পেঁয়াজ বিমানে: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

পেঁয়াজ বিমানে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক ৩:১২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৬, ২০১৯

print
পেঁয়াজ বিমানে: প্রধানমন্ত্রী

পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি নিয়ে চক্রান্তের সঙ্গে কেউ জড়িত কি না তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পেঁয়াজ আনার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এখন পেঁয়াজ বিমানেও উঠে গেছে। কাজেই আর চিন্তা নাই।

শনিবার (১৬ নভেম্বর) রাজধানী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের জাতীয় সম্মেলন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, এই সমস্যা (পেঁয়াজ) যাতে না থাকে তাই কার্গো ভাড়া করে আমরা এখন পেঁয়াজ আনা শুরু করেছি। আগামীকাল, পরশুর মধ্যে এই বিমানে পেঁয়াজ এসে পৌঁছাবে। এখন পেঁয়াজ বিমানে উঠে গেছে। কাজেই আর চিন্তা নাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে আমরা জানি এখন পেঁয়াজ নিয়ে একটা সমস্যা আছে। সব দেশেই পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এটা ঠিক। কিন্তু আমাদের দেশে কেন কি কারণে এত! একটা অস্বাভাবিকভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়ছে কেন জানি না। আমরা দেখতে চাই এ ধরনের চক্রান্তের সঙ্গে কেউ জড়িত আছে কি না। এর পেছনে মূল কারণটা কি সেটা খুঁজে বের করতে হবে।

আবহাওয়ার কারণে অনেক সময় পণ্যের উৎপাদন বাড়ে জানিয়ে তিনি বলেন, স্বাভাবিকভাবে আবহাওয়ার কারণে অনেক সময় অনেক পণ্যের উৎপাদন বাড়ে বা কমে। আর যেহেতু পেঁয়াজটা বেশিদিন রাখা যায় না। কিন্তু যদি এখন হোল্ডিং করে দাম বাড়িয়ে দুই পয়সা কামাতে চান তাদের এটাও চিন্তা করতে হবে, পেঁয়াজ তো পচে যাবে। এখন পচা পেঁয়াজও শুকানোর চেষ্টা হচ্ছে। তো মানুষকে এই কষ্ট দেওয়াটা কেন? এভাবে কারা এর পেছনে আছে সেটাও আমাদের দেখতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা যতই এগিয়ে যাই, মানুষ যখন ভালো থাকে একটা না একটা ইস্যু তৈরি করা হয় এবং মানুষের মাঝে একটা বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা করা হয়।

ভারতের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অবশ্য ইন্ডিয়াতেও পেঁয়াজের দাম অনেক সেখানে ১০০ রুপিতে তারা পার কিলো পেঁয়াজ কিনতে পারে। শুধু এক স্টেটে তারা তাদের পেঁয়াজ ওই স্টেটের বাইরে যেতে দেয় না। শুধু সেখানে একটু দাম কম। তাছাড়া সার্বিকভাবে সেখানেও দাম বেশি।

তিনি বলেন, আমরা যেখান থেকে কিনছি আমাদের বেশি দামেই কিনতে হচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের লক্ষ্য মানুষকে সুন্দর জীবন দেওয়া, মানুষ যখন ভালো থাকে তখন একটা শ্রেণি আছে, একটা গোষ্ঠী আছে, মানুষ যখন ভালো থাকে তারা তখন মনঃকষ্টে ভোগে। অসুস্থতায় ভোগে। তাদের এ রোগ কিভাবে সারানো যায় এটা জনগণই বিচার করবে। জনগণই এটা দেখবে।