হেলদোল নেই ওয়াসার

ঢাকা, বুধবার, ১৯ জুন ২০১৯ | ৫ আষাঢ় ১৪২৬

হেলদোল নেই ওয়াসার

৩০ দিনেও আমলে নেয়নি সমস্যা

রহমান মুফিজ ১১:২১ অপরাহ্ণ, মে ২১, ২০১৯

print
হেলদোল নেই ওয়াসার

নিম্নমান ও দূষিত পানির কারণে নানাভাবে তিরস্কৃত ও সমালোচিত হওয়ার পরও কোনো হেলদোল নেই ঢাকা ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যুয়ারেজ অথরিটির (ওয়াসা)। টিআইবির প্রতিবেদন, সেবাগ্রহীতাদের প্রতিবাদ, আদালতের শোকজ নোটিসে নড়ছে না প্রতিষ্ঠানটি। গত ২৩ এপ্রিল কারওয়ান বাজারের ওয়াসা কার্যালয়ের সামনে অভিনব প্রতিবাদ করেছিলেন রাজধানীর জুরাইনের বাসিন্দা মিজানুর রহমানসহ কয়েকজন। ওয়াসার এমডি যে ওয়াসার পানিকে শতভাগ সুপেয় বলে দাবি করেছেন সে ‘সুপেয়’ পানি দিয়ে তৈরি শরবত নিয়ে তিনি হাজির হয়েছিলেন এমডির কার্যালয়ে। অভিনব সে প্রতিবাদের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে কিন্তু পানিকে পানযোগ্য করার ওয়াসার কোনো উদ্যোগই চোখে পড়ছে না। এরই মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার আদালত নির্দেশ দিয়েছে উৎসসহ মোট ৩৪টি পয়েন্টের পানি পরীক্ষা করে আগামী ২ জুলাইয়ের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে। সেই সঙ্গে পানি পরীক্ষার জন্য যত টাকা লাগবে তা ওয়াসাকেই দিতে বলা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. সাবিতা রিজওয়ানা রহমানের উপস্থাপন করা মতামতের পর মঙ্গলবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে সাবিতা রিজওয়ানা রহমান বলেন, সুপেয় পানি পাওয়া সব নাগরিকের মৌলিক অধিকার। ২০০৯ সালে ঢাকা ওয়াসার সংযোগ ছিল ২ লাখ ৭২ হাজার ৮৪৪টি। বর্তমানে সেই সংখ্যা ৩ লাখ ৮৭ হাজার ১৭৭টি। তিনি বলেন, ওয়াসার পানি চারটি উৎস থেকে আসে, এগুলো হলো; ভূমিস্থ, ভূগর্ভস্থ এবং শীতলক্ষ্যা ও বুড়িগঙ্গা নদী। আদালত এই চারটি সোর্সের পানি এবং এই সোর্স থেকে আসা ১০টি জোনের পানি এবং এই জোনগুলো থেকে বিভিন্ন জায়গায় যাওয়া ১০টি র‌্যান্ডম এলাকা এবং গ্রাহকের অভিযোগের ভিত্তিতে দেওয়া ১০টি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার পানির স্যাম্পল নিয়ে পরীক্ষা করার নির্দেশ দেন। এ সময় অধ্যাপক সাবিতা জানান, এই ৩৪টি জায়গার পানির প্রতিটি স্যাম্পল পরীক্ষায় পাঁচ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা খরচ হবে। এর আগে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় গঠিত এ সংক্রান্ত আহ্বায়ক কমিটি ১০টি জোনের প্রত্যেক এলাকা থেকে ৩৫৫টি নমুনার ১০৬০টি পরীক্ষার জন্য ৭৫ লাখ ৬১ হাজার টাকা খরচ হবে জানালে আদালত কম নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার খরচ কমানো যায় কিনা তা জানার জন্য বিশেষজ্ঞ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান সাবিতা রিজওয়ানা রহমানকে ২১ মে (গতকাল) আদালতে আসতে বলেন। সাবিতা রিজওয়ানা আদালতে তার মতামত উপস্থাপনের পর হাইকোর্ট ৩৪টি পয়েন্টের পানি পরীক্ষার নির্দেশ দেন।

