সব কিছু নষ্টদের অধিকারে!

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯ | ৯ কার্তিক ১৪২৬

সব কিছু নষ্টদের অধিকারে!

শফিক হাসান ১১:০৬ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১০, ২০১৯

print
সব কিছু নষ্টদের অধিকারে!

সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে- প্রয়াত লেখক ও শিক্ষাবিদ ড. হুমায়ুন আজাদ অনেক আগেই কথাটি বলে গেছেন। মৌলবাদী গোষ্ঠীর দ্বারা আক্রমণ-পরবর্তী নিজের অকাল মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তার ধারণার প্রমাণও মিলেছিল। এরপর গড়িয়েছে অনেক জল, জল-কাদায় পরিস্থিতি হয়েছে আরও ঘোলাটে ও পুতিদুর্গন্ধময়। বর্তমানে উক্তিটি সর্বজনীনতা লাভ করেছে, আসলেই সব কিছু নষ্টদের অধিকারে! দ্বিমত পোষণের অবকাশ নেই।

গত রোববার রাতে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে হত্যার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগ নতুন করে যে ন্যক্কারজনক ইতিহাসের জন্ম দিয়েছে, তা সংবেদনশীল মানুষকে কাঁদাবে বহুদিন। আবরার হত্যার বিচার ও শিক্ষাঙ্গনে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবিতে সোচ্চার সারা দেশ। ছাত্ররাজনীতির পক্ষে-বিপক্ষে মত রয়েছে।

শিক্ষাবিদরা বলছেন, ছাত্ররাজনীতির নামে যা হচ্ছে তা অপরাজনীতি। রাজনীতি থেকে ‘অপ’ দূর করতে পারলে কোনো সমস্যা থাকে না। ক্রমশ সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাচ্ছে, গিলে খাচ্ছে মানবিকতা, যাবতীয় শুভবোধ। পচন শুরু হয় মাথা থেকেই; রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছাত্রদের নীতি-নৈতিকতার যে অবক্ষয় তাতে সংশয় প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা- কেমন হবে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ! ইতিপূর্বে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের জরিপে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হওয়ার ‘শিরোপা’ পেয়েছে বাংলাদেশ। এ কলঙ্কতিলক মোছেনি এখনো, সহসা মোছারও নয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আজকের ছাত্ররাই নেতৃত্ব দেবেন আগামীর বাংলাদেশের। সেই ছাত্ররাই যদি সুষ্ঠুভাবে বেড়ে না ওঠেন তাহলে ভবিষ্যতের বাংলাদেশের চিত্র সুখকর হবে না- বলা বাহুল্য। পথভ্রষ্ট ছাত্রদের ছোট একটা অংশ দুর্বৃত্তপনার দীক্ষা নিয়েছেন; এরাই যে চাকরিজীবনে ঘুষ-দুর্নীতিসহ নানা অপকর্মে জড়াবেন বলার অপেক্ষা রাখে না। বর্তমানে ছোট থেকে বড়, যিনি যেমন চাকরি কিংবা পেশায় নিয়োজিত আছেন ‘সাধ্যানুযায়ী’ দুর্নীতি করতে ছাড়ছেন না। সততার মতাদর্শে বিশ্বাসীরা বরাবরই নিগৃহীত ও নিষ্পেষিত হচ্ছেন। লাঞ্ছিত-বঞ্চিত হচ্ছেন ঘরে-বাইরে।

কোথায় যাচ্ছে ছাত্ররাজনীতি, এর প্রভাব কতদূর পৌঁছবে বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে খোলা কাগজ মুখোমুখি হয়েছে দুজন শিক্ষাবিদের।

জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, “ছাত্ররাজনীতির প্রয়োজন আছে কিন্তু বর্তমানে ছাত্ররাজনীতির নামে যা হচ্ছে তা গুন্ডামি, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি। এগুলোর কোনোটাই রাজনীতি নয়। এসব রাজনীতির নামে দুর্বৃত্তায়ন, অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। যা হরদম ঘটে চলেছে। এর সঙ্গে রাজনীতিকে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। এটা ঠিক নয়। আমি মনে করি, ছাত্ররাজনীতির দরকার আছে। কিন্তু এখন যারা ছাত্ররাজনীতি করছে তারা আসলে ‘রাজনীতি’ করছে না।” রাজনীতির সুযোগ নিয়ে নিজেদের সমৃদ্ধির চেষ্টা করছে বলে হতাশা ব্যক্ত করেন সাবেক এই শিক্ষক।

লেখক ও শিক্ষাবিদ যতীন সরকার বলেন, ‘আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের পর অনেকেই ছাত্ররাজনীতি নিয়ে কথা বলেছেন। এটির প্রয়োজন আছে, থাকবে বরাবরই। এই চর্চা আগেও ছিল। কিন্তু অপরাজনীতি রাজনীতিকে কলুষিত করে। আজকে ছাত্রদের যে অপরাজনীতি, তা রাজনীতিকে কলুষিত করে ফেলেছে। এই অবস্থার অবসান চাই।’

যতীন সরকার আরও বলেন, ‘আবরারের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে নতুন ধ্যানধারণা, নতুন একটা চাহিদা মানুষের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে। কাজেই এর মধ্য দিয়ে আমার মনে হয় একটা নতুন রাজনীতির ধারা সৃষ্টি হবে।’

গত ১৪ সেপ্টেম্বর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্প থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগে বরখাস্ত করা হয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে। এরপর যুবলীগের কয়েকজন নেতাকর্মীকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, কোনো কোনো যুবলীগ নেতা শোভন-রাব্বানীর চেয়েও খারাপ। তারপর শুরু হয় ‘শুদ্ধি অভিযান’। কেঁচো খুঁড়তে বেরিয়ে আসে সাপ

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে একে একে আটক হন যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট, সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া, যুবলীগ নেতা ও টেন্ডার মোগল হিসেবে পরিচিত জি কে শামীম, কৃষক লীগ নেতা শফিকুল আলম ফিরোজ ও বিসিবির পরিচালক লোকমান হোসেন ভূঁইয়া। জিজ্ঞাসাবাদে তারা দিচ্ছেন রোমহর্ষক তথ্য।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া ছাত্রলীগের এমন হাল মনোবেদনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে অনেকের। এ সংগঠনের ছিল গৌরবময় ঐতিহ্য। বঙ্গবন্ধু সব সময় বলতেন, ছাত্রলীগের ইতিহাস বাংলাদেশের ইতিহাস। বাংলা, বাঙালি, স্বাধীনতা ও স্বাধিকার অর্জনের লক্ষ্যে ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি জন্ম নেয় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। প্রতিষ্ঠার সময় ছিল পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ।

১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের পর পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের পরিবর্তে হয় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা যুদ্ধ সবখানেই ছিল ছাত্রলীগের উজ্জ্বল ভূমিকা। তখনকার মেধাবী শিক্ষার্থীরাই রাজনীতিতে জড়াতেন, নীতির প্রশ্নে থাকতেন অবিচল। বাংলাদেশের জন্ম ইতিহাসের আগে-পরের ছাত্রনেতারাই পরবর্তীকালে সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী হয়েছেন। এখনো তারা পথ দেখাচ্ছেন জাতিকে।

সেই উজ্জ্বল পূর্বসূরিদের তুলনায় বর্তমান নেতৃত্ব নিষ্প্রভ ও কালিমালিপ্ত। বস্তুত, নব্বই দশকের পর থেকেই শুরু হয়েছে ছাত্ররাজনীতির ‘পতনযাত্রা’। যে ছাত্ররা স্বৈরশাসক হিসেবে পরিচিত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে বিতাড়ন করতে সহ্য করেছেন নিপীড়ন-নির্যাতন; কালপরিক্রমায় পরবর্তী প্রজন্মের ছাত্ররা অবতীর্ণ হয়েছে নিপীড়কের ভূমিকায়। হয়ে উঠেছেন ক্যাম্পাসের মূর্তিমান বিভীষিকা। ছাত্রবান্ধব না হয়ে হয়েছেন ছাত্র-নিপীড়ক।

