বনে আগুন দেওয়া বন্ধ করতে হবে

ঢাকা, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯ | ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

বনে আগুন দেওয়া বন্ধ করতে হবে

সাঈদ চৌধুরী ৯:৩৫ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৯

print
বনে আগুন দেওয়া বন্ধ করতে হবে

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভাওয়াল গড়ের ভবানীপুরের গভীর বনের ভেতর দিয়ে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ দেখলাম বনকর্মীরা খুব দৌড়াদৌড়ি করে বনে লাগিয়ে দেওয়া আগুন নেভানোর জোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন। গত শুক্রবারেও হোতাপাড়া থেকে আসার সময় ভেরামতলীর একটি জায়গায় শাল-গজারির বনে আগুন লাগাতে দেখেছি।

এ ব্যাপারে বনকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, বনে আগুন লাগানো যাতে বন্ধ হয় তার জন্য মাইকিংও করা হয়ে থাকে। সচেতনতামূলক কাজের অংশ হিসেবে এটা করা হয়ে থাকে। কিন্তু অনেকে যেন নিতান্ত হেলাফেলায় বনে আগুন লাগিয়ে দিয়ে চলে যায়। এর ফলে পুড়তে থাকে পুরো বনের মাটি, গজারিসহ সব গাছের ডালপালা, এমনকি শেকড়-বাকড় পর্যন্ত, পোকামাকড়। ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায় বনের পুড়ে যাওয়া অংশের পুরো জীববৈচিত্র্যের!

এভাবে আর কত? এ ক্ষেত্রে মানুষের আইন না জানার ব্যাপারটিও থাকতে পারে। বনে আগুন দেওয়া যে দেশের প্রচলিত আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য, তা হয়তো অনেকেরই জানা নেই। এ ব্যাপারে মানুষকে সচেতন করতে হবে। সরকারের এ জায়গাতে আরও অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। বিট অফিস প্রয়োজনে বনের মধ্যে আরও বাড়াতে হবে অথবা বনকর্মীর সংখ্যা বাড়িয়ে বনের রক্ষণাবেক্ষণ বাড়াতে হবে। যদি তা না করা যায় তবে বনের মধ্যে এমন আগুন দেওয়ার ফলে জীববৈচিত্র্য চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতেই থাকবে।

ঢাকার অক্সিজেন ফ্যাক্টরি হলো এই শাল গজারির বন। এ বন রক্ষার্থে সরকারের আরও বড় পরিকল্পনা আশা করছি। এ ব্যাপারে পরিবেশ, বন ও জলবায়ুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সুদৃষ্টি কামনা করি।

শ্রীপুর, গাজীপুর।