গত বছরের অক্টোবরে বাংলাদেশ নিয়ে তৈরি করা বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয় ‘দেশের প্রায় সাড়ে সাত কোটি মানুষ অপরিচ্ছন্ন এবং অনিরাপদ উৎসের পানি পান করছে। পানির নিরাপদ উৎসগুলোর ৪১ শতাংশই ক্ষতিকারক ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়াযুক্ত এবং ১৩ শতাংশে রয়েছে আর্সেনিক। বলা হয়, পাইপলাইনের পানির ৮২ শতাংশেই রয়েছে ই-কোলাই। ৩৮ শতাংশ টিউবওয়েলের পানিতে পাওয়া গেছে এই ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া। পাকস্থলী ও অন্ত্রের প্রদাহের জন্য ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়াকে দায়ী করা হয়। বিশ্বব্যাংকের ওই প্রতিবেদন নিয়ে প্রকাশিত খবর যুক্ত করে গত ১৪ অক্টোবর হাইকোর্টে একটি রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তানভীর আহমেদ। সেই রিটের শুনানি নিয়ে গত ৬ নভেম্বর হাইকোর্ট ওয়াসার পানি পরীক্ষার জন্য চার সদস্যের একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন। নিদের্শের পর স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের কমিটি গঠন করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

এর মধ্যে গত ১৭ এপ্রিল ঢাকা ওয়াসার পানির মান নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টাররন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) আরেকটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাতে বলা হয়, ওয়াসার নিম্নমানের ও দূষিত পানিকে পানোপযোগী করতে হয় ৯৩ শতাংশ সেবাগ্রহীতাকে। এদের মধ্যে ৯১ শতাংশ সেবাগ্রহীতাই পানিকে ফুটিয়ে পানোপযোগী করেন। আর পানি ফুটাতে বছরে আনুমানিক ৩৩২ কোটি টাকার গ্যাস পোড়াতে হয় সরকারকে।

টিআইবির প্রতিবেদনে ঢাকার বেশ কয়েকটি এলাকাকে পানির সংকটপূর্ণ এলাকা বলে উল্লেখ করা হয়। সেগুলো হলো-সূত্রাপুর, জুরাইন, মতিঝিল, কদমতলী, চকবাজার, হাজারীবাগ, ইসলামবাগ, নওয়াবপুর, সিদ্দিকবাজার, ওয়াটার ওয়ার্কাস রোড, বড়বাগ, আহমেদ নগর, শেওড়াপাড়া, ফার্মগেট, রসুলবাগ, মাদারটেক, নন্দীপাড়া, মোহাম্মদবাগ, পলাশপুর, মুরাদপুর, জগন্নাথপুর, উত্তরা-৬, ইব্রাহিমপুর, কচুক্ষেত, মানিকদি, মিরপুর-১১, নাখালপাড়া, ভাসানটেক ও বস্তি এলাকাসমূহ।

টিআইবি তাদের প্রতিবেদনে বলে-নিম্নমান ও দূষিত পানির কারণে জুলাই ২০১৭-জুন থেকে ২০১৮ পর্যন্ত ২৪.৬% মানুষ পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়েছে। ঢাকা ওয়াসার পানির মান ৫১.৫% শতাংশ অপরিষ্কার এবং দুর্গন্ধযুক্ত পানি ৪১.৪%। বছরে সবসময় পানি সরবরাহে ঘাটতির
টিআইবির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ঢাকা ওয়াসার পানির মান ৫১.৫ শতাংশ অপরিষ্কার। আর দুর্গন্ধযুক্ত পানির পরিমাণ হচ্ছে ৪১.৪ শতাংশ। চাহিদা অনুযায়ী পানি না পাওয়ার হার বস্তি এলাকায় সবচেয়ে বেশি। বস্তি এলাকায় ৭১.৯ শতাংশ চাহিদা অনুযায়ী পানি পান না। এ ছাড়া আবাসিক এলাকায় ৪৫.৮ শতাংশ, বাণিজ্যিক এলাকায় ৩৪.৯ শতাংশ ও শিল্প এলাকায় ১৯ শতাংশ চাহিদা অনুযায়ী পানি পান না। সার্বিক সেবা গ্রহীতাদের ৪৪.৮ শতাংশ চাহিদা অনুযায়ী পানি পান না।

