ইশতেহারে জলবায়ু ও পরিবেশ ইস্যু

ঢাকা, বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮ | ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

ইশতেহারে জলবায়ু ও পরিবেশ ইস্যু

সাধন সরকার ৯:০৮ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ০৪, ২০১৮

print
ইশতেহারে জলবায়ু ও পরিবেশ ইস্যু

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যার কারণে উপকূলীয় এলাকা সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলের নদ-নদীগুলোতে লবণাক্ততার পরিমাণ বাড়ছে। ফলে বিভিন্ন কারণে মানুষ শহরমুখী হতে বাধ্য হচ্ছে। বর্তমান বাস্তবতায় জলবায়ুগত দুর্যোগ তথা ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, ভূমিধস, জলোচ্ছ্বাস ও লবণাক্ততায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্য দেশসমূহকে ব্যাপকভাবে ভুগতে হচ্ছে। এর ফলে জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখার পাশাপাশি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কমানো জরুরি হয়ে পড়েছে।

দেশের নদ-নদীগুলো অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। নদীমাতৃক এ দেশের নদ-নদী না বাঁচলে বাংলাদেশ নামক ব-দ্বীপটার অস্তিত্ব রক্ষা কঠিন হয়ে পড়বে। একেকজন সাংসদ যদি তার সংশ্লিষ্ট এলাকার একেকটি নদী রক্ষার দায়িত্ব নেন, তাহলে নদ-নদীগুলো অন্তত দখল-দূষণের হাত থেকে বাঁচবে বলে মনে করি। শব্দদূষণ, বায়ুদূষণ, মাটিদূষণ ও পানিদূষণ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেড়েই চলেছে। শহরাঞ্চলে শব্দদূষণ ও বায়ুদূষণ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। বায়ুদূষণসহ সব ধরনের দূষণে শিশুদের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। দূষণজনিত রোগব্যাধি নগরবাসীর জীবনে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। তাই প্লাস্টিক ও নিষিদ্ধ পলিথিন দূষণের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার ইশতেহারে থাকতে হবে। প্লাস্টিকের রিসাইক্লিং ব্যবস্থার ওপর জোর দিতে হবে। বনভূমি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে। এছাড়া পাহাড় ও বন রক্ষায় সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা থাকতে হবে। বৃক্ষরোপণসহ উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিভিন্ন কর্মসূচিসহ জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। পরিবেশ সমস্যাবলী মোকাবেলায় নিরপেক্ষভাবে পরিবেশ আইনের যথাযথ প্রয়োগ করতে হবে।

সাধন সরকার
ঢাকা