নারীর মর্যাদা ও অধিকার প্রসঙ্গে

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯ | ৩০ কার্তিক ১৪২৬

নারীর মর্যাদা ও অধিকার প্রসঙ্গে

গাজী মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জাবির ৮:১০ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০১৯

print
নারীর মর্যাদা ও অধিকার প্রসঙ্গে

ইসলাম নারী জাতির যথাযোগ্য অধিকার এবং সম্মানজনক মর্যাদা নিশ্চিত করেছে। পবিত্র কোরআনে নারীদের অধিকার ও মর্যাদা সম্পর্কে বলা হয়েছে, ‘আর পুরুষদের যেমন স্ত্রীদের ওপর অধিকার রয়েছে তেমনিভাবে স্ত্রীদেরও নিয়মানুযায়ী পুরুষদের ওপর অধিকার রয়েছে।’ কোরআন মাজিদে আরও বলা হয়েছে, ‘যখন তাদের কন্যাসন্তানের সুসংবাদ দেওয়া হয়, তখন তাদের মুখ কালো হয়ে যায় এবং অসহ্য মনোস্তাপে ক্লিষ্ট হতে থাকে। তাকে শোনানো সুসংবাদের দুঃখে সে লোকদের কাছ থেকে মুখ লুকিয়ে থাকে। সে ভাবে, অপমান সহ্য করে তাকে থাকতে দেবে, না তাকে মাটির নিচে পুঁতে ফেলবে। শুনে রাখো, তাদের ফায়সালা খুবই নিকৃষ্ট।’

হাদিস শরিফে আছে, ‘যখন কন্যাসন্তান ভূমিষ্ঠ হয় তখন আল্লাহপাক ফেরেশতাদের প্রেরণ করেন। তারা এসে বলেন, পরিবারের সবার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক। যে ব্যক্তি এই নবজাতিকার রক্ষণাবেক্ষণে মনোযোগী হবে সে কেয়ামত পর্যন্ত সাহায্য পাবে।’

রাসুলে করিম (সা.) বলেছেন, ‘কারও কন্যাসন্তান ভূমিষ্ঠ হলে সে যদি তাকে পুঁতে না ফেলে, তাকে যদি সে অপমানিত না করে এবং তাকে উপেক্ষা করে যদি সে পুত্রসন্তানের পক্ষপাতিত্ব না করে, তাহলে আল্লাহপাক তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।’ রাসুলে করিম (সা.)-এর আগমনের আগে ধন-সম্পত্তিতে নারীদের কোনো উত্তরাধিকার স্বীকৃত ছিল না। কিন্তু কোরআনুল কারিমে বলা হয়েছে, ‘পিতামাতা ও আত্মীয়স্বজনের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে পুরুষদের অংশ আছে এবং নারীদেরও অংশ আছে। অল্প হোক কিংবা বেশি হোক, এ অংশ নির্ধারিত।’

প্রত্যেক ধর্মপরায়ণ মুসলমান পবিত্র কোরআন ও হাদিসের এসব নির্দেশনা মেনে সমাজে নারীর অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করবেন, এটাই প্রার্থিত। এটা নিশ্চিত করা গেলেই সৃষ্টি হবে একটি প্রকৃত ভারসাম্যপূর্ণ সমাজব্যবস্থা।

কুমিল্লা।