আইন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রীর সায়

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২০ | ১০ মাঘ ১৪২৬

আইন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রীর সায়

নিজস্ব প্রতিবেদক ১০:০০ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ০৭, ২০১৯

print
আইন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রীর সায়

দেশে ‘বঙ্গবন্ধু আইন বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। ওই প্রস্তাবে সায় দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি আইনমন্ত্রীকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা দিয়েছেন।

শনিবার জাতীয় বিচারবিভাগীয় সম্মেলন-২০১৯ এ প্রধান বিচারপতি প্রস্তাব করেন যে, ‘দেশে বঙ্গবন্ধু আইন বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া প্রয়োজন। সেটা হবে একটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়। এ ধরনের বিশ্ববিদ্যালয় হলে সেখান থেকে দক্ষ বিচারক পাওয়া যাবে।’

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু আইন বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত প্রধান বিচারপতির প্রস্তাবটি আমার খুব ভালো লেগেছে। এটা একটা নতুন প্রস্তাব। অনেক বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে, এটা হবে না কেন?’

প্রধানমন্ত্রী এ সময় আইনমন্ত্রীকে এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে যা যা করণীয় তা করে ফেলেন। আমি বঙ্গবন্ধু আইন বিশ্ববিদ্যালয় করে দেব। এ সময় দেশ, জনগণ ও সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে মেধা-মনন প্রয়োগের মাধ্যমে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বিচারকদের কাজ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমি চাই না যে আমার মতো স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে বছরের পর বছর কেউ অপেক্ষা করুক।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের আস্থা-বিশ্বাস অনেক বেড়েছে। অনেকগুলো সাহসী পদক্ষেপ-যেমন জাতির পিতার হত্যাকারীদের বিচারের রায় দেওয়া। অনেক বাধা ছিল। সেই বাধা অতিক্রম করে এই রায় দেওয়া হয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা হয়েছে এবং এরকম বহু ঘটনা। সন্ত্রাসী, জঙ্গিবাদ... কিছুদিন আগে আপনারা দেখেছেন, একজন ছাত্রীকে কিভাবে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো। সেই বিচারের রায়, নুসরাত হত্যার কথা আমি বলছি। একেকটা দৃষ্টান্ত। অনেক রায় খুব দ্রুত দেওয়ার ফলে বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের আস্থা বিশ্বাস অনেক অনেক বেড়ে গেছে।

বিচারকদের মামলার রায় ইংরেজির পাশাপাশি বাংলায় লেখার অনুরোধ জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমাদের মামলার রায় লেখা হয় শুধু ইংরেজি ভাষায়, তাতে অনেক সময় আমাদের সাধারণ মানুষ যারা হয়তো ইংরেজি ভালো বোঝেও না, তারা সঠিক জানতে পারে না যে, রায়টা কী হলো। সে জন্য ইংরেজিতে লেখা হোক কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে বাংলায় থাকা উচিত।’

সম্মেলনে উচ্চ আদালতের বিচারপতি এবং সারা দেশ থেকে আগত বিচারকরা উপস্থিত ছিলেন।