আবরার হত্যাকাণ্ডের পর থেকে চলমান ছাত্র আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে ভয়ঙ্কর সব দিক। হলে হলে টর্চার সেল বানিয়ে রেখে ছাত্রলীগ, সেখানে তুচ্ছ কারণেও সাধারণ শিক্ষার্থীদের হেনস্তা করা হয়। বুয়েট, ঢাবি ও ইডেন মহিলা কলেজের টর্চার সেলের যেসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে তা আঁতকে মতো। শিক্ষার্থী অনেক সময়ই বাবা-মা কষ্ট পাবেন ভেবে অনেক নির্যাতন ও অনাচারের বিষয় চেপে যান। সব বিষয় খোলাসা হতে শুরু করেছে, আগামীতে অভিভাবকরা সন্তানের উচ্চশিক্ষা নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভুগতে পারেন- এমন আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা মনে করছেন, সন্তানকে বাঘের খাঁচায় ঢুকিয়ে অভিভাবক সুস্থির থাকবেন কীভাবে!

যদিও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বুয়েটের বিভিন্ন হলে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের নির্যাতনের বিষয়ে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, ‘টর্চার সেলের সঙ্গে ছাত্রলীগ পরিচিত নয়। এর নামও ভালোভাবে জানে না ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। একটি মহল চক্রান্ত করে ছাত্রলীগের সঙ্গে টর্চার সেলকে জড়াচ্ছে।’

শুধু টর্চার সেলের অভিযোগই নয়, হলে হলে রয়েছে অবৈধ অস্ত্রও। গত মঙ্গলবার রাতে ঢাবির হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তল্লাশি চালিয়ে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ দুজনকে আটক করেছে। আটক করা হয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক উপক্রীড়া সম্পাদক হাসিবুর রহমান তুষার এবং মুহসীন হল ছাত্রলীগের কর্মী আবু বকর আলিফকে।

ছাত্রলীগের দানব থেকে আরও বড় দানব হয়ে ওঠা ভাবিয়ে তুলেছে দেশের সব শ্রেণির মানুষকে। শুদ্ধি অভিযানে যখন বাঘা বাঘা নেতাকর্মীদের জেলে পোরা হচ্ছে; তারও আগে বহিষ্কার করা হয়েছে দোর্দ- প্রতাপশালী দুই ছাত্রনেতাকে- এমন পরিস্থিতিতেও কীভাবে ছাত্রলীগ এতটা দুর্দমনীয় হয়ে উঠতে পারে! বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ছাত্রলীগের বেপরোয়া হয়ে ওঠার নেপথ্যে কাজ করছে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস। অন্যায়-অপকর্ম করলে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে না এমন বিশ্বাস থেকেই তারা চলমান শুদ্ধি অভিযানে পিটিয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পেরেছেন। শুধু তাই নয়, হত্যার পর একজনও পালাননি। সবাই যার যার মতো ছিলেন, যাপন করেছেন স্বাভাবিক প্রাত্যহিক জীবন।

এ বিষয়ে লেখক ও শিক্ষাবিদ ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল আজ শুক্রবার খোলা কাগজসহ সহযোগী দৈনিকগুলোতে লিখেছেন বিশেষ নিবন্ধ- ‘দানবের জন্ম’। লেখার শেষাংশে তিনি খেদ প্রকাশ করে উল্লেখ করেছেন- ‘এই দেশে আমরা আর কতদিন এভাবে দানবের জন্ম দিতে থাকব?’

