অস্ত্র মামলার রায় আজ

ঢাকা, শনিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২০ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

পাপিয়াকাণ্ড

অস্ত্র মামলার রায় আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক ৯:৩১ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ১২, ২০২০

print
অস্ত্র মামলার রায় আজ

যুব মহিলা লীগ থেকে বহিষ্কৃত নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরীর বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য রয়েছে আজ সোমবার। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন আশা করলেও আসামিপক্ষের আইনজীবী তাদের খালাস প্রত্যাশা করেন।

ঢাকা মহানগর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল্লাহ আবু বলেন, ‘রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্য-প্রমাণে পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুরের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। মামলার দুজন আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদ- হবে বলে আশা করছি।’

আসামিপক্ষের আইনজীবী সাখওয়াত উল্লাহ বলেন, ‘পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুরের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। রায়ে পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর খালাস পাবেন বলে আমরা আশা করছি।’

গত ২২ ফেব্রুয়ারি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জালটাকা বহন ও অবৈধ টাকা পাচারের অভিযোগে পাপিয়াসহ চার জনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। ২৩ ফেব্রুয়ারি পাপিয়ার ইন্দিরা রোডের বাসায় অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, ২০ রাউন্ড গুলি, ৫ বোতল বিদেশি মদ, ৫৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা, ৫টি পাসপোর্ট, ৩টি চেক, বেশ কিছু বিদেশি মুদ্রা ও বিভিন্ন ব্যাংকের ১০টি এটিএম কার্ড উদ্ধার করা হয়।

ওই ঘটনায় পাপিয়া ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে পৃথক পাঁচটি মামলা করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। অস্ত্র মামলা ছাড়া বাকি মামলাগুলো হলো, শের-ই-বাংলা নগর থানার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা, গুলশান থানায় মানি লন্ডারিংয়ের মামলা, বিমানবন্দর থানার বিশেষ ক্ষমতা আইনে (জাল টাকার) মামলা এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলা। এ মামলাগুলো বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

২৭ সেপ্টেম্বর অস্ত্র মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করেন আদালত। এর আগে ২৩ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ-কে এম ইমরুল কায়েশ আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন।

২৯ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১ এর এসআই আরিফুজ্জামান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে এ অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেন। মামলার অভিযোগপত্রে (চার্জশিট) ১২ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।