২০৮ মুক্তিযোদ্ধাকে গেজেটভুক্তির নির্দেশ

ঢাকা, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২০ | ২৫ শ্রাবণ ১৪২৭

২০৮ মুক্তিযোদ্ধাকে গেজেটভুক্তির নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক ১০:১৭ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ০৩, ২০১৯

print
২০৮ মুক্তিযোদ্ধাকে গেজেটভুক্তির নির্দেশ

দেশের চার জেলার ২০৮ জনকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাদের ভাতা প্রদানের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। রায়ের অনুলিপি পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে ওই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত করায় নিষ্ক্রিয়তা ও ভাতা বন্ধের বৈধতা নিয়ে করা পৃথক আটটি রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে এ রায় দেওয়া হয়। এ সময় আদালত বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা যদি অসচ্ছল থাকেন, সেটি রাষ্ট্রের জন্য লজ্জা।

জানা যায়, ২০৮ জনের মধ্যে চাঁদপুর জেলার ১৪৯ জন, পাবনার ৪০ জন, কুষ্টিয়ার আটজন ও মাগুরার ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা ২০১৬ সালে পৃথক আটটি রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওই বছরই হাইকোর্ট রুল দেন। রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে মঙ্গলবার রায় দেওয়া হয়।

রিট পক্ষে শুনানি করেন তৌফিক ইনাম ও গালিব আমিদ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অবন্তী নুরুল। পরে আইনজীবী তৌফিক ইনাম বলেন, আদালত বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে বারবার কমিটি গঠন ও জামুকা কর্তৃক স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করা বা বাদ দেওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি চরম অসম্মান।

২০৮ জনের মধ্যে চাঁদপুরের ১৪৯ জন মুক্তিযোদ্ধার মাসিক সম্মানী ভাতা কোনো কারণ না দেখিয়ে হঠাৎ করেই ২০১৫ সাল থেকে স্থগিত করা হয়। তাদের বন্ধ করা ভাতা ওই সময় থেকে চালু করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অপর ৫৯জন মুক্তিযোদ্ধা গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর ভাতা পাবেন।

রিট আবেদনকারী পক্ষ জানায়, ওই ২০৮ জন মুক্তিযোদ্ধার নাম গেজেটে প্রকাশের জন্য ২০০৪ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জামুকায় পাঠানো হয়। কিন্তু গেজেটভুক্ত না হওয়ায় প্রেক্ষাপটে তারা পৃথক রিট করেন।