টিআইবির এ প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে ২০ এপ্রিল ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাসকিম এ খান দাবি করেন ওয়াসার পানি শতভাগ সুপেয় এবং ঢাকা শহরের অধিকাংশ মানুষ ফুটিয়ে নয় সরাসরি ওয়াসার ট্যাপের পানি পান করেন। তার এ দাবির দুদিন পরেই কারওয়ান বাজারস্থ ওয়াসা কার্যালয়ের সামনে অভিনব প্রতিবাদ জানান জুরাইনের বাসিন্দা মিজানুর রহমানসহ বেশ কয়েকজন নাগরিক। তারা এমডিকে ওয়াসার লাইনের দূষিত হলুদ ও বর্ণ ধারণ করা পানি দিয়ে তৈরি শরবত খাওয়ানোর জন্য তার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। কিন্তু এমডি তাসকিম এ খান সেদিন তার কার্যালয়ে যাননি। তার পরিবর্তে ওয়াসার পরিচালক একেএম সহিদউদ্দিন বিক্ষুব্ধ মিজানুর রহমান ও অন্যান্য নাগরিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সে বৈঠকেও তিনি দাবি করেন, ওয়াসার পানি শতভাগ সুপেয়। লাইনে ছিদ্র হওয়ার কারণে কোথাও কোথায় পানিতে ময়লা পাওয়া যাচ্ছে। তিনি শরবত খেতে অপারগতা জানিয়ে বলেন- পানির লাইন ঠিক করে তারপর শরবত খাবেন। কিন্তু সে পানির লাইন এখনো ঠিক করা হয়নি।

রাজধানীর লালবাগ এলাকার বাসিন্দা মামুনুর রশিদ খোলা কাগজকে জানান, এখানকার অনেক লাইনেই ময়লা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি আসে। সেসব পানি ফুটিয়েও পান করা যায় না। একই অবস্থা সিদ্ধেশ্বরী, বাসাবো, রামপুরা, মিরপুর, জুরাইন, যাত্রাবাড়ী, মানিকনগরসহ আরও কিছু এলাকায়ও। শেওড়াপাড়ার বাসিন্দা রাহমাত হিল্লোল বলেন, ‘বহুদিন ধরে এখানকার পানির লাইনে সমস্যা। অনেকবার ওয়াসাকে জানানো হয়েছে। নিম্নমানের পানি খেয়ে অনেকের পেটের পীড়া হচ্ছে। এমনকি জন্ডিস, টাইফয়েডসহ নানা পানিবাহিত রোগও হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘ওয়াসার এমডি বলেছেন, ওয়াসার পানি খেয়ে কারও কোনো অসুখ হলে তার দায় ওয়াসা নেবে। কিন্তু তিনি তো আমাদের কথা শোনেন না। আমাদের কথা বিশ্বাস করেন না। আমরা বলছি ওয়াসার পানি খাওয়া যায় না। আর উনি বলছেন ওয়াসার পানি শতভাগ সুপেয়। কিন্তু উনার জন্য নিয়ে যাওয়া ওয়াসার পানি দিয়ে তৈরি শরবত তিনি খেলেন না। এভাবে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করার কোনো অধিকার উনার নেই।’ গেণ্ডারিয়ার বাসিন্দা শিখা কর্মকার বলেন, এখানকার পানির লাইনে পর্যাপ্ত পানি থাকে না। ওয়াসার নম্বরে ফোন দিয়ে পানির গাড়ি চেয়েও পাওয়া যায় না। এতে এলাকার মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে দিন দিন।
ওয়াসার নিরাপদ পানির জন্য অভিনব প্রতিবাদ করা জুরাইনের মিজানুর রহমানের সঙ্গে গতকাল কথা হয় খোলা কাগজের। তিনি বলেন, এক মাসেও সংকটের সমাধান করতে পারেনি ওয়াসা। উপরন্তু দিন দিন সংকট বাড়ছে। দক্ষিণ ঢাকার কয়েকটি এলাকায় লাইনে পানির দেখা মিললেও সেসব পানি পানের উপযোগী বা নিরাপদ নয়। দনিয়া-রসুলপুর এলাকায় যে পানি পাওয়া যাচ্ছে তা তো সরাসরি নদীর পানি। ভয়াবহ বিষাক্ত সেসব পানি ব্যবহার করতে পারছে না স্থানীয় বাসিন্দারা। এ বিষয়ে ওয়াসার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ওয়াসা কেবল আশ্বাস দিয়েই দায়িত্ব সেরেছে। এখনো সেসব পানির লাইন ঠিক করেনি। কারণ ওয়াসা এগুলোকে কোনো সমস্যাই মনে করছে না।

