ভূমি সেবায় আসছে ই-পেমেন্ট গেটওয়ে: সাইফুজ্জামান

ঢাকা, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৩১ ভাদ্র ১৪২৬

ভূমি সেবায় আসছে ই-পেমেন্ট গেটওয়ে: সাইফুজ্জামান

নিজস্ব প্রতিবেদক ৭:১৫ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২১, ২০১৯

print
ভূমি সেবায় আসছে ই-পেমেন্ট গেটওয়ে: সাইফুজ্জামান

শিগগিরই ভূমি সেবায় ই-পেমেন্ট গেটওয়ে আসছে জানিয়ে ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, ই-গেটওয়ে স্থাপনের কাজ এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে। এটা চালু হলে দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছ ভূমি সেবায় একটি নতুন দিগন্ত শুরু হবে।

আজ বুধবার এটুআই-এর সহযোগিতায় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় আয়োজিত ঢাকা বিভাগীয় ভূমি ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তিনদিন ব্যাপী ‘ই-নামজারি সঞ্জীবনী কর্মশালা’ এর দ্বিতীয় দিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে কর্মশালাটি হয়।

ভূমি মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ই-পেমেন্ট গেটওয়ে লেনদেনকে নির্ভরযোগ্য করে তোলার জন্য কার্যকর ও সুরক্ষিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। ভূমিমন্ত্রী উপস্থিত কর্মকর্তাদের সরকারি জমি উদ্ধারে আরও তৎপর হওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলেন, সরকারি জমি অবৈধ দখলকে ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে বিচার করার আইন প্রস্তুত করার কাজও চলছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দুর্নীতির কারণে আমরা যথার্থ জায়গায় পৌঁছাতে পারিনি। দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করে যেতে হবে। নিজ উদ্যোগে যেসব কর্মকর্তা ভূমি সেবা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন কাজ করে যাচ্ছেন মন্ত্রী তাদের প্রশংসা করেন। অন্যদেরও এতে উৎসাহিত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। কর্মশালায় জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি), কানুনগো, সার্ভেয়ার, অফিস সহকারী, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করছেন। কর্মশালার দ্বিতীয় দিনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও টাঙ্গাইল জেলায় কর্মরতরা।

এর আগে কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন পর্যায়ের তিনজন কর্মকর্তা অভিজ্ঞতা ও ভাবনার কথা তুলে ধরেন। ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ জয়নুল বারীর সভাপতিত্বে কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. সেলিম রেজা, স্থানীয় সরকার পরিচালক এম ইদ্রিস সিদ্দিকী এবং এটুআই এর প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুল মান্নান। মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে যে সব সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা এবং পরামর্শ গ্রহণ করা এবং সেইসঙ্গে নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে সমস্যাগুলোর সমাধান বের করার চেষ্টা করাই সঞ্জীবনী কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য।