নদী খালে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু ২৩ ফেব্রুয়ারি

ঢাকা, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১১ ফাল্গুন ১৪২৬

নদী খালে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু ২৩ ফেব্রুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২০

print
নদী খালে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু ২৩ ফেব্রুয়ারি

আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা দেশে নদ-নদী, খাল ও সরকারি জলাধারের ওপর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে। এ তথ্য জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব কবির বিন আনোয়ার। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছি এবং প্রায় ছয়শত একর জমি উদ্ধার করেছি। ২য় পর্যায়ে আরও বেশি সফল হওয়ার আশা করছি। রাজনৈতিক পরিচয় বা অন্য কোনোভাবে অবৈধ দখল উচ্ছেদে ছাড় দেওয়া হবে না।

গতকাল বৃহস্পতিবার পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ৬৪ জেলার সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে উচ্ছেদ অভিযানে করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করেন পানিসচিব কবির বিন আনোয়ার।

জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের যৌথ প্রচেষ্টায় গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া উচ্ছেদ অভিযানের প্রথম পর্যায় সম্পন্ন হওয়ার পর এই উদ্যোগ নিয়েছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়। এই বিষয়ে পানিসম্পদ সচিব কবির বিন আনোয়ার বলেন, প্রায় ৪০,০০০ অবৈধ স্থাপনার তালিকা নিয়ে শুরু হওয়া অভিযানের প্রথম পর্যায়ের পর আমরা ইতোমধ্যে এর সুফল পাচ্ছি।

প্রথম পর্যায়ে সারা দেশে আমরা প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি স্থাপনা উচ্ছেদ করেছি এবং প্রায় ছয়শত একর জমি উদ্ধার করেছি। ২য় পর্যায়ে আমরা আরও বেশি সফল হওয়ার আশা করছি। রাজনৈতিক পরিচয় বা অন্য কোনোভাবে অবৈধ দখল উচ্ছেদে ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি আরও বলেন, বালু উত্তোলনের ব্যাপারে বালু মহলকে বয়া দিয়ে চিহ্নিত করতে হবে এবং বালু উত্তোলনে নির্দিষ্ট এলাকা অতিক্রমে জরিমানা করা হবে। এতে ভূমিধস লাঘব হবে। বালু উত্তোলনের জন্য চিহ্নিত এলাকাগুলো নজরদারিতে রাখতে হবে।

সচিব আরও বলেন, পরবর্তীতে আমরা প্রতি মাসে অন্তত একদিন বিশেষ করে ২৩ তারিখ বা সুবিধাজনক সময়ে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে। নদীভাঙনে ভূমিহীন ও হতদরিদ্রের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে বা বিকল্প স্থানে পুনর্বাসনের প্রতি জোরারোপ করছি।

ভিডিও কনফারেন্সে সব জেলার জেলা প্রশাসনসহ যুগ্মসচিব (পরিকল্পনা) মন্টু কুমার বিশ্বাস, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক কে এম আনোয়ার হোসেন এবং মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় মুজিববর্ষে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের একাধিক পরিকল্পনাও আলোচিত হয়।