এক দেশে ভ্যাকসিনের দাম বেশি হলে অন্য দেশে যাবো: অর্থমন্ত্রী

ঢাকা, রবিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২১ | ১১ মাঘ ১৪২৭

এক দেশে ভ্যাকসিনের দাম বেশি হলে অন্য দেশে যাবো: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক ৫:০৯ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৩, ২০২১

print
এক দেশে ভ্যাকসিনের দাম বেশি হলে অন্য দেশে যাবো: অর্থমন্ত্রী

ভারত থেকে বাড়তি দামে ভ্যাকসিন কেনার বিষয়টি নিয়ে সরব দেশের গণমাধ্যম। এমন প্রেক্ষাপটে কোনো দেশ যদি ভ্যাকসিনের দাম বেশি বলে তবে অন্য দেশ থেকে আনার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ১৩ জানুয়ারি, বুধবার অর্থনৈতিক ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

ভারতের তুলনায় ৪৭ শতাংশ বেশি দামে ভ্যাকসিন কেনা হচ্ছে, এর ফলে বাজেটে কী প্রভাব পড়বে- এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এটা জানিনা, দাম বেশি হয়েছে কি-না। ভারত যদি তৈরি করে তাহলে তাদের কস্ট অব প্রোডাকশন তো কম হবেই। তারা যখন বিক্রি করবে ডেফিনেটলি সেলস প্রাইসটা তাদের খরচ, প্রফিট এই দুইটাকে একত্র করে তারা এই কাজটি করবে। তাদের যে খরচ হবে সেই দামে আমরা পাবো, তাদের দেশে যদি তৈরি করা হয় এটা প্রত্যাশা করা ঠিক হবে না। তবে আমরা দেখব যে আন্তর্জাতিক বাজারে কতো ভ্যাকসিনের দাম এবং আমরা কতো দামে পাচ্ছি সেটা নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করব। কারণ এক দেশ ভ্যাকসিন তৈরি করবে না, অনেক দেশ তৈরি করবে। এক দেশ থেকে যদি বেশি দাম বলে আমরা অন্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা অবশ্যই করব, সেই সুযোগ আমাদের আছে।’

আগামী বাজেটে ভ্যাকসিন কতটা গুরুত্ব পাবে এবং জনস্বাস্থ্যের কোন বিষয়কে বাজেটে গুরুত্ব দিচ্ছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে জাতির যে চাহিদা সেটা হচ্ছে, সবাই অপেক্ষা করে আছে আমরা কবে ভ্যাকসিনের কাজটা শুরু করব এবং কবে ভ্যাকসিন সবাইকে দেয়া শেষ করতে পারব। ভ্যাকসিন আনা কঠিন কাজ নয়। ভ্যাকসিন দেয়াটা কঠিন কাজ। সকলকে ভ্যাকসিনের আওতায় নিয়ে আসা খুব জটিল কাজ। আমরা বিশ্বাস করি আমরা এখানে সফল হবো। আমাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে আমরা এগুবো।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাশা হলো, সবার এমনকি যারা খরচ বহন করতে পারবেন না তাদেরও খরচ তিনি বহন করবেন। আপনারা জানেন এটা একদিনে হবে না। দেশের ১৭ কোটি মানুষকে একদিনে এটি দেয়া যাবে না। সেজন্য ডেফিনেটলি কিছু স্টেপ (ধাপ) থাকবে। প্রথম স্টেপে কারা পাবেন, দ্বিতীয় স্টেপে কারা পাবেন, তৃতীয় স্টেপে কারা পাবেন, এভাবে আইডেন্টিফাই (শনাক্ত) করে ভ্যাকসিন দিতে হবে। আমরা প্রত্যাশা করি, দেশের ১৭ কোটি মানুষকে ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনতে পারব।’