ছাত্রদলের ফজলুর-ইকবালের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯ | ৯ কার্তিক ১৪২৬

ছাত্রদলের ফজলুর-ইকবালের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদক ৭:৫৫ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯

print
ছাত্রদলের ফজলুর-ইকবালের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কমিটির কার্যক্রমের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত। সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক নুসরাত সাহারা বিথী এই অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির নির্দেশ দেন। সম্প্রতি বিলুপ্ত ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমানের এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি শেষে এমন আদেশ দেওয়া হয়।

একই সঙ্গে নতুন কমিটিকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানাতে ছাত্রদলের নতুন সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামলকে সাত দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশও দেওয়া হয়।

গত ১২ সেপ্টেম্বর আমান উল্লাহ আমানের দায়ের করা মামলায় ছাত্রদলের কাউন্সিলের ওপর অস্থায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন একই আদালত। একই সঙ্গে ষষ্ঠ কাউন্সিল অধিবেশনকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানাতেও কারণ দর্শাতে বলা হয়েছিল বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দশ নেতাকে।

কিন্তু কাউন্সিল হওয়ার পর, নতুন কমিটি গঠন করা হয়। আজ ওই মামলায় নতুন করে নতুন কমিটিকে অবৈধ ঘোষণার দাবিতে এবং কমিটির কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি চেয়ে আবেদন করেন বাদি। নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে মামলায় পক্ষভুক্ত করারও আবেদন জানানো হয়। শুনানি শেষে আদালত নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে মামলায় পক্ষভুক্ত করে তাদের কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

মামলার বাদি আমন উল্লাহ আমান অভিযোগ করেন, গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ ১৯৭২ অনুযায়ী ছাত্র সংগঠন কোনো রাজনৈতিক দলের অঙ্গ সংগঠন হিসেবে থাকতে পারে না। সে অনুযায়ী ২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবর বিএনপি নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে বলেছিলেন ছাত্রদল তাদের অঙ্গ সংগঠন নয়। বিএনপি পঞ্চম কাউন্সিলে তা পাস করেছিল। চলতি বছরের ৩ জুন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব সংবাদ সম্মেলন করে ছাত্রদলের কমিটি ভেঙে দেন। ৯ জুন মির্জা ফখরুল নিবার্চন চালানোর জন্য তিনটি কমিটি গঠন করেন। ২২ জুন ছাত্রদলের ১২ জনকে বহিষ্কার করেন। যা সম্পন্ন বেআইনি।

এই বেআইন কার্যক্রমের মাধ্যমে কাউন্সিল করার যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল তা অবৈধ। আবার কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়, যার মাধ্যমে নতুন কমিটি করা হয়েছে। কাজেই নতুন কমিটিও অবৈধ। কাজেই গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ অনুযায়ী নতুন কমিটির কার্যক্রম চলতে পারে না।