মশার ওষুধ আনতে হবে দুই সিটিকেই

ঢাকা, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ | ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

মশার ওষুধ আনতে হবে দুই সিটিকেই

স্থানীয় সরকার সচিবকে হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক ১০:৪০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ০১, ২০১৯

print
মশার ওষুধ আনতে হবে দুই সিটিকেই

‘এডিস মশা নিধনে বিদেশ থেকে কার্যকরী ওষুধ আনতে গড়িমসি’র বিষয়ে হাইকোর্টের কাছে ব্যাখ্যা দিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সচিব মো. হেলালুদ্দীন। তিনি আদালতকে বলেন, এই ওষুধে মশা মারা যাচ্ছে না। দেশে ক্রাইসিস চলছে। এ বিষয়ে আমরা বসে নেই। শুনানি শেষে আদালত বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদফতর এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ মশা মারার ওষুধ দ্রুত আনার ব্যাপারে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনকে লাইসেন্স ও ক্লিয়ারেন্সসহ সার্বিক সহযোগিতা দেবে। পাশাপাশি দেশের সব হাসপাতালে একজন করে চিকিৎসককে ডেঙ্গু চিকিৎসার বিষয়ে সার্বক্ষণিক তদারকির দায়িত্ব দিতে হবে। এছাড়া সব হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য অতিরিক্ত বেডের ব্যবস্থাও করতে হবে।’

আজ (১ আগস্ট) বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ার্দীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এসব নির্দেশ দেওয়া হয়। এদিন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা আদালতকে বলেন, ‘মশা নিধন নিয়ে মিটিং হয়েছে। সমন্বিতভাবে মশা নিধনের চেষ্টা করছেন বলে তারা (সচিব) জানিয়েছেন।’

এরপর সচিব আদালতকে জানান, শুরু থেকেই আমাদের মন্ত্রণালয় দুই সিটিকে মশা নিধনের জন্য বলেছিল। এরপর থেকে মশা নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ চলমান রেখেছি। এই ওষুধে মশা মারা যাচ্ছে না। তবুও আমরা মিটিং অব্যাহত রেখেছি। মিটিং করে আরেকটি ওষুধ আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তখন সচিবের কাছে আদালত জানতে চান, ‘এ ওষুধ আনার দায়িত্ব কার?’ জবাবে তিনি বলেন, ‘ওষুধ আনার বিষয়ে আমাদের মন্ত্রণালয় সুপারভাইজ করবে। সে অনুযায়ী তারা প্রস্তুতিও নিয়েছে। এমনকি উত্তর সিটি নমুনাও সংগ্রহ করছে। ওষুধ আনতে লাইসেন্স করতে হবে।’

তখন আদালত জানতে চান, ‘কেন লাইসেন্স লাগবে?’ আদালত প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘ঢাকা সিটির বাইরে হলে সেখানে মশা নির্মূল করবে কে?’ জবাবে সচিব বলেন, ‘আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দুই সিটির সঙ্গে কথা বলব। আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব। তারা আমাদের কাছে জনবল চেয়েছিল, আমরা তাও দিয়েছি।’

আদালত আরও বলেন, ডেঙ্গু পরীক্ষার কীট যাতে স্বল্পমূল্যে দ্রুত সরবরাহ করা হয়, সরকারকে তা নিশ্চিত করতে হবে। যারা ডেঙ্গুর লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে যাবেন, মানবিক দিক বিবেচনায় তাদের সবার চিকিৎসা বেসরকারি হাসপাতালগুলোকেও নিশ্চিত করতে হবে।