এসপি, রিটার্নিং কর্মকর্তাদেরও হুঁশিয়ারি দিলেন সিইসি

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

এসপি, রিটার্নিং কর্মকর্তাদেরও হুঁশিয়ারি দিলেন সিইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক ৫:৪১ অপরাহ্ণ, মে ১৫, ২০১৯

print
এসপি, রিটার্নিং কর্মকর্তাদেরও হুঁশিয়ারি দিলেন সিইসি

আগামী ১৮ জুন পঞ্চম ধাপের উপজেলা নির্বাচনের ভোট প্রসঙ্গে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সিইসি কে এম নূরুল হুদা। নির্বাচন কাজে নিয়োজিত থাকাকালীন অবস্থায় নির্বাচনী আইনপরিপন্থী কোনো কাজ করলে পুলিশ সুপার (এসপি), রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ যে কাউকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে বলে হুঁশিয়ারি বার্তা দিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

 

আজ বুধবার (১৫ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত ইটিআই ভবনে পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এমন হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

এ সময় সিইসি নূরুল হুদা জানান, ‘অন্যায় করলে, হতে পারে তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে রেহাই পাবে না।’

নূরুল হুদা আরও বলেন, ‘হতে পারেন তারা পুলিশ সুপার কিংবা নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা যে কেউ। তবে তারা কোনো ধরনের অন্যায় করলে, নির্বাচনী আচরণপরিপন্থী কাজ করলে প্রত্যেককেই বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন কোনোরকম ছাড় দেবে না। ছাড় দিইনি, দিতে চাই না। সে কথাটা মনে রাখতে হবে।’

সিইসি বলেন, ‘কোথাও কোথাও অতি উৎসাহী কাজ হয়ে থাকে। যেমন- গত নির্বাচনে এক জায়গায় এক হুজুর... হুজুরদের ওপরে তো আমাদের রোজা-রমজান মাস আসলে আস্থা বেড়ে যায়। কিন্তু তাদেরই দেখি, মাদরাসার প্রিন্সিপাল, তিনি নিজে গিয়ে সহকর্মীদের নিয়ে সিল দিয়ে বাক্সে ব্যালট ঢুকানোর চেষ্টা করেছেন। এই যে বিষয়গুলো, অবক্ষয়গুলো প্রশিক্ষণ দেয়ার সময় আপনাদের বলতে হবে।’

যেসব নির্বাচনী কর্মকর্তা তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন না তাদের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেন সিইসি কে এম নূরুল হুদা। তিনি বলেন, ‘এগুলো কেমন ধরনের আচরণ, যেখানে আপনাদের ওপর একটা নির্বাচনের সব দায়িত্ব অর্পিত থাকে, সেখানে রাতে গিয়ে আপনারা প্রিসাইডিং অফিসাররা, যাদের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য নিয়োজিত করা হয়, তারা যদি এই কাজ করেন তাহলে কীভাবে হবে?

তিনি আরও বলেন, যাদের ইতোমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা আইনের সম্মুখীন হবেন, তারা শাস্তি অবশ্যই পাবেন।’

সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেয়ার বিষয়ে নূরুল হুদা বলেন, ‘নির্বাচনের পবিত্র দায়িত্ব আপনারা পালন করতে যাচ্ছেন। আমি আশা করি, কমিশন আশা করে, আপনাদের মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেয়া সম্ভব হবে। এ সময় নির্বাচনী কর্মকর্তারা এ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারবেন কি না তা জানতে চান সিইসি। পাশাপাশি প্রার্থীদের এজেন্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে জোর দেন তিনি।

এতে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ২১ মে, যাচাই ২৩ মে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৩০ মে।