৩ কোটি ডোজ করোনার টিকা ক্রয় অনুমোদন

ঢাকা, রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ | ১৫ ফাল্গুন ১৪২৭

৩ কোটি ডোজ করোনার টিকা ক্রয় অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক ৮:৫১ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২১, ২০২১

print
৩ কোটি ডোজ করোনার টিকা ক্রয় অনুমোদন

রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে ভারতের সিরাম ইন্সটিটিউট থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে সরকার ৩ কোটি ডোজ করোনার টিকা ক্রয় করবে। এতে ব্যয় হবে ১ হাজার ২৭১ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে টিকা ক্রয়ের অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠকশেষে অর্থমন্ত্রী এক অনলাইন প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, আজ করোনাভাইরাসের টিকা ক্রয়সহ ২ হাজার ৫৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ৮টি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে পাওয়া যাবে ১ হাজার ৮৭০ কোটি ৮২ লাখ এবং স্থানীয় ব্যাংক থেকে ১৮৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা ঋণ নেয়া হবে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনিকা টিকা ক্রয় করবে। তিনি আরও বলেন, এটি অত্যন্ত ভাল বিষয় যে ভারতের টিকা ইতোমধ্যে দেশে আসতে শুরু করেছে। আমরা সবাই টিকা পেয়ে গেলে মানুষ আবার পূর্ণ উদ্যোমে কাজে মনোযোগি হবে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নিজেদেরকে নিয়োজিত করবে।

আজ ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারত সরকার উপহার হিসেবে ২০ লাখ ডোজ টিকা বাংলাদেশ সরকারকে প্রদান করেছে।

এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি অব্যশই টিকা নেব। বয়স বিবেচনায় প্রথম পর্যায়ে পর্যাপ্ততার ভিত্তিতে আমি টিকা গ্রহণ করতে আগ্রহী।’

তিনি বলেন, বেসরকারিভাবে কোন প্রতিষ্ঠান টিকা আনতে চাইলে নিজ অর্থায়নে তা আনতে হবে। এক্ষেত্রে সরকার কোন অর্থায়ন করবে না।

অনলাইন প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. আবু সালেহ মোস্তফা কামাল বলেন, সভায় তিনটি পৃথক উৎস থেকে মোট ৮৫ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার ক্রয়ের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন কর্তৃক কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) নিকট থেকে ১০ম ও ১১তম লটে ৩০ হাজার মেট্রিক টন করে মোট ৬০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার কেনা হবে। পাশাপাশি সৌদি আরব থেকে ২৫ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক প্রিন্ড ইউরিয়া সার আমদানি করা হবে।

এছাড়া নৌপরিবহন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতায় আরও ৪টি প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়।