কেনা হচ্ছে ২০ লাখ পাসপোর্ট

ঢাকা, শনিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২০ | ৪ মাঘ ১৪২৬

কেনা হচ্ছে ২০ লাখ পাসপোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক ১০:০০ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯

print
কেনা হচ্ছে ২০ লাখ পাসপোর্ট

সংকট মোকাবেলায় ২০ লাখ পাসপোর্ট কিনছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ৫৩ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এটিসহ মোট পাঁচটি প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে। এতে ব্যয় ধরা হয় ৩ হাজার ৬৯৮ কোটি টাকা। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সভায় সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, বর্তমান পাসপোর্ট চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে একটি বড় ব্যবধান তৈরি হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দূতাবাসগুলো থেকে পাসপোর্টের চাহিদা আসছে। সংকট মোকাবেলায় ২০ লাখ পাসপোর্ট কেনা হচ্ছে।

ই-পাসপোর্ট চালু না হওয়া মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট ব্যবহার করা হবে। সারা বিশ্বে এর গ্রহণযোগ্যতা আছে। আইডি গ্লোবাল সলিউশন লিমিটেডের কাছ থেকে এসব বই ক্রয় করা হবে। অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যে ই-পাসপোর্ট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের পাশাপাশি ই-পাসপোর্টের দিকে যাওয়া হবে।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে আরও বলা হয়, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে জাপানিজ বিনিয়োগকারীদের জন্য পৃথক অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নে ১ হাজার ৮১ কোটি টাকার কাজের ক্রয় চুক্তির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ অর্থ দিয়ে ভূমি উন্নয়ন, সীমানা প্রাচীর, সংযোগ সড়ক, রিটেশন পুকুর, খাল ও পাম্পিং স্টেশন নির্মাণ করা হবে। এ প্রকল্পের মোট ব্যয় হচ্ছে ২ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা। প্রাথমিকভাবে ৫০০ একর জমির ওপর এ উন্নয়ন কাজ করা হবে। কাজটি বাস্তবায়ন করবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

এদিকে আশুগঞ্জ নদীবন্দর-সরাইল ধলখার আখাউড়া স্থলবন্দর মহাসড়ককে চারলেন জাতীয় মহাসড়কে উন্নীতকরণ প্রকল্পের আওতায় গণপূর্তের কাজের জন্য ৫৭২ কোটি টাকার একটি চুক্তির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এটির অর্থায়ন হবে যৌথভাবে বাংলাদেশ ও ভারতের এক্সিম ব্যাংকের মাধ্যমে। এ কাজ বাস্তবায়ন করবে সড়ক ও জনপথ অধিদফতর। একই প্রকল্পের পৃথক আরও একটি গণপূর্ত কাজে ব্যয় ধরা হয় ১ হাজার ৮৭৪ কোটি টাকার। এটিও ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে অনুমোদন দেওয়া হয়।

এছাড়া আশুগঞ্জ নদীবন্দর-সরাইল ধলখার আখাউড়া স্থলবন্দর মহাসড়ককে চারলেন জাতীয় মহাসড়কে উন্নীতকরণ প্রকল্পের পরামর্শক সেবার জন্য ১১৮ কোটি টাকা ব্যয়ের একটি চুক্তি অনুমোদন দেয়া হয়।