সীমান্ত দূর্ঘটনা শূন্যে আনতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিজিবি-বিএসএফ

ঢাকা, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০ | ৭ কার্তিক ১৪২৭

সীমান্ত দূর্ঘটনা শূন্যে আনতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিজিবি-বিএসএফ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৭:২৬ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০

print
সীমান্ত দূর্ঘটনা শূন্যে আনতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিজিবি-বিএসএফ

সীমান্ত দূর্ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে বিজিবি ও বিএসএফ দুই পক্ষই  প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে বলে জানিয়েছে সংসদীয় কমিটি। একাদশ জাতীয় সংসদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী  কমিটির ১৫তম বৈঠকে রোববার এ তথ্য জানানো হয়। কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক খানের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য ও মন্ত্রী এ.কে.আব্দুল মোমেন, প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, নুরুল ইসলাম নাহিদ, গোলাম ফারুক খন্দ. প্রিন্স,  মো. হাবিবে মিল্লাত, নাহিম রাজ্জাক, কাজী নাবিল আহমেদ এবং নিজাম উদ্দিন জলিল (জন)  অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকে বাংলাদেশের সাথে প্রতিবেশী দেশ ও নিকট প্রতিবেশী দেশসমূহের সাথে বর্তমান সম্পর্কের চ্যালেঞ্জসমূহ চিহ্নিত করে পদক্ষেপ গ্রহণ এবং সম্পর্ক উন্নয়নের প্রক্রিয়া জোরদার করণে করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বাণিজ্য সম্প্রসারণে প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে পারস্পরিক ব্যবসায়ীক প্রতিনিধি দলের নিয়মিত বৈঠক আয়োজন, স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ ও শীর্ষ পর্যায়ে মতামত বিনিময় করার সুপারিশ করা হয়। এছাড়াও, বিজিবি ও বিএসএফ দুই পক্ষই সীমান্ত দূর্ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন বলে বৈঠকে জানানো হয়। 

বৈঠকে জানানো হয়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। অতিশিঘ্রই খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে।

বৈঠকে আরো জানানো হয় যে, বন্ধুপ্রতিম যে সকল দেশ কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেছে ও সফলভাবে পরীক্ষা চালিয়েছে, সেসকল দেশের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। বাজারে আসার সাথে সাথেই আমাদের দেশ পেয়ে যাবে বলে সংশ্লিষ্ট দেশসমূহ আশ্বস্থ করেছে। এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট দেশসমূহে বাংলাদেশী মিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন।

এছাড়া, আমাদের দেশে প্রতিষ্ঠিত ঔষধ প্রস্তুতকারী ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো যদি কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন আবিষ্কার ও পরীক্ষা চালিয়ে সফলতা অর্জন করে, তবে তাদের থেকেও সংগ্রহ করা যেতে পারে বলে কমিটি অভিমত ব্যক্ত করে। 

বৈঠকে আন্তর্জাতিক রীতি-নীতি অনুযায়ী কোন মন্ত্রণালয় বিদেশী কোন প্রতিষ্ঠান/দেশ হতে কোন প্রকার গিফট/সম্মাননা/সাহায্য গ্রহণের পূর্বে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহিত পরামর্শ করতে সুপারিশ করা হয়। 

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম প্রতিবেদন তৈরি করে মহান জাতীয় সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে উপস্থাপনের জন্য সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েরর সচিবসহ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।