীর আত্মীয়তার সম্পর্ক।

কিন্তু নির্বিচারে প্রকৃতি সংহার ও যত্রতত্র বর্জ্য নিঃসরণের মাধ্যমে দিন দিন সেই পরিবেশের ওপর চলছে মানুষের নির্মম কুঠারঘাত। ফলে মারাত্মকভাবে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে ও ব্যাহত হচ্ছে বায়োসেফটি। পরিবেশ দূষণের এমন অঘোষিত যুদ্ধে বাদ নেই শিল্পকারখানা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল কেউই। বাসগৃহ ও এসব প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য খোলা ডাস্টবিন, নর্দমা ও নগরসংলগ্ন নদীতে ফেলা হচ্ছে।

নিউ টাইমসের এক সমীক্ষা মতে, বর্জ্য নিষ্কাশনের এমন অব্যবস্থাপনার কারণে পৃথিবীতে প্রতিবছর প্রায় ২০ কোটি টনের বেশি কার্বন মনোঅক্সাইড, ৫ টন হাইড্রোকার্বন ও প্রায় ১৫ কোটি টন সালফার ডাই অক্সাইড উৎপন্ন হচ্ছে।
এসব বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থের কারণে ওজোনস্তর ছিদ্র হয়ে ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি এবং বিভিন্ন তেজষ্ক্রিয় রশ্মি সরাসরি পৃথিবীতে পৌঁছে। এতে করে ক্যান্সার, এইডস, যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হেপাটাইটিস সি ইত্যাদি জটিল রোগ সৃষ্টি করে মানুষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

তানভীর আহমেদ রাসেল
শিক্ষার্থী, ফার্মেসি বিভাগ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।