রয়েল এনফিল্ড অবশেষে ভারতের বাজারে

ঢাকা, রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ১০ আশ্বিন ১৪২৯

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

রয়েল এনফিল্ড অবশেষে ভারতের বাজারে

ডেস্ক নিউজ
🕐 ৯:১৬ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ০৮, ২০২২

রয়েল এনফিল্ড অবশেষে ভারতের বাজারে

অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ভারতের বাজারে এলো রয়েল এনফিল্ড হান্টার ৩৫০ মডেলের বাইকটি। এই মোটরসাইকেলের অপেক্ষায় দীর্ঘ দিন ধরেই বাঁধ ভাঙছিল রয়েল এনফিল্ড ভক্তদের।

 

মোট তিনটি ভ্যারিয়েন্টে দেশের মার্কেটে নিয়ে আসা হয়েছে রয়েল এনফিল্ড হান্টার ৩৫০। তাদের মধ্যে রেট্রো ভ্যারিয়েন্টের দাম দেড় লাখ টাকা, হাইয়ার-স্পেক মেট্রো ড্যাপার ভ্যারিয়েন্টের দাম এক লাখ ৬৪ হাজার টাকা এবং টপ-অ্যান্ড মেট্রো রেবেল মডেলটির দাম এক লাখ ৬৮ হাজার টাকা রাখা হয়েছে। মনে রাখতে হবে, এনফিল্ড হান্টার ৩৫০ -এর এই প্রতিটি ভ্যারিয়েন্টের দামই এক্স-শোরুমের জন্য।

হান্টার ৩৫০ মোটরবাইকে একই ইঞ্জিন ব্যবহৃত হয়েছে, যা ক্লাসিক ৩৫০ এবং মেটেওর ৩৫০-এ দেওয়া হয়েছিল। ৩৪৯ সিসি, এয়ার-কুলড ইঞ্জিনটি সর্বাধিক ২০.২বিএইচপি পাওয়ার এবং ২৭ এনএম পিক টর্ক দিতে সক্ষম। ৫-স্পিড গিয়ারবক্সের সঙ্গে পেয়ার করা হয়েছে এই ইঞ্জিন। এই বাইকে ফুয়েল এবং ইঞ্জিনের ইগনিশন ম্যাপ ফিরিয়েছে রয়েল এনফিল্ড, যাতে হান্টার ৩৫০-এর চরিত্রের সঙ্গে খাপ খায়। গাড়িটির সর্বাধিক গতি ঘণ্টায় ১১৪ কিলোমিটার। ফুয়েল ট্যাংকের পরিমাপ ১৩ লিটার এবং মোটরসাইকেলটির ওজন ১৮১ কেজি।

এখনও পর্যন্ত যে সব বাইক রয়েল এনফিল্ড বাজারে এনেছে করেছে, তাদের থেকে ডিজাইনে অনেকটাই আলাদা এই হান্টার ৩৫০ বাইকটি। নিও-রেট্রো লুক বজায় রেখেও লেটেস্ট এনফিল্ড মডেলে কিছুটা স্ক্র্যাম্বলার-লুকিং ডিজাইনও দিয়েছে সংস্থাটি। পাশাপাশি এর হ্যালোজেন সার্কুলার হেডল্যাম্প বাইকটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। টুইন-পড ইনস্ট্রুমেন্ট ক্লাস্টারটি খুব সাদামাটা করা হয়েছে এবং সেখানে একটি ট্রিপার নেভিগেশন সিস্টেমও রয়েছে।

ব্রেকিং ডিউটির জন্য হান্টার ৩৫০ বাইকের সামনে রয়েছে ৩০০ এমএম ডিস্ক এবং পেছনে রয়েছে ২৭০ এমএম ডিস্ক। অন্যদিকে সাসপেনশন ডিউটির জন্য এই বাইকে দেওয়া হয়েছে ৪১ এমএম টেলিস্কোপিক ফর্ক ও তার সঙ্গে ফর্ক গেইটার। এই এনফিল্ড বাইকের পেছনে ৬-স্টেপ প্রি-লোড অ্যাডজাস্টেবল শক অ্যাবজর্বার্স রয়ছে। এছাড়াও তিনটি ভ্যারিয়েন্টের ওপরে নির্ভর করে সিঙ্গেল চ্যানেল ABS বা ডুয়াল চ্যানেল ABS-ও অফার করা হচ্ছে।

রয়েল এনফিল্ড বলে কথা! অ্যাক্সেসারিজের বিপুল সম্ভাব থাকবে না, তাই আবার হয় নাকি! বিভিন্ন ধরনের ইঞ্জিন গার্ড, সাম্প গার্ড, নানাবিধ সিট, এলইডি টার্ন ইন্ডিকেটর, বার অ্যান্ড মিরর, ট্যুরিং মিরর, টিন্টেড ফ্লাই স্ক্রিন, ব্যাক রেস্ট, পেনিয়ার্স এবং একটি পেনিয়ার রেলও রয়েছে। রয়েল এনফিল্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিগগিরই এর একটি টেল টাইডিও নিয়ে আসা হবে।

 
Electronic Paper