গ্যাস সংকটে শিল্পে স্থবিরতা

ঢাকা, বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮ | ৩০ কার্তিক ১৪২৫

গ্যাস সংকটে শিল্পে স্থবিরতা

সাঈদ চৌধুরী ৯:৩২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ০৭, ২০১৮

print
গ্যাস সংকটে শিল্পে স্থবিরতা

বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের অনেকটুকু আসে পোশাক রপ্তানি থেকে। গত কয়েকদিনে গ্যাসের চরম সংকট চলছে। গৃহস্থালিতেও গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না অনেক এলাকাতেই। সেখানে শিল্পে গ্যাস সরবরাহ সঠিকভাবে পাওয়া খুব বেশিই দায় হয়ে পড়েছে। গত শনিবার মহেশখালীর ভাসমান গ্যাস কেন্দ্রের পাইপ লাইনে সমস্যা দেখা দেয়।

সমস্যা দেখা দেওয়ার পর থেকে প্রায় প্রতিদিন ত্রিশ হাজার ঘনফুট গ্যাস কম উত্তোলন করা হচ্ছে। যার ফলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের চাপ অনেক বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। পেট্রোবাংলার তথ্য মতে, সমুদ্র তলদেশে হাইড্রলিক ভালভে সমস্যার কারণেই ত্রুটি দেখা দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গ্যাসের প্রবল চাহিদার বিপরীতে এখন যে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে তা খুবই কম। যদি গৃহস্থালিতে গ্যাস সরবরাহ সবসময় রেখে শিল্পের ক্ষেত্রে একেক এলাকায় একেক সময় গ্যাস সরবরাহ করা হয় এবং গ্যাসের চাপ সঠিক রাখা যায় তবে সমস্যার সমাধান কিছুটা হলেও হতে পারে।
সিএনজি স্টেশনগুলোর ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়ে চালানো যেতে পারে। যদি একটি অঞ্চলে একটি নির্দিষ্ট সময় ডিস্ট্রিবিউশন সঠিকভাবে করা যায় সেক্ষেত্রে উৎপাদনে গতিও আসবে। এখন যেরকমটা হচ্ছে তা হলো যখন গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না তখন যে পরিমাণ গ্যাসের সরবরাহ থাকে তা স্টিম তৈরি বা অন্যান্য কাজের জন্য পর্যাপ্ত নয়। যার ফলে অপচয় আরও বাড়তে পারে। এজন্যই মূলত একটি নির্দিষ্ট সময় করে গ্যাস সরবরাহের পরিকল্পনা নেওয়া যেতে পারে বলে মনে করি।
গ্যাসের লাইনের ত্রুটি যেহেতু একটি বড় সমস্যা সুতরাং সাগরের তলদেশের হাইড্রলিক ভালভগুলোর বাইপাস লাইন করা যায় কিনা তাও ভেবে দেখা যেতে পারে। যদি বাইপাস লাইন করা সম্ভব হয় তবে কোনো কারণে একটি ভালভে সমস্যা দেখা দিলে অন্যটি দিয়ে কাজ চালানো সম্ভব হবে এবং এ ধরনের সমস্যা থেকে বের হয়ে আসা যাবে।  


শ্রীপুর, গাজীপুর