গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে চায় ইসি

ঢাকা, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬

গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে চায় ইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক ৯:২৯ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৯, ২০২০

print
গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে চায় ইসি

ঢাকার দুই সিটিতে আইনানুগ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এমনটাই জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম। আজ রোববার বিকালে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা জানান।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের উদ্দেশে রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণা করার পর থেকে আসল দায়িত্বটা পালন করেন আপনারা (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী)। আচরণবিধি বাস্তবায়নের কাজটাও আপনারাই করেন। আপনাদের ব্যর্থতাই আমাদের ব্যর্থতা। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা আচরণ বিধিমালাকে বাস্তবায়ন করার জন্য আইনের দিকটা বাস্তবায়ন করেন। আপনাদের ব্যর্থতা সম্পূর্ণভাবে আমাদের ওপর দিয়ে যায়। কমিশনকেই অভিযুক্ত করা হয়। আমরা আইনানুগ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে চাই। আপনাদের সাহায্য-সহযোগিতা ছাড়া আইনানুগ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা সম্ভব না।’

তিনি বলেন, আচরণ বিধিমালা প্রয়োগ করার জন্য শাস্তি, জরিমানা করার চাইতে প্রিভেন্টিভ মেজারটা (প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা) নেন। অর্থাৎ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ কর্মকর্তা যদি একটু এক সঙ্গে মুভ (চলেন) করেন, তাইলেই আচরণবিধি ভঙ্গের বিষয়টি থাকবে না।

রফিকুল ইসলাম বলেন, এতে নির্বাচনে আচরণবিধির ভঙ্গের পরিমাণ অনেকখানি কমে যাবে। শুধু এজন্য আপনাদের কাছে চাই আন্তরিকতা। আপনাদের অবস্থান দৃশ্যমান করতে পারলে ৫০ শতাংশ আচরণবিধি প্রতিপালনের কাজ হয়ে যাবে। তারপরও কিছু লোক আচরণবিধি ভঙ্গ করবে। আর তাদেরকে নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা দিয়েই শাস্তির ব্যবস্থা করবেন।

এ কমিশনার বলেন, আমরা যখন আইন করি, তখন একটা আদর্শ, পরিস্থিতিকে মাথায় রেখে আইনের খসড়া তৈরি করি। কিন্তু বাংলাদেশের সব জায়গায় সবসময় আইনের পরিবেশ থাকবে না। আইনের সিচুয়েশন (পরিবেশ) সব জায়গায় সমান পাওয়া যাবে না। এসব ক্ষেত্রে জুডিশিয়াল মাইন্ড (বিচারিক মানসিকতা) প্রয়োগ করতে হবে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের রিটার্নিং অফিসার মো. আবুল কাশেমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তরের প্রত্যেক থানার ওসি ও সরকারি রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

প্রসঙ্গত, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। দুই সিটির প্রতিটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে ইভিএমের মাধ্যমে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ।