১৪৭ বছর পর বাংলাতে আইন

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯ | ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

১৪৭ বছর পর বাংলাতে আইন

রেকর্ড ডেস্ট্রাকশন আইনের নাম হচ্ছে লেখ্যপ্রমাণ বিনষ্টীকরণ আইন

জাফর আহমদ ১২:৫১ অপরাহ্ণ, মে ১৫, ২০১৯

print
১৪৭ বছর পর বাংলাতে আইন

অবশেষে রেকর্ড বিনষ্টীকরণ আইন বাংলায় হচ্ছে। ১৮৭২ সালে তৈরি হওয়া ‘দ্য ডেস্ট্রাকশন অব রেকর্ডস অ্যাক্ট’ আইনের বয়স এ বছর ১৪৭ বছর পূর্ণ হচ্ছে। নতুন করে এ আইনের নাম হবে ‘লেখ্যপ্রমাণ (রেকর্ড) বিনষ্টীকরণ আইন, ২০১৮’। ভূমি মন্ত্রণালয় এ আইন বাংলায় অনুবাদের উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যে খসড়া আইন প্রণয়নও করেছে মন্ত্রণালয়।

খসড়া এ আইন নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে বৈঠকও হয়েছে। মতামত নেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অংশীজনদের। ব্রিটিশ আমলে তৈরি হওয়া এ আইনের বিভিন্ন ধারা-উপধারা পাকিস্তান আমলে সংশোধন করা হয়। স্বাধীনতার পর ইংরেজিতেই চলে আসছে আইনটি। ২০১৮ সালে ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ করার উদ্যোগ নেয় সরকার। ভূমি মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে খসড়া প্রণয়ন করে।

খসড়া আইনে উল্লেখ করা হয়েছে, যেহেতু আদালতসমূহ, রাজম্ব, ভূমি প্রশাসন, নিবন্ধন ও অন্যান্য সরকারি কর্মকতাদের তত্ত্বাবধানে থাকা বহু বছরের পুরনো নির্দিষ্ট দলিলগুলো বিনষ্ট বা অন্যভাবে নিষ্পত্তির প্রয়োজন হলে আইন সংশোধন প্রয়োজন। এসব বিষয় মাথায় রেখে এ আইন বাংলায় অনুবাদের পাশাপাশি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মূল আইনে ডিজিটাল পদ্ধতির রেকর্ড না থাকলেও বাংলায় অনুবাদ ও সংশোধিত খসড়াতে ডিজিটাল পদ্ধতির রেকর্ডপত্র সংযুক্ত করা হচ্ছে।

এ আইনের লেখ্যপ্রমাণগুলো উপযুক্ত যে কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে হেফাজতে থাকুক না কেন বিনষ্টীকরণ রোধ করতে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ বিধি প্রণয়ন করে তা রক্ষা করতে পারবে।

সংশোধিত ও বাংলা ভাষাতে অনুবাদকৃত এই আইনের বাইরে থাকবে উচ্চ আদালতের দলিল দস্তাবেজগুলো। সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগে এবং অধস্তন দেওয়ানি আদালত অধবা ফৌজদারি আদালতের লেখ্যপ্রমাণের মধ্যে রক্ষিত সরকারের অন্য দফতরের লেখ্যপ্রমাণগুলো সংরক্ষণ সাপেক্ষ নিজ বিবেচনা অনুযায়ী বিধি প্রণয়ন করতে পারবে।