ঘুম থেকে তাড়াতাড়ি ওঠার সুফল

ঢাকা, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯ | ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

ঘুম থেকে তাড়াতাড়ি ওঠার সুফল

লাইফস্টাইল ডেস্ক ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ১৭, ২০১৯

print
ঘুম থেকে তাড়াতাড়ি ওঠার সুফল

বিখ্যাত মনীষী ব্রেঞ্জামিন ফ্র্যাঙ্কলিন বলতেন, ভোরের মুখে সোনা রঙ থাকে। সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠলে দেহ-মন সতেজ থাকে। যারা রাতে দেরি করে ঘুমাতে যান এবং সকালে দেরি করে ঘুম থেকে ওঠেন তাদের অকালে মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি থাকে। এ ছাড়া সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠলে কাজ করার জন্য সারা দিন প্রচুর সময় পাবেন আপনি।

 

যারা সকালে ঘুম থেকে ওঠেন, তারাই কেবল জানেন ওর উপকারিতা। ছেলেবেলা থেকে বাবা-মা এটাই শিখিয়ে এসেছেন। আজও তারা বলে থাকেন, সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠে পড়তে। সত্যিই সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠার অনেক উপকারিতা রয়েছে। জেনে নিন সেগুলো কী কী-

ঘুম থেকে তাড়াতাড়ি ওঠার সাত উপকারিতা-

১) টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিশেষজ্ঞ একটি সমীক্ষা করেন। সেই সমীক্ষা থেকে জানা গেছে, যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠে, তারা পড়াশোনায় অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি ভালো হয় এবং তাদের পরীক্ষার ফলাফলও ভালো হয়।

২. সকালে উঠলে কাজের জন্য সময় বেশি পাওয়া যায়। এ ছাড়া কাজের গতি বেড়ে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, যখন কোনো ব্যক্তি ভোরে ওঠেন, তখন অন্যদের তুলনায় তিনি বেশি সক্রিয় থাকেন এবং কাজে সময় নেন কম।

৩) এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, যে সমস্ত মানুষ তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠেন, তারা অনেক বেশি এনার্জিটিক হন। যে কোন কাজ করতে খুব কম সময় নেন তারা। শুধু তাই নয়, কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে, পরিকল্পনা করতে এবং লক্ষ্যে পৌঁছতে তারাই সেরা হন।

৪) সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠার সবথেকে ভালো উপকারিতা হল, চিন্তামুক্তি। যখন আমরা তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠি, তখন সূর্যের নরম আলোয় আমাদের মাথা থেকে সব চিন্তা দূর হয়ে যায়। একটা পজেটিভ এনার্জি মনে কাজ করে। ফলে সারাদিনের সমস্ত কাজকর্ম সফল হয়।

৫) সকালে তখনই তাড়াতাড়ি ওঠা যায়, যদি তাড়াতাড়ি ঘুমাতেও যাওয়া যায়। একদিন তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাওয়া আর একদিন তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠলে চলবে না। এই নিয়ম নিয়মিত বজায় রাখতে হবে। তবেই আপনার ঘুম ভালো হবে এবং শরীর সুস্থ থাকবে।

৬. সকালে ঘুম থেকে ওঠা মানে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাওয়া। এতে ঘুম ভালো হয়। প্রথম প্রথম একটু অসুবিধা হলেও অভ্যাস হয়ে গেলে দেহঘড়ি ঘুমের নতুন সময় ও সকালে ওঠার বিষয়টি মানিয়ে নেবে।

৭. সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের ভোরে ঘুম ভাঙে, তারা বেশি সুখী হন। এই সুখ স্বল্পমেয়াদি নয়, বরং সারাটা জীবন ধরেই সুখ ছুঁয়ে যায়।