কলারোয়ায় ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে জখম!

ঢাকা, শনিবার, ৬ জুন ২০২০ | ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

কলারোয়ায় ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে জখম!

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ১২:৫৮ অপরাহ্ণ, মে ১৩, ২০২০

print
কলারোয়ায় ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে জখম!

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার আমিরুল ইসলামকে কুপিয়ে জখম করেছে ইউপি নির্বাচনে পরাজিত প্রতিপক্ষ। মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্থানীয় হেলাতলা বাজারের একটি চায়ের দোকানের সামনে তাকে কুপিয়ে জখম করা হয়। আহত আমিরুল ইসলাম হেলাতলা গ্রামের রাজাউল্লাহ মোড়লের ছেলে।

এ ঘটনায় আহত ইউপি সদস্য আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ইউপি সদস্য নির্বাচনে আমিরুল ইসলামের কাছে হেরে যায় রেজাউল ইসলাম। নির্বাচনে পরাজিত হয়ে ক্ষোভে মারাত্মক হিংস্রতায় রূপ নিতে থাকেন রেজাউল এবং দীর্ঘদিন ধরে বর্তমান ইউপি সদস্য মো. আমিরুল ইসলামের সঙ্গে বিবাদে লিপ্ত হওয়ার চেষ্টা করতে থাকেন।

এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ইউপি সদস্য আমিরুল ইসলাম মোটরসাইকেল যোগে বাড়ি ফেরার পথে হেলাতলা বাজারের আলতাফ হোসেনের চায়ের দোকান সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে রেজাউল ইসলামের নেতৃত্বে তার ছেলে নয়ন হোসেন, কোটাবাড়ি গ্রামের শওকত আলীর ছেলে লাল্টু হোসেন (২৭), নূরুল সরদারের ছেলে হাসান (২৮), কাছেম আলীর ছেলে আব্দুস সালাম (৩৫) ও শৈলেন বোসের ছেলে তরুণসহ (৫০) আরও কয়েকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার গতিরোধ (ইউপি সদস্য আমিরুল) করে এলোপাতাড়িভাবে হাতে বুকে ও পায়ে কোপাতে থাকেন।

একপর্যায়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে আমিরুলের চিৎকারে আশ-পাশের লোকজন এসে ধাওয়া দিলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে মারাত্মক জখম ও মুমূর্ষু অবস্থায় ইউপি সদস্য আমিরুলকে উদ্ধার করে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, আমিরুলের কাছে থাকা নগদ টাকা ছিনতাই ও তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল দুমড়ে-মুচড়ে ফেলে রেখে যায় হামলাকারীরা।

আহত ইউপি সদস্যের ছেলে ইমামুল বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে বাবার ওপর সন্ত্রাসীরা বার বার অতর্কিত হামলা চালায়। এবারও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেছে।

কলারোয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার ডা. শফিকুল ইসলাম বলেন, আহত ইউপি সদস্য আগের তুলনায় এখন ভালো আছেন। ধারালো অস্ত্রের আঘাতের কারণে তার বুকে, হাতে, পায়ে গভীর ক্ষত হয়েছে। হাতেও একটা সেলাই দেওয়া হয়েছে।

কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মুনীর উল গীয়াস বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।