মিজানুর রহমান বলেন, গোটা পয়ঃনিষ্কাশন এবং পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে না পারলে রাজধানীবাসী পানি নিয়ে চলমান সংকট থেকে মুক্তি পাবে না। এজন্য প্রতিটি এলাকার মানুষের মধ্যে সচেতনতা ও অধিকারবোধ জাগাতে হবে। সেজন্য আমরা ইতিমধ্যে দেয়াল লিখন, পোস্টারিং, লিফলেটিং এবং গণসংযোগ শুরু করেছি। বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে তোলা ছাড়া কোনো পথ দেখা যাচ্ছে না।

এদিকে সেবাগ্রহীতাদের দাবির মুখে ওয়াসার টনক তো নড়ছেই না আদালতের একের পর এক নির্দেশনা, পর্যবেক্ষণেও হেলদোল হচ্ছে না ওয়াসার। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের গঠিত কমিটি পানি পরীক্ষার প্রতিবেদন দাখিলের পরিবর্তে একটি অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করা হলে ওই প্রতিবেদনে পানি পরীক্ষায় কমিটি গঠন ও কমিটির কার্যপরিধি তুলে ধরে গত ৮ মে ঢাকায় ওয়াসার কোনো কোনো এলাকার পানি সবচেয়ে বেশি দূষিত বা অনিরাপদ তা জানতে চায় হাইকোর্ট। মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে ওয়াসাকে মোট ১১টি জোনে ভাগ করে পানি পরীক্ষার কথা বলা হয়। পাশাপাশি অর্থায়ন পাওয়া গেলে চার মাসের মধ্যে পানি পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া যেতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। পরে ১৩ মে রাজধানীর ১৬টি এলাকায় ওয়াসার পানি বেশি দূষিত বলে হাইকোর্টে নিজে থেকেই প্রতিবেদন দাখিল করেন রিট আবেদনকারী আইনজীবী মো. তানভীর আহমেদ। জুরাইন, দনিয়া, শ্যামপুর, উত্তরা সেক্টর-৪, মিরপুর, পল্লবী, লালবাগ, রাজার দেউড়ি, মালিবাগ, বনশ্রী, মাদারটেক, গোড়ান, রায়সাহেব বাজার, মোহাম্মদপুরের বছিলা, কাজীপাড়া ও সদরঘাট এলাকার পানি বেশি দূষিত উল্লেখ করে এসব এলাকার পানি পরীক্ষার আবেদন করেন তিনি। এ সময় ওয়াসার নিরাপদ পানির বিষয়ে সরকারের দায়িত্বরতদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। ওয়াসার উদ্দেশে সর্বোচ্চ আদালত মন্তব্য করেন, ‘তারা কি হাইকোর্টকে হাইকোর্ট দেখাচ্ছে?’ ঢাকা ওয়াসার পানি পরীক্ষায় কত টাকা খরচ হবে এবং কোথা থেকে এ অর্থ আসবে- তা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কাছে জানতে চান আদালত। পরে ওয়াসার পানির ১০৬৫টি নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করতে ৭৫ লাখ ৬১ হাজার টাকা দরকার বলে আদালতকে জানায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের গঠিত কমিটি।

১৬ মে ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) উদ্দেশ করে হাইকোর্টের বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের বেঞ্চ বলেন, ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বলেছেন শতকরা একশ ভাগ পিওর পানি উৎপাদন করেন। এটা যেমন সত্য কথা, তেমনি এটাও ঠিক যে আপনার দায়িত্ব বাসা পর্যন্ত পিওর ও নিরাপদ পানি পৌঁছানো। কারণ আপনার সংস্থার নাম ওয়াসা। পানি খুবই স্পর্শকাতর। এর মাধ্যমে রোগ-জীবাণু ছড়ায় বেশি।