দানব হয়ে ওঠা ছাত্রলীগ-যুবলীগসহ অনেকের বিরুদ্ধেই রয়েছে নানা অভিযোগ। পাশাপাশি ইতোমধ্যে অনেকেই দাবি জানিয়েছেন, যারা আড়ালে থেকে দানব বানান, অন্যায়-অবিচারে নিরন্তর আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে যায় সেই গডফাদারদের মুখোশ উন্মোচন করা হোক। এমন অভিযানে আওয়ামী লীগ প্রশংসিত হলেও এটি কতদিন ধরে রাখা যাবে, ‘শুদ্ধ’ করা যাবে কতজনকে এমন অজস্র প্রশ্ন সাধারণের মনে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দল থেকে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ায় আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনগুলোর ‘হাঁড়ির খবর’ জানা যাচ্ছে। বিশেষ করে ছাত্রলীগের প্রতি সাধারণ মানুষের যে সন্দেহ ও অবিশ্বাস দানা বাঁধছে তা ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য ক্ষতিকর হবে না। গত বছরের শীতকালে দেশের বিভিন্ন জায়গায় হৃত ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে ছাত্রলীগের কম্বল বিতরণ করেছে; সর্বশেষ চলতি বছরে কৃষকদের ক্ষোভ প্রকাশ করার পরিপ্রেক্ষিতে তাদের কৃষকের ধান কেটে দিয়েছে ছাত্রলীগ। এ দুই কর্মসূচি ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে ফলাও করে প্রচার করেছে সংগঠনটি। এসব পোস্টে হাজার হাজার মানুষ হা হা রিঅ্যাক্ট দিয়েছেন। নেতিবাচক এই প্রতিক্রিয়া প্রকাশের মাধ্যমে তারা বুঝিয়ে দিয়েছেন, ছাত্রলীগ মানুষের আস্থায় নেই, তারা যা করছে স্রেফ ‘নাটক ও প্রদর্শনবাদিতা’।

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার পর গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শোক শোভাযাত্রা করে ছাত্রলীগ। এই বিষয়ে ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, ‘যাদের হাতে রক্তের দাগ, যারা আবরারকে খুন করেছে, তারা নাকি আবার শোক মিছিল করেছে, এটা হাস্যকর। রাজপথ তাদের দখলে- এই ভয় দেখানোর জন্য একটি শোডাউন দিয়েছে ছাত্রলীগ।’

এ অবিশ্বাস শুধু নুরের একার নয়, রাজনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, এটা ছাত্রলীগের সাময়িক কৌশল হতে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে ফিরতে পারে স্বমূর্তিতে। কোটা আন্দোলনের সময় এই ছাত্রলীগই কখনো আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সহমর্মিতা প্রকাশ করে বুকে বুক মিলিয়েছে আবার অল্প সময় পরেই চড়াও হয়েছে! ভাই হতে যেমন সময় লাগে না, শত্রুও হতেও না। দ্বৈত চরিত্রে ছাত্রলীগ বুঝিয়ে দিয়েছে সংগঠনটির কথা ও কাজে কতটা অমিল। অস্ত্রবাজি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজিতে তারা যতটা আগ্রহী তার সিকিভাগও আগ্রহী নয় শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে, সংরক্ষণে।

বর্তমানে ছাত্ররাজনীতির প্রতি ঘৃণার আগ্নেয়গিরি যেভাবে ফুঁসে উঠেছে, তাতে ভবিষ্যতের জন্য সম্ভাবনা ও আশঙ্কা দুটোই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে সবার প্রত্যাশা, অন্ধকার ভেদ করে আলো আসুক; এ আলোয় ভাসুক বাংলাদেশ, মুক্তি পান দেশজনতা। নিশ্চিত হোক পড়াশোনার পরিবেশ। প্রত্যেক শিক্ষার্থী শিক্ষাঙ্গন থেকে বের হোক আলোকিত মানুষ হয়ে!