কিউলেক্স মশা নিধনে আনা হচ্ছে নতুন কীটনাশক: তাপস

ঢাকা, রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১ | ৫ বৈশাখ ১৪২৮

কিউলেক্স মশা নিধনে আনা হচ্ছে নতুন কীটনাশক: তাপস

নিজস্ব প্রতিবেদক ৮:০৮ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২১

print
কিউলেক্স মশা নিধনে আনা হচ্ছে নতুন কীটনাশক: তাপস

কিউলেক্স মশা নিধনে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে নতুন কীটনাশক চলে আসবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে যে কীটনাশক প্রয়োগে সুফল পাওয়া গেছে, কিউলেক্স মশার জন্য তা কার্যকর হয় না। সেজন্য কীটনাশক পরিবর্তন করছি। আমরা যে কীটনাশক আনছি সেটা আমরা কিউলেক্স মশার জন্য ব্যবহার করব। এতে কিউলেক্স মশার উপদ্রব বাড়ার যে অভিযোগ আসছে, তা নিরসন হবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) নগর ভবনের মেয়র হানিফ মোহাম্মদ অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত করপোরেশনের বোর্ড সভায় এ আহ্বান জানান তিনি। এটি দ্বিতীয় পরিষদের ষষ্ঠ বোর্ড সভা।

শীত মৌসুমে কিউলেক্স মশার উপদ্রব কিছুটা বাড়ে উল্লেখ করে ডিএসসিসি মেয়র বলেন, ঢাকা শহরে এখনও এত বেশি ছোট ছোট বদ্ধ জলাশয় রয়েছে, যেগুলো আমাদের নাগালের বাইরে। এজন্য সে সকল জায়গা থেকে মশা বৃদ্ধি পেয়ে বিস্তার লাভ করে এবং প্রজনন ছড়ায়।

শেখ তাপস আরও বলেন, মশার ওষুধ বা কীটনাশকের মান যেন ঠিক থাকে সেজন্য আমরা বারবার পরীক্ষা করাই। এতো বার পরীক্ষা করাই যে, সবাই অতিষ্ঠ হয়ে যায়। কিন্তু তারপরও যখনই অভিযোগ পাই, তখনই আমরা পরীক্ষা করায়। তাই আমাদের এই মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কিনা- সেটা আপনাদেরকে তদারকি করতে হবে।

ডিএসসিসি’র কোথাও জলবদ্ধতা হতে দেব না—কাউন্সিলরদের এই প্রত্যয় নিয়ে কাজ করারও আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি বলেন, মহামারির মধ্যে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে প্রত্যয় নিয়ে কাজ করায় সফলতা এসেছে। আমরা প্রত্যয় নিয়ে কাজ করলে ইনশাআল্লাহ জলাবদ্ধতা নিরসনও করতে পারব।

যথাযথভাবে রাজস্ব আয় না হলে করপোরেশনের সক্ষমতা বাড়বে না উল্লেখ করে ডিএসসিসি মেয়র বলেন, আমাদের রাজস্ব আহরণের মূল ক্ষেত্র হলো হোল্ডিং ট্যাক্স ও ট্রেড লাইসেন্স। এই জায়গাতে আমাদের সবচেয়ে বেশি নজর দিতে হবে। আমরা রাজস্ব আহরণ বাড়াতে ইতোমধ্যেই টাস্কফোর্স গঠন করে দিয়েছি। তাই আপনাদের নেতৃত্বে কোনো হোল্ডিং যাতে বাদ না পড়ে, কোনো প্রতিষ্ঠান যাতে ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া পরিচালিত না হয়, সে বিষয়টি খেয়াল রাখবেন।’

বোর্ড সভার আলোচ্যসূচি অনুযায়ী ৯ সদস্যবিশিষ্ট ‘শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা এবং স্বাস্থ্যরক্ষা ব্যবস্থা’ বিষয়ক স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়। ডিএসসিসি মেয়র শেখ তাপস একে একে কমিটির সদস্যদের নাম প্রস্তাব করলে উপস্থিত সকলে একযোগে তা অনুমোদন করেন।

সভায় বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. বদরুল আমিন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. শরীফ আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী রেজাউর রহমান, সচিব মো. আকরামুজ্জামান, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হক, প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মুনান হাওলাদার, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. সিরাজুল ইসলামসহ বিভিন্ন দফতরের প্রধানেরা উপস্থিত ছিলেন।