মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি পেলেন ৩২ কর্মচারী

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০ | ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি পেলেন ৩২ কর্মচারী

নিজস্ব প্রতিবেদক ১০:২৫ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৪, ২০২০

print
মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি পেলেন ৩২ কর্মচারী

অবশেষে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেলেন মুজিবনগর সরকারের ৩২ কর্মচারী। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের ৬৫তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দিয়ে সম্প্রতি গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। ফলে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাওয়া ব্যক্তিদের সংখ্যা হলো ৬৭০।

মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী ঢাকা ধানমন্ডির দৌলত আহমেদ ভূঁইয়া, লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রামের মৃত মো. রফিকুল ইসলাম বসুনিয়া ও কাজি ফায়জুল বারি, দিনাজপুর সদরের মৃত হাফিজ উদ্দীন আহাম্মদ, ময়মনসিংহ মুক্তাগাছার নিরঞ্জন ভৌমিক, খাগড়াছড়ি রামগড়ের সুরেশ চন্দ্র বিশ্বাস, ঢাকা ইস্কাটনের কাজী খলিকুজ্জামান আহমদ, ঢাকা মোহাম্মদপুর আদাবরের শরীফা খাতুন, কুড়িগ্রাম নাগেশ্বরীর মো. আলতাফ হোসেন।

পাবনা সুজানগরের মো. ইউসুফ আলী, চট্টগ্রাম রাউজানের রনজিৎ কুমার সেন, নীলফামারীর জলঢাকার মৃত আবদুল আজিজ বসুনিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়ার মো. আবু তাহের, নওগাঁ সদরের অমূল্য রঞ্জন দাস, গোপালগঞ্জ মুকসুদপুরের মো. আবদুল হাসেম মিয়া, নীলফামারীর ডিমলার মো. আবদুর রহমান, ঢাকা মোহাম্মদপুরের এ কে হেফাজত উল্লাহ, মৌলভীবাজার ভাদুঘরের রঙ্গলাল সেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের মো. খলিলুর রহমান মোল্লা ও রংপুর সদরের মো. আবদুল মান্নান মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেয়েছেন।

আরও স্বীকৃতি পেয়েছেন- হবিগঞ্জ চুনারুঘাটের সত্যেন্দ্র কুমার দেব, কুমিল্লা কোতোয়ালির সুজিত কুমার রায়, ঢাকা শান্তিনগরের গৌর গোপাল ঘোষ, ঢাকা উত্তরার আবদুল গাফফার চৌধুরী, গাইবান্ধা সদরের মো. শাহ আলম, ঢাকা তেজগাঁওয়ের জসিম উদ্দিন, নড়াইল সদরের নৃপেন্দ্র নাথ মজুমদার, রংপুর সদরের রমিজ উদ্দিন আহমেদ, ঝিনাইদহ হরিণাকুণ্ডুর মো. জয়নাল আবেদীন, নীলফামারী জলঢাকার মো. খয়রাত হোসেন, রংপুর সদরের মৃত মোহাম্মদ আলী ও লালমনিরহাট হাতীবান্ধার মো. আবদুল জলিল প্রামাণিক।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল এই সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধযুদ্ধ শুরু হলেও মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনায় মুক্তিবাহিনী সংগঠন ও সমন্বয়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন আদায় এবং যুদ্ধে প্রত্যক্ষ সহায়তাকারী রাষ্ট্র ভারত সরকার ও সেনাবাহিনীর সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক রক্ষায় এই সরকারের ভূমিকা ছিল অপরিসীম।