শেখ রাসেলের সমাধিতে আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯ | ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

শেখ রাসেলের সমাধিতে আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক ৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ১৮, ২০১৯

print
শেখ রাসেলের সমাধিতে আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেলের ৫৬তম জন্মদিনে তার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে আওয়ামী লীগ। আজ শুক্রবার সকাল ৮টায় বনানী কবরস্থানে শেখ রাসেলের সমাধিস্থলে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা শেখ রাসেলের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, মতিয়া চৌধুরী, মাহবুব উল আলম হানিফ, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, হাছান মাহমুদ ও জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ জ্যেষ্ঠ নেতাকর্মীরা।

এরপর বঙ্গবন্ধু ও তার কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলসহ ১৫ আগস্ট রাতে যারা নিহত হন, তাদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন তারা।

আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা লীগ, তাঁতি লীগ, ছাত্রলীগসহ দলটির অন্যান্য অঙ্গ, সহযোগী ও ভাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে শেখ রাসেলের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ এবং এর অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট ভাই রাসেল, শিশু বয়সেই ঘাতকের বুলেটে যার মৃত্যু হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে নিহত হয় রাসেল। ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল সে। মায়ের কাছে নেওয়ার কথা বলে সেই রাতে বাড়ির দোতলায় নিয়ে তাকে গুলি করে সেনা সদস্যরা।

ওই ঘটনা নিয়ে আদালতে বঙ্গবন্ধুর বাড়ির কর্মী আব্দুর রহমান শেখের (রমা) দেওয়া জবানবন্দি থেকে সেই হত্যাকাণ্ডের নৃশংসতার খণ্ডচিত্র পাওয়া যায়।

জবানবন্দিতে রমা বলেন, সেনা সদস্যরা নাসের, রাসেল ও আমাকে নিচ তলায় এনে লাইনে দাঁড় করায়। সেখানে সাদা পোশাকের একজন পুলিশের লাশ দেখি। সেনা সদস্যরা পরিচয় জানতে চাইলে শেখ নাসের তার নাম বলেন। তাকে নিচতলায় বাথরুমে নিয়ে যাওয়ার পর গুলির শব্দ আর আর্তচিৎকার শুনতে পাই।

“শেখ রাসেল তখন ‘মায়ের কাছে যাব’ বলতে বলতে কাঁদছিলেন। মহিতুল ইসলামের (বঙ্গবন্ধুর ব্যাক্তিগত সহকারী) কাছে সে জানতে চায়, ‘ভাই, আমাকে মারবে না তো’। এ সময় একজন সেনা সদস্য বলে, ‘চলো, তোমার মায়ের কাছে নিয়ে যাই।’ বালক রাসেলকেও দোতলায় নিয়ে যায় খুনিরা। এরপর একইভাবে গুলির শব্দ আর আর্তচিৎকার শুনি।”